টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ঊনবিংশ শতাব্দীতে জমিদার যদুনাথ চৌধুরী প্রায় ৫৪ একর জায়গায় নির্মাণ করেছিলেন এক অসাধারণ জমিদার বাড়ি। চৌধুরী বাড়ি নামেও পরিচিত এই প্রাসাদটি নান্দনিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের দিক থেকে টাঙ্গাইলের অন্যতম সেরা দর্শনীয় স্থান।
- প্রবেশ ফি: বিনামূল্যে
- অবস্থান: নাগরপুর উপজেলা, টাঙ্গাইল
- প্রতিষ্ঠাকাল: ঊনবিংশ শতাব্দী
- আয়তন: প্রায় ৫৪ একর
- ঢাকা থেকে দূরত্ব: প্রায় ৯০–১০০ কিমি
কেন নাগরপুর জমিদার বাড়ি দেখবেন
যদুনাথ চৌধুরী ও তার বংশধরদের শাসনামলে এই বাড়িটি ছিল নাগরপুরের ক্ষমতা ও সমৃদ্ধির কেন্দ্র। বিশাল প্রাঙ্গণে নান্দনিক খিলান, থামের সারি, কারুকাজখচিত দেয়াল আজও দর্শকদের মুগ্ধ করে। ফটোগ্রাফারদের জন্য আলো-ছায়ার খেলায় এটি একটি অনন্য লোকেশন।
কীভাবে যাবেন নাগরপুর জমিদার বাড়ি
টাঙ্গাইল বা ধনবাড়ীগামী বাসে টাঙ্গাইল। ভাড়া ১৮০–২৫০ টাকা।
সিএনজিতে নাগরপুর উপজেলা সদর।
অটো রিকশায় চৌধুরী বাড়ি।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
টাঙ্গাইল শহর (নিরালা মোড়)
হোটেল আল ফয়সাল, ব্যুরো হোটেল, হোটেল প্রিন্স ৮০০–২,০০০৳/রাত
নাগরপুর বাজার
চা-নাস্তা ও সাধারণ খাবারের ব্যবস্থা
বাজেট ও খরচ
নাগরপুর জমিদার বাড়ি ও মোকনা জমিদার বাড়ি একই উপজেলায় — একদিনে দুটো দেখে নিন। টাঙ্গাইলের নিরালা মোড়ে পোড়াবাড়ির চমচম পাবেন।
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নাগরপুর জমিদার বাড়ি কি এখনও পরিবারের দখলে?
জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর প্রাসাদটির বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন অবস্থায় আছে। কিছু অংশে এখনও পরিবারের সদস্যরা থাকেন।
ঢাকা থেকে এক দিনে ঘুরে আসা যায়?
হ্যাঁ, সকালে রওনা দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকায় ফেরা সম্ভব।
কাছাকাছি আর কোথায় যাওয়া যায়?
মোকনা জমিদার বাড়ি ও পাকুল্লা মসজিদ কাছেই আছে — একসাথে ঘুরতে পারেন।