গজনী অবকাশ কেন্দ্র (Gajini Abokash Centre) শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে। এই গেটপাস সংরক্ষণ করুন কারণ সীমান্তে বিজিবির নকশী ক্যাম্পে গেটপাস দেখাতে হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

গজনী অবকাশ কেন্দ্র-এ কী দেখবেন?
গজনী অবকাশ কেন্দ্রে একটা ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে, এই টাওয়ার থেকে পাহাড়ি টিলার সৌন্দর্য্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া আরো রয়েছে মিনি চিড়িয়াখানা, ক্যাকটাস পল্লী, শিশু পার্ক, রংধনু ব্রীজ, ক্রিন্সেন্ট লেক, কৃত্রিম জলপ্রপাত, প্যান্ডেল বোড, পানসিতরী নৌকা, মুক্তিযুদ্ধ স্মুতিসৌধ, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিফলক, পাতাল পথ, লাভলেইন এবং নানা প্রানীর প্রতিকৃতি। গজনী অবকাশ কেন্দ্রে আসা ভ্রমণকারীদের বাড়তি পাওনা হিসাবে রয়েছে গারো পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসীদের জীবনযাত্রা।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াত করা সবচেয়ে সুবিধাজনক।
সারাদিনের জন্য গজনী ও মধুটিলা ইকোপার্ক ঘুরে আসার অটো ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।
শাপলা চত্বরে গজনী-মধুটিলা যাওয়া অটো/সিএনজি রিজার্ভ পাওয়ার সুযোগ আছে।
শেরপুর থেকে মাইক্রোবাস যোগে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে খরচ হবে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।
শেরপুর বাসস্ট্যান্ড হতে জনপ্রতি ১০ টাকা অটো রিক্সা ভাড়ায় খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর আসতে হবে।
উত্তরবঙ্গ থেকে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে হলে রেল বা সড়ক পথে জামালপুর হয়েও শেরপুর আসতে পারেন।
কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইগাতীতে উপজেলা ডাকবাংলো এবং বনবিভাগের একটা রেস্ট হাউজ আছে। এগুলোতে পূর্ব অনুমতি নিয়ে থাকতে পারবেন। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎ এর পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে। গজনী অবকাশ কেন্দ্রের রেস্ট হাউসের থাকতে হলে সময় ভেদে প্রতিটি কক্ষের জন্য ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়া দিতে হতে পারে। শেরপুর জেলায় ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সাধারণ মানের গেষ্ট হাউজের পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় হোটেল সম্পদ, কাকলী, বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা নামের বেশকিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে। ফোন নাম্বারঃ সার্কিট হাউজ – ০৯৩১-৬১৫১৩, হোটেল সম্পদ – ০১৭১৮-২৯০৪৪৭, কাকলী গেষ্ট হাউজ – ০১৯১৪৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ – ০৯৩১-৬১৭৭৬।
কোথায় খাবেন?
খেতে চাইলে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর কিংবা শেরপুর চলে আসা সবচেয়ে ভাল। ঝিনাইগাতীতে হোটেল সাইদ ও হোটেল জোসনায় খাবার খেতে পারেন। আর শেরপুর খাবার খেতে চাইলে নিউ মার্কেট অঞ্চলয় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে পৌঁছাতে পারবেন।
ট্রাভেল টিপস
গজনী অবকাশ কেন্দ্র ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন তাই কৌতুহলের বশবর্তী হয়েও সীমান্তের দিকে না যাওয়াই ভাল। জরুরী প্রয়োজনে শেরপুর জেলা প্রশাসকের নেজারত শাখায় ফোন করতে পারেন। ফোন নাম্বারঃ ০১৭৩৭২৯৪৮৪৯, ০১৭৪০৬০২৪১১ আরও পড়ুনআলভিনা গার্ডেন – কৃষি পর্যটন কেন্দ্রঅর্কিড পর্যটন কেন্দ্র এন্ড রিসোর্টআলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রতমা তুঙ্গী পর্যটন কেন্দ্র, বান্দরবান
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
গজনী অবকাশ কেন্দ্র কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াত করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। সারাদিনের জন্য গজনী ও মধুটিলা ইকোপার্ক ঘুরে আসার অটো ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। শাপলা চত্বরে গজনী-মধুটিলা যাওয়া অটো/সিএনজি রিজার্ভ পাওয়ার সুযোগ আছে। শেরপুর থেকে মাইক্রোবাস যোগে গজনী অবকাশ কেন্দ্রে যেতে খরচ হবে ১০০০ থেকে ১২
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঝিনাইগাতীতে উপজেলা ডাকবাংলো এবং বনবিভাগের একটা রেস্ট হাউজ আছে। এগুলোতে পূর্ব অনুমতি নিয়ে থাকতে পারবেন। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎ এর পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে। গজনী অবকাশ কেন্দ্রের রেস্ট হাউসের থাকতে হলে সময় ভেদে প্রতিটি কক্ষের জন্য ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়া দিত
গজনী অবকাশ কেন্দ্র সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
গজনী অবকাশ কেন্দ্র (Gajini Abokash Centre) শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে। এই গেটপাস সংরক্ষণ করুন কারণ সীমান্তে বিজিবির নকশী ক্যাম্পে গেটপাস দেখাতে হয়। গজনী অবকাশ কেন্দ্রে আসা ভ্রমণকারীদের বাড়তি পাওনা হিসাবে রয়েছে গারো পাহাড়ে বসবাসকারী আদিবাসীদের জীবনযাত্রা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
