পদ্মার তীর ঘেঁষা এক সময়ের রেসকোর্স ময়দানের ৩২.৭৬ একর জায়গা জুড়ে রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা গড়ে তোলা হয়েছে। মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির আবহের এই উদ্যানের কৃত্রিম পাহাড় থেকে পদ্মা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ
- প্রবেশ মূল্য: রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রত্যেক দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। জনপ্রতি ২৫ টাকা পরিশোধ করে যে কেউ এখানে ভেতরে যেতে পারে। যদিও পিকনিক স্পটের জন্য আলাদাভাবে ফি জমা দিতে

রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা সম্পর্কে
রাজশাহীর জায়গাীয় ভ্রমণকারী ছাড়াও প্রত্যেক দিন শিক্ষা সফর ও বনভোজনের উদ্দেশ্যে এখানে নানা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রী ও দর্শনার্থীের সমাগম ঘটে। কোথায় খাবেনপার্কের আশেপাশে বেশকিছু উন্নত মানের রেস্তোরা রয়েছে। কোথায় থাকবেনরাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল এবং মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল।
চিড়িয়াখানায় উল্লেখযোগ্য সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে বাজরিকা, বালিহাস, ঘোড়া, হরিণ, উদবিড়াল, অজগর সাপ, কুমির সহ নানা জলজ ও স্থলজ পশুপাখি। ফলে রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানাটি শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা (Shaheed A.H.M. Kamruzzaman Central Park & Zoo) হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। রাজশাহী শহর থেকে চিড়িয়াখানার দূরত্ব কেবল ৪.২ কিলোমিটার।
এছাড়া পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন মঙ্গলবার ছাড়া প্রত্যেক দিন রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে, ধুমকেতু এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার ব্যতীত সকাল ৬ টায় ও বনলতা এক্সপ্রেস শুক্রবার ব্যতীত দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট এ রাজশাহীর জন্য ঢাকা ত্যাগ করে। যদিও পিকনিক স্পটের জন্য আলাদাভাবে ফি জমা দিতে হয়। বিচিত্ররকম ফুল, ফল ও ঔষধি গাছের ছায়া ঘেরা পার্কের ভিতরে আছে নানা দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য ও নান্দ্যনিক ব্রিজ সহ একটা ছোট্ট লেক।
রাজশাহী শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে কেবল ৩ কিলোমিটার দূরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও পুলিশ লাইনের পূর্ব দিকে রাজশাহী জাতীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা রয়েছে। পার্কের সামনে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে। ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা এবং দেশ ট্রাভেলসের এসি বাসে রাজশাহী যাবার বাস ভাড়া ৯০০ থেকে ১৪০০ টাকা।
চিড়িয়াখানার প্রধান প্রবেশ গেইটে বিদ্যমান জিরাফের বিশাল ভাস্কর্য ও মৎস্য কুমারীর ফোয়ারা নজরে পড়ে। ১৯৭২ সালে শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জাম সড়কের কাছে রাজশাহী কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানার নির্মাণ কাজ শুরু হলে ১৯৭৪-৭৬ সালে রাজস্ব বিভাগের অনুমতিক্রমে এখানে চিড়িয়াখানার পাশাপাশি একটা শিশু পার্ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এখন এই শিশু পার্কটি রাজশাহী শহরের অন্যতম বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া কম সময়ে রাজশাহী যেতে চাইলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ারের ফ্লাইটে রাজশাহী যেতে পারবেন। তাছাড়া রাজশাহী শহরের নানা মানের ফাস্টফুড, চাইনিজ ও বাংলা খাবারের রেস্তোঁরা পাবেন। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে রবিবার ব্যতীত সপ্তাহের ৬ দিন দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এছাড়া পার্কে ভ্রমণকারীদের চিত্তবিনোদনের জন্য প্যাডেল বোট, নাগর দোলা সহ বেশকিছু আকর্ষণী রাইড রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা শহর থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রবেশমূল্য ও সময়সূচীরাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রত্যেক দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। আর শ্যামলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, প্রভৃতি নন-এসি বাসের ভাড়া ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা।
রাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গারাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, শিশু পার্ক, বাঘা মসজিদ ও পুঠিয়া রাজবাড়ী সহ আরও বেশ কিছু ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। এসব ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া শোভন চেয়ার ৪৫০-৫৮৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৮৬৩-৯৪৯ টাকা, এসি সিট ১,০৩৫-১,৩৪০ টাকা এবং এসি বার্থ ১,৫৪৭ টাকা। জনপ্রতি ২৫ টাকা পরিশোধ করে যে কেউ এখানে ভেতরে যেতে পারে।
আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট রিভিউ গাইড। শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে রিকশা বা অটোতে চড়ে সহজে এই উদ্যানে যেতে পারবেন। সময় করে প্ল্যান করতে পারেন সেইসব জায়গা ঘুরে দেখার জন্যেও।
প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি
রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রত্যেক দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। জনপ্রতি ২৫ টাকা পরিশোধ করে যে কেউ এখানে ভেতরে যেতে পারে। যদিও পিকনিক স্পটের জন্য আলাদাভাবে ফি জমা দিতে হয়। পার্কের সামনে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা শহর থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
এছাড়া কম সময়ে রাজশাহী যেতে চাইলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ারের ফ্লাইটে রাজশাহী যেতে পারবেন।
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে রবিবার ব্যতীত সপ্তাহের ৬ দিন দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
এছাড়া পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন মঙ্গলবার ছাড়া প্রত্যেক দিন রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে, ধুমকেতু এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার ব্যতীত সকাল ৬ টায় ও বনলতা এক্সপ্রেস শুক্রবার ব্যতীত দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট এ রাজশাহীর জন্য ঢাকা ত্যাগ করে।
আর শ্যামলি, হানিফ, ন্যাশনাল ট্রাভেলস, প্রভৃতি নন-এসি বাসের ভাড়া ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা।
ঢাকার মহাখালী, আব্দুল্লাহপুর, গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে গ্রীন লাইন, একতা এবং দেশ ট্রাভেলসের এসি বাসে রাজশাহী যাবার বাস ভাড়া ৯০০ থেকে ১৪০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল এবং মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট রিভিউ গাইড।
কোথায় খাবেন?
পার্কের আশেপাশে বেশকিছু উন্নত মানের রেস্তোরা রয়েছে। তাছাড়া রাজশাহী শহরের নানা মানের ফাস্টফুড, চাইনিজ ও বাংলা খাবারের রেস্তোঁরা পাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা-এ প্রবেশ মূল্য কত?
রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা প্রত্যেক দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে। জনপ্রতি ২৫ টাকা পরিশোধ করে যে কেউ এখানে ভেতরে যেতে পারে। যদিও পিকনিক স্পটের জন্য আলাদাভাবে ফি জমা দিতে হয়। পার্কের সামনে গাড়ি পার্কিং এর ব্যবস্থা আছে।
রাজশাহী কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা শহর থেকে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া কম সময়ে রাজশাহী যেতে চাইলে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স ও নভোএয়ারের ফ্লাইটে রাজশাহী যেতে পারবেন। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে রবিবার ব্যতীত সপ্তাহের
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য রাজশাহী শহরের উল্লেখযোগ্য আবাসিক হোটেলের মধ্যে রয়েছে পর্যটন কর্পোরেশন মোটেল, হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল এবং মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন রাজশাহীর সেরা হোটেল ও রিসোর্ট রিভিউ গাইড।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
