কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিমাখা লাল রঙের দোতলা কারুকার্যখচিত ‘টেগর লজ বা ঠাকুর লজ’ রয়েছে। কোর্ট স্টেশন অঞ্চলর হোটেল শফি-তে খেয়ে দেখতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, খুলনা বিভাগ

টেগর লজ সম্পর্কে
ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে। ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে কুষ্টিয়া এসে রিক্সা বা অটোরিক্সায় চেপে টেগর লজে আসতে পারবেন। এছাড়া জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল এবং খাবারের ব্যবস্থা হোটেলে খেতে পারেন।
যেভাবে যাবেনকুষ্টিয়া সদরের মিলপাড়া অঞ্চলর মোহিনী মিল ও বড় বাজারের পাশে কবি আজিজুর রহমান সড়কে টেগর লজ ভবনটি রয়েছে। একতলা থেকে দোতলায় উঠার জন্য পশ্চিম পাশের কুঠুরির কোণে আছে একটা সুদৃশ্য প্যাঁচানো লোহার সিঁড়ি।
কোথায় খাবেন
কুষ্টিয়া শহরের খাওয়া দাওয়ার জন্যে বেশকিছু উন্নত মানের হোটেল রেস্তোরাঁ আছে। চমৎকারবন এক্সপ্রেস সকালে ছেড়ে যায় ৮ টা ১৫ মিনিট এ, মধুমতি এক্সপ্রেস বিকাল ৩ টায় ও বেনাপোল এক্সপ্রেস রাত ১১ টা ৪৫ মিনিট এ কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ১০০০-১২০০ টাকা।
আর একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল এবং হোটেল লিবার্টি। কুষ্টিয়া শহর থেকে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় চড়ে টেগর লজ যেতে পারবেন। নিচের তলায় একটা বড় হল ঘর এবং উপরের তলার তিনটি ঘরের একটাতে কবিগুরুর রচিত গ্রন্থমালা এবং কবিগুরুর আঁকা ১২ টি ছবির অনুকৃতি রাখা আছে।
ট্রেনের আসনভেদে টিকেট এর মূল্য ৪১০ থেকে ৯৪৩ টাকা। হোটেল আজমীরি, প্রীতম হোটেল কিংবা জুবলি হোটেল থেকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটা ঠিক করে নিন। বাসে গেলে কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে নিউ এসবি সুপার ডিলাস্ক, শ্যামলী, হানিফ বাসে কুষ্টিয়া এসে সেখান থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সা নিয়ে টেগর লজ যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন
কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট, শাপলা চত্বর, এন এস রোড এবং বড় বাজারে মধ্যম মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। নয় কাঠা জমির উপর প্রতিষ্ঠিত টেগর লজের প্রবেশ পথে কবিগুরুর একটা আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। ট্রেন এ যেতে চাইলে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে এ যেতে পারবেন।
এই মুক্তমঞ্চে রবীন্দ্রজয়ন্তী সহ নানা উপলক্ষ্যে বিচিত্রন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। টেগর লজে কবি অসংখ্য কবিতা রচনা করেন, যা পরবর্তিতে ‘ক্ষণিকা’ এবং ‘কথা ও কাহিনী’তে প্রকাশিত হয়। টেগর লজের ভেতরে আছে সবুজ ঘাসে ঢাকা আঙিনা ও একটা ছোট মুক্তমঞ্চ।
ঢাকা থেকে কুষ্টিয়াঢাকা থেকে যেতে চাইলে বাস বা ট্রেনে দুই ভাবেই যেতে পারবেন। ১৮৯৫ সালে কবিগুরু টেগর এন্ড কোম্পানির ব্যবসায়িক কাজে কুষ্টিয়ায় এসে বর্তমান কালের সাক্ষী এই টেগর লজ (Tagore Lodge) ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। কুষ্টিয়া সদর থেকে টেগর লজের দূরত্ব কেবল ৩ কিলোমিটার।
আর কুষ্টিয়ার সুপরিচিত তিলের খাজা ও কুলফি মালাই অবশ্যই খাবেন।
কীভাবে যাবেন?
কুষ্টিয়া সদরের মিলপাড়া অঞ্চলর মোহিনী মিল ও বড় বাজারের পাশে কবি আজিজুর রহমান সড়কে টেগর লজ ভবনটি রয়েছে।
বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ১০০০-১২০০ টাকা।
ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে।
বাসে গেলে কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে নিউ এসবি সুপার ডিলাস্ক, শ্যামলী, হানিফ বাসে কুষ্টিয়া এসে সেখান থেকে রিক্সা বা অটোরিক্সা নিয়ে টেগর লজ যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে কুষ্টিয়া এসে রিক্সা বা অটোরিক্সায় চেপে টেগর লজে আসতে পারবেন।
ট্রেন এ যেতে চাইলে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে এ যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট, শাপলা চত্বর, এন এস রোড এবং বড় বাজারে মধ্যম মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। হোটেল আজমীরি, প্রীতম হোটেল কিংবা জুবলি হোটেল থেকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটা ঠিক করে নিন। আর একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল এবং হোটেল লিবার্টি।
কোথায় খাবেন?
কুষ্টিয়া শহরের খাওয়া দাওয়ার জন্যে বেশকিছু উন্নত মানের হোটেল রেস্তোরাঁ আছে। এছাড়া জাহাঙ্গীর হোটেল, শিল্পী হোটেল এবং খাবারের ব্যবস্থা হোটেলে খেতে পারেন। কোর্ট স্টেশন অঞ্চলর হোটেল শফি-তে খেয়ে দেখতে পারেন। আর কুষ্টিয়ার সুপরিচিত তিলের খাজা ও কুলফি মালাই অবশ্যই খাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
টেগর লজ কীভাবে যাবেন?
কুষ্টিয়া সদরের মিলপাড়া অঞ্চলর মোহিনী মিল ও বড় বাজারের পাশে কবি আজিজুর রহমান সড়কে টেগর লজ ভবনটি রয়েছে। বাসের ভাড়া নন এসি ৬০০-৭০০ টাকা, এসি ১০০০-১২০০ টাকা। ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে। বাসে গেলে কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে নিউ এসবি সুপার ডিলাস্ক, শ্যামলী, হানিফ বাসে কুষ্টি
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট, শাপলা চত্বর, এন এস রোড এবং বড় বাজারে মধ্যম মানের বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। হোটেল আজমীরি, প্রীতম হোটেল কিংবা জুবলি হোটেল থেকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটা ঠিক করে নিন। আর একটু ভাল মানের মধ্যে রয়েছে হোটেল রিভার ভিউ, হোটেল নূর ইন্টারন্যাশনাল এবং হোটেল লিবার্টি।
টেগর লজ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিমাখা লাল রঙের দোতলা কারুকার্যখচিত ‘টেগর লজ বা ঠাকুর লজ’ রয়েছে। কোর্ট স্টেশন অঞ্চলর হোটেল শফি-তে খেয়ে দেখতে পারেন। ট্রেনে গেলে আপনাকে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে নামতে হবে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

