কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোরেশদপুর গ্রামে রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত ইতিহাস-সমৃদ্ধ বাড়িটিই শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি (Rabindranath Tagore’s Shilaidaha Kuthibari) নামে পরিচিত। আর কুষ্টিয়ার সুপরিচিত তিলের খাজা ও কুলফি মালাই অবশ্যই খাবেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: গ্রীষ্মকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং মাধ্যমিক

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ও জাদুঘর সম্পর্কে
কোথায় থাকবেন
কুষ্টিয়া শহরে মোটামুটি মানের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘরটি সপ্তাহের প্রতি রবিবার পূর্ণ দিন বন্ধ থাকে এবং সোমবার বেলা ২ টা থেকে খোলা থাকে। ১৯৫৮ সাল থেকেই শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
ভবনের তৃতীয় তলায় ছিল কবির লেখার ঘর। ১৮০৭ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এ এলাকাের জমিদারি লাভ করেন। কুষ্টিয়া শহর থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ির দূরত্ব কেবল ১৫ কিলোমিটার।
কুষ্টিয়া থেকে অটো রিক্সা বা অটোরিকশায় চড়ে সহজেই শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে যেতে পারবেন। কোর্ট স্টেশন অঞ্চলর হোটেল শফি তে খেয়ে দেখতে পারেন। বাস এ গেলে কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে নিউ এসবি সুপার ডিলাস্ক, শ্যামলী, হানিফ বাসে কুষ্টিয়ার মজমপুর গেট এ নেমে রওনা দিতে হবে।
৩ তলা বিশিষ্ট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িতে সর্বমোট ১৮ টি কক্ষ আছে। সে সময় এই কুঠিবাড়ি থেকেই তিনি সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী গ্রন্থ লিখেন এবং গীতাঞ্জলী কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ শুরু করেন। সেখান থেকে যে কোন রিক্সা বা অটোরিক্সা নিয়ে লালন মাজার যেতে পারবেন।
সময়সূচী ও
প্রবেশ টিকেটের মূল্য
গ্রীষ্মকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। প্রায় ৩৩ বিঘা আয়তনের রবীন্দ্র কুঠিবাড়ির মূল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে আড়াই বিঘা জমিতে। এখন এটি শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
ট্রেনের আসনভেদে টিকেট এর মূল্য ৪১০ থেকে ৯৪৩ টাকা। পরবর্তিতে ১৮৮৯ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনিয়মিত বিরতিতে এখানে আসতেন এবং সেই সময় তিনি জমিদারী্র কাজ পরিচালনা করতেন। আর এই জাদুঘরে জায়গা পেয়েছে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নানা বয়সের ছবি, ব্যবহার্য জিনিস যেমন চঞ্চলা ও চপলা নামের দুটো স্পিডবোট, ৮ বেহারার পালকি, পল্টুন, টি টেবিল, কাঠের চেয়ার, সোফাসেট, পালংক এবং কবির আঁকা নানা চিত্রকর্ম।
এছাড়া জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, খাবারের ব্যবস্থা হোটেল গুলোতে খেতে পারেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য
প্রবেশ টিকেটের মূল্য
ে ৫ টাকা। আর এই কুটিবাড়ির ছাদ থেকে কবি সুর্যোদয়, সূর্য্যাস্ত এবং জ্যোৎস্না উপভোগ করতেন। চমৎকারবন এক্সপ্রেস সকালে ছেড়ে যায় ৮ টা ১৫ মিনিট এ, মধুমতি এক্সপ্রেস বিকাল ৩ টায় ও বেনাপোল এক্সপ্রেস রাত ১১ টা ৪৫ মিনিট এ কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়।
আপনার পছন্দমত যে কোন হোটেল ঠিক করে নিতে পারবেন। যদিও প্রত্যেক দিন বেলা ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাদুঘর সাময়িক বিরতিতে বন্ধ থাকে। ট্রেন এ যেতে চাইলে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে এ যেতে পারবেন।
বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ১০০০ – ১২০০ টাকা। ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে। সার্কভুক্ত দেশের ভ্রমণকারীদের ৫০ টাকা এবং অন্যান্য সকল বিদেশী পর্যটদের জন্য টিকেটের মূল্য ১০০ টাকা।
ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াঢাকা থেকে যেতে চাইলে বাস বা ট্রেনে দুইভাবেই যেতে পারবেন। আর শীতকালীন সময়ে প্রত্যেক দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল।
যাওয়ার উপায়কুষ্টিয়া থেকে অটো রিক্সা, সিএনজি, ইজি বাইক কিংবা অন্যান্য পরিবহনে সহজেই শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে যাওয়া যায়।
কোথায় খাবেন
খাওয়া দাওয়ার জন্যে বেশ কিছু উন্নত মানের হোটেল রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া মজমপুর ও এন এস রোডে বেশ কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে। আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর, রাঙ্গামাটি
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
গ্রীষ্মকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রবেশ টিকেটের মূল্যে ৫ টাকা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘরটি সপ্তাহের প্রতি রবিবার পূর্ণ দিন বন্ধ থাকে এবং সোমবার বেলা ২ টা থেকে খোলা থাকে। আর শীতকালীন সময়ে প্রত্যেক দিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। যদিও প্রত্যেক দিন বেলা ১ টা থেকে ১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত জাদুঘর সাময়িক বিরতিতে বন্ধ থাকে। সার্কভুক্ত দেশের ভ্রমণকারীদের ৫০ টাকা এবং অন্যান্য সকল বিদেশী পর্যটদের জন্য টিকেটের মূল্য ১০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
কুষ্টিয়া শহরে মোটামুটি মানের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল। আপনার পছন্দমত যে কোন হোটেল ঠিক করে নিতে পারবেন। এছাড়া মজমপুর ও এন এস রোডে বেশ কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
খাওয়া দাওয়ার জন্যে বেশ কিছু উন্নত মানের হোটেল রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল, খাবারের ব্যবস্থা হোটেল গুলোতে খেতে পারেন। আর কুষ্টিয়ার সুপরিচিত তিলের খাজা ও কুলফি মালাই অবশ্যই খাবেন। কোর্ট স্টেশন অঞ্চলর হোটেল শফি তে খেয়ে দেখতে পারেন। আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরজাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাদুঘর, রাঙ্গামাটি
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ও জাদুঘর-এ প্রবেশ মূল্য কত?
গ্রীষ্মকালীন সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রত্যেক দিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘর প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রছাত্রীদের জন্য প্রবেশ টিকেটের মূল্যে ৫ টাকা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি জাদুঘরটি সপ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কুষ্টিয়া শহরে মোটামুটি মানের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল। আপনার পছন্দমত যে কোন হোটেল ঠিক করে নিতে পারবেন। এছাড়া মজমপুর ও এন এস রোডে বেশ কিছু মধ্যম মানের হোটেল রয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ও জাদুঘর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কুষ্টিয়ার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের খোরেশদপুর গ্রামে রয়েছে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত ইতিহাস-সমৃদ্ধ বাড়িটিই শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি (Rabindranath Tagore’s Shilaidaha Kuthibari) নামে পরিচিত। আর কুষ্টিয়ার সুপরিচিত তিলের খাজা ও কুলফি মালাই অবশ্যই খাবেন। কোথায় থাকবেনকুষ্টিয়া শ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

