ফয়স লেকের পাশেই, পাহাড়ের কোলে বসে আছে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা। ৭২ প্রজাতির প্রাণী, ৭০ টাকার টিকিট, আর সারাদিনের পরিবার-বান্ধব আনন্দ — চট্টগ্রামে পরিবার নিয়ে বেড়ানোর জন্য এর চেয়ে সহজ ও সাশ্রয়ী জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন।
- জেলা: চট্টগ্রাম
- প্রবেশ ফি: প্রাপ্তবয়স্ক ৭০৳, শিশু ৩০৳
- যাওয়ার সময়: সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা–সন্ধ্যা ৬:১৫
- পরিবহন: ফয়স লেক, নাসিরাবাদ — যেকোনো যানবাহনে
কেন যাবেন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায়?
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, জিরাফ, জেব্রা, ময়ূর সহ ৭২ প্রজাতির বন্যপ্রাণী আছে। পাহাড়ি পরিবেশে সবুজের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে প্রাণী দেখার অনুভূতিটা অন্যরকম। বাচ্চাদের জন্য এটা শুধু বিনোদন নয় — একটা শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রামের যেকোনো স্থান থেকে ফয়স লেক এলাকায় সিএনজিতে আসুন। ভাড়া ৫০–১৫০৳।
নাসিরাবাদগামী বাসে উঠে ফয়স লেক স্টপেজে নামুন।
চট্টগ্রাম শহর থেকে মাত্র ৮–১০ কিমি, নাসিরাবাদ সড়ক ধরে সহজেই পৌঁছানো যায়।
কী দেখবেন?
চিড়িয়াখানায় প্রথমেই বড় বিড়াল পরিবার — বাঘ ও সিংহের খাঁচা। আফ্রিকান প্রাণীদের অংশে জিরাফ ও জেব্রা, পাখির অংশে রঙবেরঙের ময়ূর ও টিয়া। পুরো চিড়িয়াখানা ঘুরতে ২–৩ ঘণ্টা লাগে। কাছেই ফয়স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক — চাইলে একই দিনে দুটো উপভোগ করা যায়।
কোথায় থাকবেন?
হোটেল নাসিরাবাদ আবাসিক
৮০০–১,২০০৳/রাত
রেডিসন ব্লু, আগ্রাবাদ
৫,০০০–৮,০০০৳/রাত
কোথায় খাবেন?
চিড়িয়াখানার ভেতরে ক্যান্টিনে হালকা নাস্তা পাবেন। ভালো খাওয়ার জন্য ফয়স লেক রোড বরাবর কয়েকটা রেস্তোরাঁ আছে যেখানে ভাত-মাছের খাবার ১২০–২৫০৳-এ পাওয়া যায়।
আনুমানিক বাজেট
সকাল ৯–১০টায় গেলে প্রাণীরা বেশি সক্রিয় থাকে। দুপুরের গরমে অনেক প্রাণী ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়ে। পরিবার নিয়ে সকালের ভিজিটই সেরা।
সোমবার চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকে। ছুটির দিন (শুক্র-শনি) প্রচুর ভিড় হয়। সপ্তাহের মাঝামাঝি গেলে ভিড় কম।
চট্টগ্রাম ভ্রমণের সাশ্রয়ী ফ্লাইট ও হোটেল খুঁজতে Tripzao-তে সার্চ করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা কোন দিন বন্ধ?
প্রতি সোমবার চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকে। অন্য সব দিন সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬:১৫ পর্যন্ত খোলা।
ফয়স লেক ও চিড়িয়াখানা কি একই দিনে দেখা যাবে?
হ্যাঁ, দুটো পাশাপাশি। সকালে চিড়িয়াখানা, বিকেলে ফয়স লেক — পুরো দিনটা দারুণ কাটবে।
চিড়িয়াখানায় ফটোগ্রাফির অনুমতি আছে?
ব্যক্তিগত ক্যামেরা ও মোবাইলে ছবি তোলা যায়। তবে প্রাণীদের খুব কাছে যাওয়া বা খাবার দেওয়া নিষেধ।
