১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কুড়িগ্রামে পাকিজায়গাি হানাদার বাহিনী কতৃক বর্বোরোচিত হামলায় শহীদদের স্মরণে কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক (Freedom Fighter Memorial Block) তৈরি করা হয়েছে। আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল অর্নব প্যালেস, হোটেল ডিকে, হোটেল স্মৃতি, হোটেল নিবেদিকা ও হোটেল মেহেদী উল্লেখযোগ্য।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, রংপুর বিভাগ

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক সম্পর্কে
শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা। কোথায় থাকবেনকুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়া ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের কাছে নানা মানের কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে। জেল ব্যারাকের পেছনে মূল কারা প্রাচীরের পূর্ব দিকে চার কারারক্ষীদের দাফন করা হয় এবং কারাগারের পশ্চিম প্রান্তে ইনচার্জ শেখ হেদায়েত উল্লাহকে সমাহিত করা হয়।
আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়েও সরাসরি কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়। এতে লাল মোহাম্মদ, আনসার আলী, সাজ্জাদ হোসেন ও জহির উদ্দিন এই চার কারারক্ষী শহীদ হন। পাকিজায়গাি বাহিনী লালমনিরহাট ও রংপুর থেকে পূনরায় কুড়িগ্রাম আক্রমণের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
কয়েক দফায় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে পাকিজায়গাি বাহিনীর মুখোমুখি গুলি বর্ষণে বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়। এই চার শহীদের নাম সম্বলিত সমাধি ও কুড়িগ্রাম জেলায় শহীদ হওয়া অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ইতিহাস-সমৃদ্ধ ৭ই মার্চের ভাষণের পর পাকিজায়গাি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পুরো বাংলাদেশের সাথে কুড়িগ্রামবাসীও উদ্দীপ্ত হয়ে উঠেছিল।
পরবর্তীতে কুড়িগ্রামের জায়গাীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সলিডারিটি নির্বাহী হারুনুর রশিদ লাল তাঁর সহযোদ্ধাদের সহযোগিতায় শহীদদের দাফনের ব্যবস্থা করেন। বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৯৫০ থেকে ১৪০০ টাকা। পরবর্তীতে পাকিজায়গাি বাহিনী ও রাজাকাররা কুড়িগ্রাম ছেড়ে লালমনিরহাট দখলের উদ্দেশ্যে চলে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা কুড়িগ্রামের জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।
তারই পরিপ্রেক্ষিতে ৩১ মার্চ কুড়িগ্রামের জায়গাীয় পুলিশ, আনসার, ছাত্র-জনতা ও ইপিআরদের নিয়ে একটা সম্মেলিত বাহিনী গড়ে তোলা হয়। কোথায় খাবেনকুড়িগ্রামের শাপলা মোড়ে রয়েছে নান্না বিরিয়ানি বা এশিয়া হোটেলের খাবার বেশ পরিচিত।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকার আসাদগেট, কল্যাণপুর এবং গাবতলি থেকে নাবিল, হক স্পেশাল, হানিফ, হাসান এন্টারপ্রাইজ, তানজিলা ও এনার মতো বাসে কুড়িগ্রামে পৌঁছানো যায়। পাক হানাদার বাহিনী প্রায় বিনা প্রতিরোধে কুড়িগ্রামে প্রবেশ করে তৎকালীন কুড়িগ্রাম উপ-কারাগারের কারাগারের ইনচার্জ শেখ হেদায়েত উল্লাহসহ চারজন কারারক্ষীকে বর্তমান সার্কিট হাউজের কাছে ব্রাশ ফায়ার করে। কুড়িগ্রাম শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হেঁটে কেবল ১ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে যেতে পারবেন।
সিদল ভর্তা ও তিস্তা নদীর বৈরাতী মাছ কুড়িগ্রামের সুপরিচিত খাবার।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার আসাদগেট, কল্যাণপুর এবং গাবতলি থেকে নাবিল, হক স্পেশাল, হানিফ, হাসান এন্টারপ্রাইজ, তানজিলা ও এনার মতো বাসে কুড়িগ্রামে পৌঁছানো যায়।
বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৯৫০ থেকে ১৪০০ টাকা।
শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা।
আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে চড়েও সরাসরি কুড়িগ্রাম পৌঁছানো যায়।
কুড়িগ্রাম শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে পায়ে হেঁটে কেবল ১ কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়া ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের কাছে নানা মানের কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে। আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল অর্নব প্যালেস, হোটেল ডিকে, হোটেল স্মৃতি, হোটেল নিবেদিকা ও হোটেল মেহেদী উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
কুড়িগ্রামের শাপলা মোড়ে রয়েছে নান্না বিরিয়ানি বা এশিয়া হোটেলের খাবার বেশ পরিচিত। সিদল ভর্তা ও তিস্তা নদীর বৈরাতী মাছ কুড়িগ্রামের সুপরিচিত খাবার।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকার আসাদগেট, কল্যাণপুর এবং গাবতলি থেকে নাবিল, হক স্পেশাল, হানিফ, হাসান এন্টারপ্রাইজ, তানজিলা ও এনার মতো বাসে কুড়িগ্রামে পৌঁছানো যায়। বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৯৫০ থেকে ১৪০০ টাকা। শ্রেণীভেদে এসব ট্রেনের টিকেটের মূল্য ৬৪০-২,১৯৭ টাকা। আবার কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস অথবা রংপু
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়া ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের কাছে নানা মানের কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে। আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল অর্নব প্যালেস, হোটেল ডিকে, হোটেল স্মৃতি, হোটেল নিবেদিকা ও হোটেল মেহেদী উল্লেখযোগ্য।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় কুড়িগ্রামে পাকিজায়গাি হানাদার বাহিনী কতৃক বর্বোরোচিত হামলায় শহীদদের স্মরণে কুড়িগ্রাম শহরের ঘোষপাড়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলক (Freedom Fighter Memorial Block) তৈরি করা হয়েছে। আবাসিক হোটেলগুলোর মধ্যে হোটেল অর্নব প্যালেস, হোটেল ডিকে, হোটেল স্মৃতি, হোটেল নিবেদিকা ও হো
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

