bangladesh · Editorial

ধরলা ব্রিজ

বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদীর নাম ধরলা। ধরলা নদীর উত্তর-পশ্চিম পাড়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক একটা পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। আর দক্ষিণ পাড়ে রয়েছে

Photograph · Collected for Tripzao Journal

বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদীর নাম ধরলা। যেভাবে যাবেনধরলা ব্রিজ যেতে হলে প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলায় আসতে হবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

ধরলা ব্রিজ

ধরলা ব্রিজ সম্পর্কে

কুড়িগ্রামের সাথে নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ধরলা নদীর উপর একটা সেতু নির্মাণ করা হয়। আর দক্ষিণ পাড়ে রয়েছে একটা সবিশাল মাঠ, যা মদনের মাঠ নামে পরিচিত। ৯৫০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৯.৮০ মিটার প্রস্থের ২য় ধরলা সেতুতে সর্বমোট ১৯টি স্প্যান রয়েছে।

কুড়িগ্রাম থেকে অটোরিকশা বা রিকশা ভাড়া করে সরাসরি ধরলা নদীর পাড় আসতে পারবেন। আবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়।

কোথায় থাকবেন

কুড়িগ্রামে বেশ কিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। ধরলা নদীর উত্তর-পশ্চিম পাড়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড কতৃক একটা পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এই সেতুটিই ধরলা ব্রিজ (Dhorla Bridge) নামে সুপরিচিত।

শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা। প্রথম ধরলা ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৬৪৮ মিটার। এছাড়া লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট এবং ফুলবাড়ীর শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের রামপ্রসাদ অঞ্চলয় ধরলা নদীর উপর আরো একটা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

২০১৪ সালের দ্বিতীয় ধরলা ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ২০১৮ সালের জুন মাসে তা শেষ হয়। যা শেখ হাসিনা ধরলা সেতু বা দ্বিতীয় ধরলা সেতু নামে পরিচিত। বিকেল বেলা প্রাণবন্ত সময় কাটানো, নৌকা ভ্রমণ কিংবা সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জন্য ধরলা ব্রিজ অঞ্চলয় অসংখ্য ভ্রমণকারীর আগমন ঘটে।

রাজধানী ঢাকার আসাদগেট, কল্যাণপুর ও গাবতলি থেকে নাবিল, হক স্পেশাল, হানিফ, তানজিলা ও এনার মতো বাসে কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়। এসি/নন-এসি এসব বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৯৫০-১৪০০ টাকা।

কোথায় খাবেন

খাবারের জন্য কুড়িগ্রামের শাপলা মোড়ে রয়েছে নান্না বিরিয়ানি কিংবা এশিয়া হোটেলকে বেছে নিতে পারেন। কুড়িগ্রামের কাছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদ একত্রে মিলিত হয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল অর্ণব প্যালেস, হোটেল ডিকে ও হোটেল মেহেদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া ধরলার নদীর পাড়ে সাজুর দোকানের চা এবং চপ খেতে ভুলবেন না।

কীভাবে যাবেন?

ধরলা ব্রিজ যেতে হলে প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলায় আসতে হবে।

আবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়।

এসি/নন-এসি এসব বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৯৫০-১৪০০ টাকা।

শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা।

রাজধানী ঢাকার আসাদগেট, কল্যাণপুর ও গাবতলি থেকে নাবিল, হক স্পেশাল, হানিফ, তানজিলা ও এনার মতো বাসে কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়।

কুড়িগ্রাম থেকে অটোরিকশা বা রিকশা ভাড়া করে সরাসরি ধরলা নদীর পাড় আসতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

কুড়িগ্রামে বেশ কিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল অর্ণব প্যালেস, হোটেল ডিকে ও হোটেল মেহেদি উল্লেখযোগ্য।

কোথায় খাবেন?

খাবারের জন্য কুড়িগ্রামের শাপলা মোড়ে রয়েছে নান্না বিরিয়ানি কিংবা এশিয়া হোটেলকে বেছে নিতে পারেন। এছাড়া ধরলার নদীর পাড়ে সাজুর দোকানের চা এবং চপ খেতে ভুলবেন না।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ধরলা ব্রিজ কীভাবে যাবেন?

ধরলা ব্রিজ যেতে হলে প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলায় আসতে হবে। আবার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশান থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকা থেকে সরাসরি কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়। এসি/নন-এসি এসব বাসের জনপ্রতি ভাড়া লাগবে ৯৫০-১৪০০ টাকা। শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা। রাজধানী ঢাকার

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

কুড়িগ্রামে বেশ কিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। এদের মধ্যে হোটেল অর্ণব প্যালেস, হোটেল ডিকে ও হোটেল মেহেদি উল্লেখযোগ্য।

ধরলা ব্রিজ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদীর নাম ধরলা। যেভাবে যাবেনধরলা ব্রিজ যেতে হলে প্রথমে কুড়িগ্রাম জেলায় আসতে হবে। কুড়িগ্রামের সাথে নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলার যোগাযোগ রক্ষার উদ্দেশ্যে ধরলা নদীর উপর একটা সেতু নির্মাণ করা হয়।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh guide rangpur
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.