bangladesh · Editorial

ফাতরার চর

পটুয়াখালী জেলায় ফাতারার বন বা ফাতরার চর (Fatrar Char) যাওয়ার উপায়, খাবার ও আবাসিক ব্যবস্থা, ভ্রমণ খরচ এবং আশেপাশের দর্শনীয় জায়গা সম্পর্কে জানতে পড়ুন।

Photograph · Collected for Tripzao Journal

চমৎকারবনের বর্ধিত অংশ ফাতারার বন বা ফাতরার চর (Fatrar Char) কুয়াকাটার পশ্চিমে ৯,৯৭,৫০৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়া যায়।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, বরিশাল বিভাগ

ফাতরার চর

ফাতরার চর সম্পর্কে

বাসে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ২৯৪ কিলোমিটার।

ফাতরার চর কোথায় থাকবেন

ফাতরার চরে কোন আবাসন ব্যবস্থা নেই যদিও অনুমতি নিয়ে বন বিভাগের রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও এই চরে সাপ ও গুই সাপের মতো বেশ কিছু সরীসৃপ রয়েছে। ফাতরার চর কখন যাবেননভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কেবল দুই ঘণ্টার জন্য ফাতরার চরে ঘুরার অনুমতি পাওয়া যায়।

এই পুকুরটিই চরের অস্থায়ী বাসিন্দাদের মিঠাপানির যোগানদাতা। তাছাড়া সদরঘাট থেকে সন্ধ্যার পর বরিশালের উদ্দেশ্যে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে ভোরে বরিশাল পৌঁছায়। ঢাকার সায়েদাবাদ, আবদুল্লাপুর, আরামবাগ অথবা গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাকুরা পরিবহন, শ্যামলী, গ্রীনলাইন, ইউরো কোচ, হানিফ, টি আর ট্রাভেলস সহ আরও বহু পরিবহনের বাস সরাসরি কুয়াকাটা যায়।

বাসে যেতে সময় লাগবে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা। কুয়াকাটা থেকে প্রত্যেক দিন বেশকিছু ট্রলার জনপ্রতি ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা ভাড়ায় (ভাড়া সিজনের উপর নির্ভর করে) ফাতরার চরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। মান ও শ্রেনী অনুযায়ী এসব হোটেলে ৪০০-৫,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন।

চরের পূর্ব দিকে একটা ছোট সমুদ্র সৈকত রয়েছে, ভাটার সময় এই সৈকততে অনায়সেই সমুদ্রস্নান সেরে ফেলতে পারবেন। লঞ্চে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। লঞ্চ ভাড়া ডেক ৪০০-৫০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১৩০০ টাকা, ডাবল কেবিন ২৪০০ টাকা, ভি আই পি কেবিন ভাড়া ৭০০০ টাকা।

সদরঘাট থেকে প্রত্যেক দিন সন্ধ্যায় পটুয়াখালি যাবার লঞ্চ ছেড়ে যায় এবং সকাল ৭টার দিকে পটুয়াখালি পৌছায়। যদিও সবচেয়ে সহজ ও আরামের কথা বিবেচনা করলে কুয়াকাটা যেতে নদী পথই উত্তম। ঢাকা থেকে কুয়াকাটা নন-এসি বাসের ভাড়া ৭৫০- ৯০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ১১০০-১৬০০ টাকা।

আর অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন।

ফাতরার চর কীভাবে যাবেন

ফাতরার চর দেখতে হলে প্রথমে কুয়াকাটা আসতে হবে।

কোথায় খাবেন

ফাতরার চরে যাবার সময় সাথে হালকা খাবার নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে উত্তম কারণ এখানে একটা কেবল দোকান আছে। যেতে সময় লাগবে ২ঘন্টার মত, আর বাসের ভাড়া ১৫০-১৬০ টাকা। অথবা ট্রলার রিজার্ভ নিয়েও ২ ঘন্টায় ফাতরার বনে পৌঁছাতে পারবেন।

