bangladesh · Editorial

উৎসব পার্ক

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে কেবল ২ কিলোমিটার দূরে বাঘা দীঘির পাড়ে বিনোদনের ভিন্ন আয়োজন নিয়ে গ্রামীণ শান্ত আবহে উৎসব পার্ক (Utshab Park) গড়ে তোলা

Photograph · Collected for Tripzao Journal

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে কেবল ২ কিলোমিটার দূরে বাঘা দীঘির পাড়ে বিনোদনের ভিন্ন আয়োজন নিয়ে গ্রামীণ শান্ত আবহে উৎসব পার্ক (Utshab Park) গড়ে তোলা হয়েছে। কীভাবে যাবেনউৎসব পার্কে যেতে চাইলে প্রথমে রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় আসতে হবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রাজশাহী বিভাগ
  • প্রবেশ মূল্য: উৎসব পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আর প্রতিটি রাইড উপভোগের জন্য টিকেট মূল্য ২০ টাকা। ৪ জনের নৌকা ভ্রমণ খরচ ৫০ টাকা এবং পিকনিক স্পটের ভাড়া ৫০০

উৎসব পার্ক

উৎসব পার্ক সম্পর্কে

উৎসব পার্ক গ্রামের সহজ সরল মানুষদের জীবনে শহুরে ভাবধারায় বিনোদনের ব্যতিক্রমী কেবলা যোগ করেছে। রাজশাহী শহরের রেস্তোরাঁগুলোতে ফাস্টফুড, চাইনিজ, বাংলা ইত্যাদি নানা ধরণের খাবারের ব্যবস্থা আছে। ২০১৪ সালে প্রায় ৮০ বিঘা জায়গা জুড়ে সম্পূর্ণ ব্যাক্তিগত উদ্যোগে পার্কটি স্থাপন করা হয়।

গাছ গাছালির ছায়া ঘেরা মনোমুগ্ধকর আবহের উৎসব পার্কের আকর্ষণীয় রাইডের মধ্যে আছে ট্রেন, নাগরদোলা, ঘূর্ণি এবং দোলনা সহ ৮টি ভিন্নধর্মী রাইড, নানা পশু পাখির দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্য, বসার বেঞ্চ, লেক এবং পিকনিক স্পট। কোথায় থাকবেনউৎসব পার্কের রেস্ট হাউসে সিঙ্গেল, ত্রিপল ও ডাবল রুমের ব্যবস্থা আছে। ঢাকার গাবতলী, আব্দুল্লাপুর এবং কল্যাণপুর থেকে শ্যামলী, হানিফ, বাবলু এন্টার প্রাইজ, গ্রিনলাইন ও দেশ ট্র্যাভেলসের মতো এসি বা নন এসি বাসে রাজশাহী যাওয়া যায়।

৪ জনের নৌকা ভ্রমণ খরচ ৫০ টাকা এবং পিকনিক স্পটের ভাড়া ৫০০ টাকা। আর বাঘা উপজেলার যেকোন প্রান্ত হতে রিকশা বা পায়ে হেঁটে ২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে উৎসব পার্কে পৌঁছাতে পারবেন। আর প্রতিটি রাইড উপভোগের জন্য টিকেট মূল্য ২০ টাকা।

রাজশাহী শহর থেকে বাঘা উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। ঢাকা হতে সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে রাজশাহী পৌঁছানো যায়। ট্রেনে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে সিল্কসিটি, ধুমকেতু, বনলতা বা পদ্মা এক্সপ্রেসে রাজশাহী যাওয়া যায়।

জায়গাীয় বাস সার্ভিস ও অটোতে চড়ে বাঘা উপজেলায় পৌঁছানো যায়। রুম ভাড়া ১০০০ টাকা। কোথায় খাবেনউৎসব পার্কের অভ্যন্তরে আইসক্রিম, ফুচকা, চটপটি ইত্যাদি নানা মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়।

এছাড়া প্রাইভেট কার, ছোট ও বড় মাইক্রো গাড়ির পার্কিং খরচ ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত। আর পার্কের কাছে রয়েছে রেস্তোরাগুলোতে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজন ভেদে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইটে চড়ে রাজশাহী যেতে পারবেন।

জনপ্রতি প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। প্রবেশ টিকেটের মূল্য ও সময়সূচীউৎসব পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। ছুটির দিন ছাড়াও অন্যান্য দিনগুলোতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিশু কিশোর ও বিচিত্র বয়সী ভ্রমণকারীদের পদভারে মুখরিত থাকে চমৎকার এই বিনোদন কেন্দ্রটি।

বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়া পড়বে ৭১০ থেকে ১৪০০ টাকা। শ্রেণী ভেদে জনপ্রতি ট্রেন টিকেটের মূল্য ৪৫০ থেকে ১,৫৪৭ টাকা। রাজশাহীতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল, মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল ও পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল সহ বেশকিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

তাছাড়া চাইলে রাজশাহী ফিরে এসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। পার্কের লেকের জলে ভেসে বেড়ানোর জন্য রয়েছে প্যাডেল বোটের ব্যবস্থা। রাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গারাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, শিশু পার্ক, বাঘা মসজিদ, পুটিয়া রাজবাড়ী ও কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা অন্যতম।

প্রবেশ মূল্য ও সময়সূচি

উৎসব পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আর প্রতিটি রাইড উপভোগের জন্য টিকেট মূল্য ২০ টাকা। ৪ জনের নৌকা ভ্রমণ খরচ ৫০ টাকা এবং পিকনিক স্পটের ভাড়া ৫০০ টাকা। জনপ্রতি প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। এছাড়া প্রাইভেট কার, ছোট ও বড় মাইক্রো গাড়ির পার্কিং খরচ ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।

কীভাবে যাবেন?

উৎসব পার্কে যেতে চাইলে প্রথমে রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় আসতে হবে।

রাজশাহী শহর থেকে বাঘা উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার।

এছাড়া প্রয়োজন ভেদে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইটে চড়ে রাজশাহী যেতে পারবেন।

শ্রেণী ভেদে জনপ্রতি ট্রেন টিকেটের মূল্য ৪৫০ থেকে ১,৫৪৭ টাকা।

ঢাকার গাবতলী, আব্দুল্লাপুর এবং কল্যাণপুর থেকে শ্যামলী, হানিফ, বাবলু এন্টার প্রাইজ, গ্রিনলাইন ও দেশ ট্র্যাভেলসের মতো এসি বা নন এসি বাসে রাজশাহী যাওয়া যায়।

জায়গাীয় বাস সার্ভিস ও অটোতে চড়ে বাঘা উপজেলায় পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন?

উৎসব পার্কের রেস্ট হাউসে সিঙ্গেল, ত্রিপল ও ডাবল রুমের ব্যবস্থা আছে। তাছাড়া চাইলে রাজশাহী ফিরে এসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। রুম ভাড়া ১০০০ টাকা। রাজশাহীতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল, মুক্তা ইন্টারন্যাশনাল ও পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল সহ বেশকিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

উৎসব পার্কের অভ্যন্তরে আইসক্রিম, ফুচকা, চটপটি ইত্যাদি নানা মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়। রাজশাহী শহরের রেস্তোরাঁগুলোতে ফাস্টফুড, চাইনিজ, বাংলা ইত্যাদি নানা ধরণের খাবারের ব্যবস্থা আছে। আর পার্কের কাছে রয়েছে রেস্তোরাগুলোতে প্রয়োজনীয় খাবার খেতে পারবেন। রাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গা রাজশাহীর অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, শিশু পার্ক, বাঘা মসজিদ, পুটিয়া রাজবাড়ী ও কেন্দ্রীয় চিড়িয়াখানা অন্যতম।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

উৎসব পার্ক-এ প্রবেশ মূল্য কত?

উৎসব পার্ক প্রত্যেক দিন সকাল ৮ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত ভ্রমণকারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। আর প্রতিটি রাইড উপভোগের জন্য টিকেট মূল্য ২০ টাকা। ৪ জনের নৌকা ভ্রমণ খরচ ৫০ টাকা এবং পিকনিক স্পটের ভাড়া ৫০০ টাকা। জনপ্রতি প্রবেশ টিকেটের মূল্য ২০ টাকা। এছাড়া প্রাইভেট কার, ছোট ও বড় মাইক্রো গাড়ির পার্কিং খরচ

উৎসব পার্ক কীভাবে যাবেন?

উৎসব পার্কে যেতে চাইলে প্রথমে রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় আসতে হবে। রাজশাহী শহর থেকে বাঘা উপজেলার দূরত্ব প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। এছাড়া প্রয়োজন ভেদে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স এর ফ্লাইটে চড়ে রাজশাহী যেতে পারবেন। শ্রেণী ভেদে জনপ্রতি ট্রেন

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

উৎসব পার্কের রেস্ট হাউসে সিঙ্গেল, ত্রিপল ও ডাবল রুমের ব্যবস্থা আছে। তাছাড়া চাইলে রাজশাহী ফিরে এসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। রুম ভাড়া ১০০০ টাকা। রাজশাহীতে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য হোটেল গ্রিন সিটি ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল স্টার ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনাল, মুক্তা ইন্টারন্যা

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.