শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ে আবহ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক (Madhutila Eco Park) এর অবজায়গা। প্রতি অটোতে ৬/৭ জন উঠা যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

মধুটিলা ইকোপার্ক সম্পর্কে
কোথায় খাবেন
খাবার খেতে শেরপুর চলে আসা সবচেয়ে ভাল হবে। ফোন নাম্বারঃ সার্কিট হাউজ – ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ – ০১৭১২৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ – ০১৯১৪৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ – ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১৫৭৫। ওয়াচ টাওয়ারে উঠার ফি জনপ্রতি ১০ টাকা।
নানা রাইডের টিকেট মূল্য ২০-৪০ টাকা। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎ এর পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে। এছাড়া মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ড্রিমল্যান্ড, আনন্দ, তুরাগ ইত্যাদি নানা বাস সার্ভিসের বাসে ৯০ থেকে ১৪০ টাকা ভাড়ায় শেরপুর আসতে পারবেন।
আবার শেরপুর শাপলা চত্বর থেকে নন্নী বাজার সিএনজি ভাড়া জনপ্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং নন্নি বাজার থেকে মধুটিলা ইকোপার্ক যাওয়ার ভাড়া জনপ্রতি ১৫ টাকা। মধুটিলা ইকোপার্কে শোভাবর্ধনকারী ও বিরল প্রজাতির বৃক্ষের বনায়নের পাশাপাশি আছে বিশ একরের ঔষধি বৃক্ষের বনায়ন। শেরপুর জেলায় ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সাধারণ মানের গেষ্ট হাউজের পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় হোটেল সম্পদ, কাকলী , বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা নামের বেশকিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে।
শেরপুর থেকে সিএনজি অথবা পিকআপ ভ্যানে সরাসরি মধুটিলা ইকোপার্কে বা পিকনিক স্পটে চলে আসতে পারবেন। মধুটিলায় দিনে বেলা ব্যবহারের জন্য ভ্রমণকারীদের জন্য রয়েছে মহুয়া রেস্টহাউস। সবুজের সমারোহ আর পাহাড়ের হাতছানিতে প্রতি বছর সারাদেশ থেকে সৌন্দর্য্য প্রিয় মানুষ মধুটিলায় বেড়াতে আসেন।
খরচমধুটিলা ইকোপার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা। শাপলা চত্বরে গজনী-মধুটিলা যাওয়া অটো/সিএনজি রিজার্ভ পাওয়ার সুযোগ আছে। মহাখালী থেকে দুপুর ২ টায় শেরপুর যাবার এসি বাস ছাড়ে।
কোথায় থাকবেন
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরে যেতে পারবেন। যদিও মনে রাখবেন এই সব বেশিরভাগ বাস যাত্রাপথে বহু স্টপেজে থামে তাই ঝামেলা এড়াতে শুধুকেবল ড্রিমল্যান্ড স্পেশাল বাসে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এসি/নন-এসিতে যাত্রা করতে পারেন। শেরপুর থেকে মধুটিলা ইকোপার্কের দূরত্ব কেবল ৩০ কিলোমিটার।
এছাড়া রয়েছে রেস্ট হাউজ, বাসগৃহ, নানা বন্যপ্রাণীর ভাস্কর্য বা প্রতিকৃতি, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, আকর্ষণীয় রাইড, স্টার ব্রিজ, ক্যান্টিন, মিনি চিড়িয়াখানা, কার পার্কিং এবং বসার জায়গা। সারাদিনের জন্য গজনী ও মধুটিলা ইকোপার্ক ঘুরে আসার অটো ভাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা। শেরপুর বাসস্ট্যান্ড হতে জনপ্রতি ১০ টাকা অটো রিক্সা ভাড়ায় খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর আসতে হবে।
মধুটিলা ইকো পার্ক যাওয়ার উপায়ঢাকা থেকে মাক্রোবাস, প্রাইভেট কার, মিনিবাস কিংবা বাস রিজার্ভ নিয়ে সরাসরি চলে পৌঁছাতে পারবেন মধুটিলা ইকোপার্কে। মধুটিলা ইকোপার্কের খুব কাছেই রয়েছে গজনী অবকাশ কেন্দ্র, হাতে সময় থাকলে সেখান থেকেও পরিদর্শন করতে পারবেন। যদিও এখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা করা যায় না এবং রেস্টহাউস ব্যবহার করতে চাইলে শেরপুর ডিসি অফিস থেকে অনুমতি নিতে হয়।
মধুটিলার লেকে ঘুরে বেড়ানো জন্য ৫ টি দেশীয় নৌকা ও ৩টি প্যাডেল বোট রয়েছে। শেরপুর শহরের নিউ মার্কেট অঞ্চলয় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে পৌঁছাতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরে যেতে পারবেন। শেরপুর জেলায় ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সাধারণ মানের গেষ্ট হাউজের পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় হোটেল সম্পদ, কাকলী , বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা নামের বেশকিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎ এর পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে। ফোন নাম্বারঃ সার্কিট হাউজ – ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ – ০১৭১২৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ – ০১৯১৪৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ – ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ – ০৯৩১ – ৬১৫৭৫।
কোথায় খাবেন?
খাবার খেতে শেরপুর চলে আসা সবচেয়ে ভাল হবে। শেরপুর শহরের নিউ মার্কেট অঞ্চলয় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে পৌঁছাতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
প্রায়ই ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই মধুটিলা ইকোপার্ক দেখে ফিরে যেতে পারবেন। শেরপুর জেলায় ১৫০ থেকে ৫০০ টাকায় সাধারণ মানের গেষ্ট হাউজের পাশাপাশি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় হোটেল সম্পদ, কাকলী , বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা নামের বেশকিছু মাঝারি মানের হোটেল রয়েছে। শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআ
মধুটিলা ইকোপার্ক সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
শেরপুর জেলা থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁওয়ে আবহ ও বন মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারিভাবে মধুটিলা ইকো পার্ক (Madhutila Eco Park) এর অবজায়গা। প্রতি অটোতে ৬/৭ জন উঠা যায়। কোথায় খাবেনখাবার খেতে শেরপুর চলে আসা সবচেয়ে ভাল হবে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
