চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি (Alamdanga Boddhovumi) ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর নৃশংস গণহত্যার নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। কোথায় খাবেনআলমডাঙ্গায় হাল্কা চা, নাস্তা বা সাধারণ মানের বাঙ্গালী খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি সম্পর্কে
কোথায় থাকবেনচুয়াডাঙ্গা জেলায় রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে সানড্রিয়াল হোটেল, হোটেল অবকাশ, হোটেল আল-আমিন, হোটেল আল মেরাজ, অন্তরাজ আবাসিক হোটেল, প্রিন্স আবাসিক হোটেল, হোটেল সোনার বাংলা ও হোটেল সুরমা উল্লেখযোগ্য। প্রত্যেক দিন দূরদূরান্ত থেকে অসংখ্য ভ্রমণকারী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই জায়গাে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন। যদিও ভালমানের খাবারের জন্য চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে।
আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন, চিত্রা ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা যেতে পারবেন। আলমডাঙ্গা পৌঁছে যেকোন জায়গাীয় পরিবহনে বা পায়ে হেঁটে আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি পৌঁছাতে পারবেন। চুয়াডাঙ্গা শহরে কলেজ রোড সংলগ্ন বেশ কিছু উন্নতমানের রেস্তোরাঁ আছে।
সে সময় পাকবাহিনী লালব্রিজ দিয়ে যাতায়াতকারী ট্রেনগুলো আলমডাঙ্গায় এবং কালিদাসপুর প্রান্তে দাঁড় করিয়ে নিরাপরাধ যাত্রীদের ধরে ধরে নিয়ে যেত এবং শত শত নারী- পুরুষকে নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ পুঁতে ফেলত। আলমডাঙ্গা থেকে কেবল ২ কিলোমিটার দূরে কালিদাস ইউনয়নের লালব্রিজের কাছেই আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, রয়েল, পূর্বাশা, মেহেরপুর, জেআর ও শ্যামলী পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌঁছানো যায়, খরচ করতে হবে ৬৫০ থেকে ১০০০ টাকা। আলমডাঙ্গা বধ্যভূমির দেয়াল রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্র- ছাত্রী দ্বারা নকশাকৃত। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙ্গালীদের নির্মমভাবে হত্যা করে এই বধ্যভূমিতে পুঁতে রাখা হত।
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে পৌঁছে কুষ্টিয়াগামী বাসে আলমডাঙ্গা পৌঁছানো যায়। পরবর্তীতে মুজিবনগরে অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। সুযোগ থাকলে চুয়াডাঙ্গার সুপরিচিত কালিপদের মিষ্টি খেইয়ে দেখতে পারেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথমে চুয়াডাঙ্গাকে অস্থায়ী রাজধানী হিসেবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা পাকবাহিনী জেনে যায় এবং চুয়াডাঙ্গার সাধারণ জনগণের উপর অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতনের কেবলা বাড়িয়ে দেয়। ১৯৭১ সালের জুন মাসের শেষ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত নারকীয় নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, ১৯৭১ সালে কুমার নদের উপর রয়েছে লাল ব্রিজের দুই পাশে মিলিটারি ক্যাম্প ছিল।
এসব ট্রেনের শ্রেণী ও মানভেদে ভাড়া লাগবে ৪৬৫ থেকে ১,৮২১ টাকা। এই জায়গাটিতে বধ্যভূমি কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়। মুক্তিযুদ্ধকালীন পাক-ওয়াপদা ভবনের বাউন্ডারির কাছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হলুদ খালাসি ঘর ছিল, যা “টর্চার সেল” হিসেবে পরিচিত ছিল।
বধ্যভূমির ভিতরে শহীদের ভাস্কর্য ও মিউজিয়ামে ১৭৫৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের পর্যায়ক্রমিক ইতিহাসের সচিত্র ছবি জায়গা পেয়েছে। দেশ স্বাধীন হবার পর এই বধ্যভূমিতে শত শত মানুষের মাথার খুলি ও হাড় পাওয়ার সুযোগ আছে। ২০১২ সালে তরুণ প্রজন্মের কাছে পাকবাহিনীর নির্যাতনের ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে স্মৃতিস্তম্ভ ও কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাচুয়াডাঙ্গার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মেহেরুন শিশু পার্ক, দর্শনা, পুলিশ পার্ক, আট কবর ও ঘোলদাড়ী শাহী মসজিদ উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, রয়েল, পূর্বাশা, মেহেরপুর, জেআর ও শ্যামলী পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌঁছানো যায়, খরচ করতে হবে ৬৫০ থেকে ১০০০ টাকা।
আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন, চিত্রা ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা যেতে পারবেন।
এসব ট্রেনের শ্রেণী ও মানভেদে ভাড়া লাগবে ৪৬৫ থেকে ১,৮২১ টাকা।
আলমডাঙ্গা থেকে কেবল ২ কিলোমিটার দূরে কালিদাস ইউনয়নের লালব্রিজের কাছেই আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরে পৌঁছে কুষ্টিয়াগামী বাসে আলমডাঙ্গা পৌঁছানো যায়।
আলমডাঙ্গা পৌঁছে যেকোন জায়গাীয় পরিবহনে বা পায়ে হেঁটে আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
চুয়াডাঙ্গা জেলায় রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে সানড্রিয়াল হোটেল, হোটেল অবকাশ, হোটেল আল-আমিন, হোটেল আল মেরাজ, অন্তরাজ আবাসিক হোটেল, প্রিন্স আবাসিক হোটেল, হোটেল সোনার বাংলা ও হোটেল সুরমা উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
আলমডাঙ্গায় হাল্কা চা, নাস্তা বা সাধারণ মানের বাঙ্গালী খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। চুয়াডাঙ্গা শহরে কলেজ রোড সংলগ্ন বেশ কিছু উন্নতমানের রেস্তোরাঁ আছে। যদিও ভালমানের খাবারের জন্য চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হবে। সুযোগ থাকলে চুয়াডাঙ্গার সুপরিচিত কালিপদের মিষ্টি খেইয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে চুয়াডাঙ্গা ডিলাক্স, রয়েল, পূর্বাশা, মেহেরপুর, জেআর ও শ্যামলী পরিবহনের বাসে পদ্মা সেতু হয়ে চুয়াডাঙ্গা পৌঁছানো যায়, খরচ করতে হবে ৬৫০ থেকে ১০০০ টাকা। আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে চমৎকারবন, চিত্রা ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়ে চুয়াডাঙ্গা যেতে পারবে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চুয়াডাঙ্গা জেলায় রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে সানড্রিয়াল হোটেল, হোটেল অবকাশ, হোটেল আল-আমিন, হোটেল আল মেরাজ, অন্তরাজ আবাসিক হোটেল, প্রিন্স আবাসিক হোটেল, হোটেল সোনার বাংলা ও হোটেল সুরমা উল্লেখযোগ্য।
আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা বধ্যভূমি (Alamdanga Boddhovumi) ১৯৭১ সালে পাকবাহিনীর নৃশংস গণহত্যার নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। কোথায় খাবেনআলমডাঙ্গায় হাল্কা চা, নাস্তা বা সাধারণ মানের বাঙ্গালী খাবার খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। কোথায় থাকবেনচুয়াডাঙ্গা জেলায় রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে সানড্রিয়াল হোটেল, হোটেল অ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

