জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হাঁটছেন, হঠাৎ মাথার উপর দিয়ে উড়ে গেল একটি দুর্লভ পাখি আর দূরে গাছে বসা বানরের দল আপনাকে অবাক চোখে দেখছে — এটাই সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অভিজ্ঞতা।
🎟️ প্রবেশ মূল্য: প্রাপ্তবয়স্ক ১১৫৳, শিক্ষার্থী ৫৭৳
🕐 খোলা: সকাল ৮টা – বিকেল ৫টা
🥾 ট্রেইল: ৩টি (½ ঘণ্টা, ১ ঘণ্টা, ৩ ঘণ্টা/৬ কিমি)
কেন যাবেন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে?
বাংলাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের আধার এই উদ্যান। ২৪৩ প্রজাতির পাখি, চশমাপরা বানর, মেছো বিড়াল ও বিভিন্ন সরীসৃপের দেখা মিলতে পারে এখানে। ট্রেকারদের জন্য তিনটি ট্রেইল আছে, ছোট থেকে বড়।
কীভাবে যাবেন
- ঢাকা থেকে: সায়েদাবাদ থেকে হবিগঞ্জ বা চুনারুঘাটগামী বাসে (৪–৫ ঘণ্টা)
- চুনারুঘাট থেকে: সিএনজিতে সাতছড়ি গেট (১৫–২০ মিনিট)
- সিলেট থেকে: বাস বা সিএনজিতে চুনারুঘাট হয়ে (১.৫ ঘণ্টা)
উদ্যানে কী দেখবেন

তিনটি ট্রেইলের মধ্যে ১ ঘণ্টার ট্রেইলটি সবচেয়ে জনপ্রিয়। ছড়া (ছোট নদী), গভীর বন, বানরের দল ও বিভিন্ন পাখির ডাক — এই উদ্যানে প্রকৃতি আপনাকে সম্পূর্ণ ঘিরে ফেলবে।
কোথায় থাকবেন
উদ্যানের ভেতরে বন বিভাগের কটেজ, ভাড়া ৭০০–১,০০০৳। আগে থেকে বুকিং জরুরি।
৫০০–১,৫০০৳ রেঞ্জে হোটেল। দিনে গিয়ে ফেরা সম্ভব।
কোথায় খাবেন
উদ্যানের কাছে ছোট দোকানে সাধারণ খাবার পাওয়া যায়। ভালো মানের খাবারের জন্য চুনারুঘাট বা হবিগঞ্জ শহরে যেতে হবে। নিজের খাবার প্যাক করে নিয়ে যাওয়াই ভালো।
আনুমানিক বাজেট
ঢাকা থেকে হবিগঞ্জের বাস টিকেট ও হোটেল এক জায়গায়। Tripzao.com দেখুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ১১৫ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ৫৭ টাকা।
না, গাইড ছাড়া জঙ্গলে প্রবেশ নিষেধ এবং অনিরাপদ। গেটে গাইড পাওয়া যায়।
শীতকালে (নভেম্বর–ফেব্রুয়ারি) পাখি বেশি দেখা যায় এবং আবহাওয়া ট্রেকিংয়ের জন্য আদর্শ।