তিস্তা ব্যারেজ (Teesta Barrage) বা তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। কোথায় খাবেনতিস্তা ব্যারেজের কাছে বেশকিছু খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

তিস্তা ব্যারেজ সম্পর্কে
এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০০-১৬০০ টাকা। আর ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য বাস অথবা ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন। লালমনিরহাট সদর হতে সড়কপথে তিস্তা ব্যারেজ যাওয়ার জন্য নানা ধরনের যানবাহন রয়েছে।
নীলফামারী থেকে তিস্তা পাড়ে যাওয়ার জন্য রিক্সা, স্কুটার এবং মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাবেন। ব্যারেজের কালো পিচের রাস্তা ধরে ছুটে চলা কিংবা চারপাশের আবহের মনভোলানো সৌন্দর্য্য এখানে আগত ভ্রমণকারীদের এক অলৌকিক মায়ায় কাছে টানে।
কোথায় থাকবেন
তিস্তা ব্যারেজের পাশে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অবসর রেস্ট হাউজ।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য শহর থেকে তিস্তা ব্যারেজ যেতে চাইলে আপনার সুবিধা মত নীলফামারী অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে যান। তিস্তা ব্যারেজের নদীর দুই পাশে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে সবুজ বেষ্টনি। যদিও এই রেস্ট হাউজ সকলের জন্য উন্মুক্ত নয় যদিও কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে।
এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুবিধার্থে আপনাকে নীলফামারি অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে রওনা দিতে হবে। এছাড়াও ব্যারেজ অঞ্চলয় রয়েছে কয়েকটি পিকনিক স্পট। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪৪ রেডিয়াল গেট বিশিষ্ট ব্যারেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়, যা ১৯৯০ সালে শেষ হয়।
আসনভেদে ট্রেনের টিকেটের মূল্য পরবে ৬৩৫ থেকে ২১৮০ টাকা। কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন রাত ০৯ঃ৪৫ মিনিটে লালমনি এক্সপ্রেস ও সোমবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ০৯ঃ১০ মিনিটে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা করে। রংপুর, দিনাজপুর, নিলফামারী ও বগুড়া জেলার অনাবাদী জমিতে সেচ সুবিধা প্রদানের জন্য ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন সরকার তিস্তা ব্যারেজ তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
এছাড়া গাবতলী এবং কল্যাণপুর থেকে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, মানিক এক্সপ্রেস, বরকত ট্রাভেলস, হানিফ, শাহ্ আলি পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। তিস্তা নদীর উপর নির্মিত তিস্তা ব্যারেজের একপাশে আছে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলাধীন গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী গ্রাম এবং অন্য পাশে আছে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলাধীন খালিসা চাপানী ইউনিয়নের ডালিয়া নামক জায়গা। এদের মধ্যে রাহমানিয়া হোটেল এন্ড ফুড কর্ণার, মুহাম্মাদিয়া হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট, বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেঁস্তোরা, টাঙ্গাইল মিস্টি ঘর, মাতৃ হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য শহর থেকে তিস্তা ব্যারেজ যেতে চাইলে আপনার সুবিধা মত নীলফামারী অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে যান।
এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০০-১৬০০ টাকা।
এছাড়া গাবতলী এবং কল্যাণপুর থেকে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, মানিক এক্সপ্রেস, বরকত ট্রাভেলস, হানিফ, শাহ্ আলি পরিবহনের বাস লালমনিরহাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
নীলফামারী থেকে তিস্তা পাড়ে যাওয়ার জন্য রিক্সা, স্কুটার এবং মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাবেন।
কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে শুক্রবার ছাড়া বাকি ৬ দিন রাত ০৯ঃ৪৫ মিনিটে লালমনি এক্সপ্রেস ও সোমবার ছাড়া বাকি ৬ দিন সকাল ০৯ঃ১০ মিনিটে রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রা করে।
আর ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাওয়ার জন্য বাস অথবা ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন।
কোথায় থাকবেন?
তিস্তা ব্যারেজের পাশে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অবসর রেস্ট হাউজ। যদিও এই রেস্ট হাউজ সকলের জন্য উন্মুক্ত নয় যদিও কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুবিধার্থে আপনাকে নীলফামারি অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে রওনা দিতে হবে।
কোথায় খাবেন?
তিস্তা ব্যারেজের কাছে বেশকিছু খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ রয়েছে। এদের মধ্যে রাহমানিয়া হোটেল এন্ড ফুড কর্ণার, মুহাম্মাদিয়া হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্ট, বিসমিল্লাহ হোটেল এন্ড রেঁস্তোরা, টাঙ্গাইল মিস্টি ঘর, মাতৃ হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
তিস্তা ব্যারেজ কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য শহর থেকে তিস্তা ব্যারেজ যেতে চাইলে আপনার সুবিধা মত নীলফামারী অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে যান। এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০০-১৬০০ টাকা। এছাড়া গাবতলী এবং কল্যাণপুর থেকে নাবিল পরিবহন, এস আর ট্রাভেলস, মানিক এক্সপ্রেস, বরকত ট্রাভেলস, হানিফ, শাহ্ আলি পরিবহনের বাস লালমনিরহা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
তিস্তা ব্যারেজের পাশে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অবসর রেস্ট হাউজ। যদিও এই রেস্ট হাউজ সকলের জন্য উন্মুক্ত নয় যদিও কতৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে এখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া রাতে থাকার ব্যবস্থাের সুবিধার্থে আপনাকে নীলফামারি অথবা লালমনিরহাট জেলায় চলে রওনা দিতে হবে।
তিস্তা ব্যারেজ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
তিস্তা ব্যারেজ (Teesta Barrage) বা তিস্তা সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। কোথায় খাবেনতিস্তা ব্যারেজের কাছে বেশকিছু খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ রয়েছে। এসি/নন-এসি বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৬০০-১৬০০ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
