ফরিদপুর সদর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে গেরদা গ্রামে অবস্থিত একটি মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে আরবি ভাষায় লেখা পাথরের বিশেষ গেরদা ফলক রয়েছে। প্রাচীন এই শিলালিপিটি বাংলার ইসলামি ঐতিহ্যের একটি বিরল নিদর্শন। ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতত্ত্বপ্রেমীদের কাছে এটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয়।
- ধরন: পাথরের আরবি শিলালিপি
- অবস্থান: গেরদা মসজিদ, ফরিদপুর সদর থেকে ৭ কিমি
- ঢাকা থেকে: পদ্মা সেতু হয়ে ১৩০–১৪০ কিমি, ২–২.৫ ঘণ্টা
- প্রবেশ: বিনামূল্যে
- সেরা সময়: সারা বছর
কেন যাবেন গেরদা ফলক দেখতে
পাথরে খোদাই করা আরবি শিলালিপি বাংলাদেশে বিরল। গেরদা ফলক মসজিদের দেয়ালে সংরক্ষিত থাকায় ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরো বেড়েছে। ফরিদপুরের ইসলামি ইতিহাস গবেষণায় আগ্রহীদের জন্য এটি অবশ্যদ্রষ্টব্য।
কীভাবে যাবেন
কমফোর্ট লাইন, রয়েল পরিবহন বা সূর্যমুখীতে ফরিদপুর। ভাড়া ২৫০–৩৫০৳।
ফরিদপুর সদর থেকে সিএনজিতে ৭ কিমি। ভাড়া ৫০–৮০৳।
কোথায় থাকবেন ও খাবেন
ফরিদপুর শহর
হোটেল র্যাফেলস, পদ্মা — ৬০০–১,৫০০৳/রাত
ফরিদপুর রেস্তোরাঁ
রেইন ফরেস্ট ক্যাফে, টেরাকোটা, পানকৌড়ি
বাজেট পরিকল্পনা
ফরিদপুরে এলে গেরদা ফলক, সাতৈর মসজিদ ও মথুরাপুর দেউল একই সফরে দেখার পরিকল্পনা করুন।
ঢাকা থেকে ফরিদপুর ট্রিপ প্ল্যান করতে Tripzao-তে সার্চ করুন — সেরা রুট ও প্যাকেজ এক জায়গায় পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গেরদা ফলকে কী লেখা আছে?
পাথরে আরবি ভাষায় লেখা শিলালিপি। গবেষকরা এটি মধ্যযুগীয় ইসলামি শাসনামলের বলে মনে করেন, তবে সঠিক তারিখ নিয়ে গবেষণা চলছে।
ফরিদপুর থেকে কীভাবে যাব?
ফরিদপুর সদর থেকে সিএনজিতে গেরদা গ্রামে সরাসরি যাওয়া যায়, দূরত্ব মাত্র ৭ কিমি।
পাশে আর কী দেখার আছে?
ফরিদপুর সদরে সাতৈর মসজিদ ও কানাইপুর জমিদার বাড়ি একই সফরে দেখা সম্ভব।