তাই লঞ্চে যেতে চাইলে আগেই খোজ নিতে হবে আপনার ভ্রমনের দিনে কোন ভালো লঞ্চ চলবে কিনা। বাসে যেতে সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মত, বাসের ভাড়া ১৮০-২৫০ টাকা। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে লঞ্চে করে পটুয়াখালীতে গিয়ে সেখান থেকে বাসে করে কুয়াকাটা যাওয়া যায়।

দ্বিতীয় চমৎকারবন হিসেবে খ্যাত এই ফাতরার চরে রয়েছে গেওয়া, চমৎকারী, কেওড়া, ফাতরা, গরান, গোলপাতা, বাইন ইত্যাদি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের অসংখ্য উদ্ভিদ এবং বানর, শূকর প্রভৃতি জীবজন্তু ও পাখি। চরের ভেতরে ঢুকলে প্রথমেই চোখে পড়ে শান-বাঁধানো একটা পুকুর ও বন বিভাগের রেস্টহাউস। ফাতরার চরের খালে ঢোকা কেবলই দুপাশের ঘন সবুজ অরণ্য দেখে বিমোহিত হতে হয়য়।

পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাট থেকে অটোতে বাস স্ট্যান্ড গিয়ে লোকাল বাসে রওনা দিতে হবে কুয়াকাটা। ঢাকা থেকে লঞ্চে কুয়াকাটাপদ্মা সেতু চালু হওয়ায় যাত্রী সংকটের কারনে ঢাকার সদরঘাট থেকে আগের মত ভালো সার্ভিসের লঞ্চ চলাচল করেনা। যদিও কুয়াকাটায় নানা মানের আবাসিক হোটেল আছে।

চমৎকারবনের মত ফাতরার চরও দিনে দুবার জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়। প্রায়ই বন বিভাগের বনরক্ষী ছাড়া ফাতরার চরে স্থায়ীভাবে মানুষ বসবাস করে না। বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে রূপাতলি বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে কুয়াকাটা যাবার বাস পাওয়ার সুযোগ আছে।

শেয়ার করে থাকলে খরচ কম হবে। আর বাসে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। সিজন ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন পরে না।

অথবা লঞ্চে সদরঘাট থেকে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন। আর এই দোকানে মোটা চালের ভাত আর মুরগীর মাংস ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায় না।

কীভাবে যাবেন?

নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কেবল দুই ঘণ্টার জন্য ফাতরার চরে ঘুরার অনুমতি পাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন?

ফাতরার চরে কোন আবাসন ব্যবস্থা নেই যদিও অনুমতি নিয়ে বন বিভাগের রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। মান ও শ্রেনী অনুযায়ী এসব হোটেলে ৪০০-৫,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। শেয়ার করে থাকলে খরচ কম হবে। সিজন ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন পরে না। যদিও কুয়াকাটায় নানা মানের আবাসিক হোটেল আছে। আর অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন।

কোথায় খাবেন?

ফাতরার চরে যাবার সময় সাথে হালকা খাবার নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে উত্তম কারণ এখানে একটা কেবল দোকান আছে। আর এই দোকানে মোটা চালের ভাত আর মুরগীর মাংস ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায় না।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ফাতরার চর কীভাবে যাবেন?

নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত কেবল দুই ঘণ্টার জন্য ফাতরার চরে ঘুরার অনুমতি পাওয়া যায়।

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ফাতরার চরে কোন আবাসন ব্যবস্থা নেই যদিও অনুমতি নিয়ে বন বিভাগের রেস্ট হাউসে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। মান ও শ্রেনী অনুযায়ী এসব হোটেলে ৪০০-৫,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। শেয়ার করে থাকলে খরচ কম হবে। সিজন ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন পরে না। যদিও কুয়াকাটায় নানা মানে

ফাতরার চর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

চমৎকারবনের বর্ধিত অংশ ফাতারার বন বা ফাতরার চর (Fatrar Char) কুয়াকাটার পশ্চিমে ৯,৯৭,৫০৭ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। বাসে ঢাকা থেকে কুয়াকাটাঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে কুয়াকাটার দূরত্ব প্রায় ২৯৪ কিলোমিটার।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh barisal guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.