bangladesh · Editorial

কাকিনা জমিদার বাড়ি

মোগলদের দেয়া সনদের উপর ভিত্তি করে ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে কাকিনার জমিদারী শুরু হয়। বৃহত্তর রংপুর জেলার জমিদারদের মধ্যে এই কাকিনা জমিদারদের বেশ সুনাম ও

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মোগলদের দেয়া সনদের উপর ভিত্তি করে ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে কাকিনার জমিদারী শুরু হয়। আর রংপুর থেকে কাকিনা জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

কাকিনা জমিদার বাড়ি

কাকিনা জমিদার বাড়ি সম্পর্কে

ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে লালমনিরহাট এসে সেখান থেকে বুড়িমারী স্থল বন্দরগামী পথে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করলে কাকিনা বাজার বাসস্ট্যান্ড পৌঁছাতে পারবেন। কাকিনা বাজার বাসস্ট্যান্ড হতে কেবল ২০০ গজ পশ্চিমে কাকিনা জমিদার বাড়ির ভগ্নাশেষের অবজায়গা। এছাড়া কাকিনা ও কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

এছাড়া শম্ভুসাগর নামে একটা বিশালাকার দিঘী খনন করেন। মহিমারঞ্জন রায় চৌধুরী ও তাঁর পূর্বদের জমিদারিই এখন কাকিনা জমিদার বাড়ি (Kakina Zamindar Bari) হিসাবে পরিচিত। আর গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে হানিফ এবং শাহ আলী পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

এরপর তিনি সপরিবারে দার্জিলিং চলে যান এবং ১৯৩৯ সালে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। ১৯২৫ সালে নিয়ন্ত্রণহীন অর্থ ব্যয় এবং বিলাসিতার কারণে মহিমারঞ্জন রায় চৌধুরীর জমিদারী নিলাম হয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে আওরঙ্গজেব দিল্লীর মোগল সম্রাট ছিলেন।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা। এছাড়া বগুড়ার জেলায় ‘‘উডবার্ণ’’ লাইব্রেরী এবং রংপুর জেলার স্কুল, রেলপথ সহ কাকিনায় একটা জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় মহিমা রঞ্জন রায় চৌধুরীর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। কাকিনা রেল ষ্টেশন থেকে কেবল ১ কিলোমিটার দূরে আছে এই জমিদার বাড়ি।

১৮৬০ সালে শম্ভুচরণ রায় চৌধুরী নিজ অর্থায়নে বৃহত্তর রংপুর জেলার প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক ‘রঙ্গপুর প্রকাশ’ বের করেন। প্রজা বৎসল এবং সাহিত্য-সংস্কৃতি সেবী মহিমা রঞ্জন রায় চৌধুরী কাকিনায় একটা বিশাল লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করেন।

কীভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। এছাড়া ট্রেনে চড়ে লালমনিরহাট (Lalmonirhat) থেকে সরাসরি কাকিনা রেল স্টেশন যাওয়া যায়।

কোথায় থাকবেন

রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য লালমনিরহাটে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এরপর রাজা রায় চৌধুরী, রুদ্র রায়, রসিক রায়, অলকা দেবী, রাম রুদ্র রায় চৌধুরী, শম্ভুচরণ রায় চৌধুরী পর্যায়ক্রমে কাকিনার জমিদারী লাভ করেন। আর আওরঙ্গজেবের মামা শায়েস্তা খাঁ ছিলেন বাংলার সুবেদার।

এদের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য। বৃহত্তর রংপুর জেলার জমিদারদের মধ্যে এই কাকিনা জমিদারদের বেশ সুনাম ও প্রতিপত্তি ছিল। শায়েস্তা খাঁর পুত্র এবাদত খাঁ কাকিনা পরগনার প্রভাবশালী রঘু রামের ছেলে রাম নারায়নকে কাকিনা জমিদারি সনদ প্রদান করেন।

কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে লালমনি এক্সপ্রেস ও মঙ্গলবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ০৮ টা ৩০ মিনিটে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা করে। পরবর্তীতে শম্ভুচরণ রায় চৌধুরীর দত্তক পুত্র মহিমা রঞ্জন রায় চৌধুরীর উপর জমিদারীর দায়িত্ব অর্পিত হয়।

কোথায় খাবেন

লালমনিরহাটে প্যারাডাইস, সীমান্ত ক্যান্টিন, পলাশী, পালকি, নিউ শান্তি এবং মুক্তিযোদ্ধা হোটেল ছাড়াও বেশকিছু খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে।

কাকিনা রেল ষ্টেশন থেকে কেবল ১ কিলোমিটার দূরে আছে এই জমিদার বাড়ি।

এছাড়া ট্রেনে চড়ে লালমনিরহাট (Lalmonirhat) থেকে সরাসরি কাকিনা রেল স্টেশন যাওয়া যায়।

কাকিনা বাজার বাসস্ট্যান্ড হতে কেবল ২০০ গজ পশ্চিমে কাকিনা জমিদার বাড়ির ভগ্নাশেষের অবজায়গা।

আর গাবতলী ও কল্যাণপুর থেকে হানিফ এবং শাহ আলী পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা।

কোথায় থাকবেন?

রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য লালমনিরহাটে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য। এছাড়া কাকিনা ও কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন?

লালমনিরহাটে প্যারাডাইস, সীমান্ত ক্যান্টিন, পলাশী, পালকি, নিউ শান্তি এবং মুক্তিযোদ্ধা হোটেল ছাড়াও বেশকিছু খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

কাকিনা জমিদার বাড়ি কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য নানা পরিবহণের বাস এবং আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। কাকিনা রেল ষ্টেশন থেকে কেবল ১ কিলোমিটার দূরে আছে এই জমিদার বাড়ি। এছাড়া ট্রেনে চড়ে লালমনিরহাট (Lalmonirhat) থেকে সরাসরি কাকিনা রেল স্টেশন যাওয়া যায়। কাকিনা বাজার বাসস্ট্যান্ড হতে কেবল ২০০ গজ পশ্চিমে কাকিনা জমিদার বাড়ির ভগ্না

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য লালমনিরহাটে বেশ কয়েকটি মোটামুটি মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে খান হোটেল, হোটেল সীমান্ত আবাসিক, হোটেল অতিথি, হোটেল অবসর, হোটেল মাসুদ ও উত্তরা হোটেল উল্লেখ্য। এছাড়া কাকিনা ও কালিগঞ্জে রাতে থাকার ব্যবস্থাের জন্য সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

কাকিনা জমিদার বাড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মোগলদের দেয়া সনদের উপর ভিত্তি করে ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে কাকিনার জমিদারী শুরু হয়। আর রংপুর থেকে কাকিনা জমিদার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে ট্রেন বা বাসে লালমনিরহাট এসে সেখান থেকে বুড়িমারী স্থল বন্দরগামী পথে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করলে কাকিনা বাজার বাসস্ট্যান্ড পৌঁছাতে পারবেন।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide rangpur
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.