bangladesh · Editorial

মাইসাহেবা জামে মসজিদ

শেরপুর জেলা শহরে প্রবেশের পর সর্বপ্রথম ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ (Mai Saheba Jame Masjid) নজরে আসে। আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদেটি

Photograph · Collected for Tripzao Journal

শেরপুর জেলা শহরে প্রবেশের পর সর্বপ্রথম ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ (Mai Saheba Jame Masjid) নজরে আসে। ফোন নাম্বার: সার্কিট হাউজ: ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ: ০১৭১২-৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ: ০১৯১৪-৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ: ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১৫৭৫।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ময়মনসিংহ বিভাগ

মাইসাহেবা জামে মসজিদ

মাইসাহেবা জামে মসজিদ সম্পর্কে

যদিও মনে রাখবেন এই সব বেশিরভাগ বাস যাত্রাপথে বহু স্টপেজে থামে তাই ঝামেলা এড়াতে শুধুকেবল ড্রিমল্যান্ড স্পেশাল বাসে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এসি/নন-এসিতে যাত্রা করতে পারেন। এসব হোটেলে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।

কোথায় থাকবেন

শেরপুরে সাধারণ এবং মধ্যম মানের কিছু গেষ্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেল রয়েছে। কিন্তু হাতিকে নিয়ে বার বার ঘরের কাছে যাওয়া কেবলই হাতি সালাম দিয়ে বসে পড়ে। ৩ তলা বিশিষ্ট মাইসাহেবা জামে মসজিদ সম্পূর্ণ শীততাপ নিয়ন্ত্রিত।

শেরপুরের জমিদার মসজিদের এই জায়গাটি মুক্তাগাছার জমিদার কে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং হাতি দিয়ে সেখানে বিদ্যমান খাজনা তোলায় ব্যবহৃত ঘর ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন। আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদেটি নানা সময় সংস্কার করা হলেও তাতে ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। মুসলমান ব্যতীত অন্য ধর্মাবলম্বীরাও এখানে নিয়মিতভাবে দান করে থাকেন।

আবাসিক হোটেলের মধ্যে সম্পদ, কাকলী, বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা অন্যতম। মাই সাহেবার মৃত্যুর পর জমিদার এখানে একটা মসজিদ নির্মাণ করে মাইসাহেবা জামে মসজিদ নামকরণ করেন। মহাখালী থেকে দুপুর ২ টায় শেরপুর যাবার এসি বাস ছাড়ে।

জমিদার তাঁর ভুল বুঝতে পারেন এবং ক্ষমা চেয়ে ফেরত যান। মুক্তাগাছার জমিদার তার বদৌলতে শেরপুরের কিছু জায়গা চান। সেই নারীর নাম ছিল মাই সাহেবা।

কীভাবে যাবেন

মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ড্রিমল্যান্ড, আনন্দ, তুরাগ ইত্যাদি নানা বাস সার্ভিসের বাসে ৯০ থেকে ১৪০ টাকা ভাড়ায় শেরপুর আসতে পারবেন। এই কথা শুনে তিনআনি জমিদার নিজে এসে দেখতে পান এই ঘরের ভিতর একজন নারী ইবাদতে মগ্ন আছেন। এছাড়া শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎতের পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে।

মসজিদে একত্রে প্রায় ৯০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। মাইসাহেবা জামে মসজিদের নামকরণ নিয়ে একটা গল্প প্রচলিত আছে। প্রতি শুক্রবার শেরপুর শহর ছাড়াও আশেপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মুসল্লী এই মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন।

শেরপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র শেরপুর সরকারি কলেজের দক্ষিণ পাশে রয়েছে মাইসাহেবা মসজিদের দুইটি সুউচ্চ মিনার শহরের নানা প্রান্ত থেকে দৃষ্টিগোচর হয়। তৎকালীন সময় শেরপুরের তিনআনি জমিদার মুক্তাগাছার জমিদার কে নিমন্ত্রণ জানান। মাইসাহেবা জামে মসজিদ ময়মনসিংহ বিভাগের সবচেয়ে বেশি দান গ্রহণকারী মসজিদ হিসাবেও সুপরিচিত।

কোথায় খাবেন

শেরপুর শহরের নিউ মার্কেট অঞ্চলয় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে খাবার খেতে পারেন।

কীভাবে যাবেন?

মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ড্রিমল্যান্ড, আনন্দ, তুরাগ ইত্যাদি নানা বাস সার্ভিসের বাসে ৯০ থেকে ১৪০ টাকা ভাড়ায় শেরপুর আসতে পারবেন।

যদিও মনে রাখবেন এই সব বেশিরভাগ বাস যাত্রাপথে বহু স্টপেজে থামে তাই ঝামেলা এড়াতে শুধুকেবল ড্রিমল্যান্ড স্পেশাল বাসে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এসি/নন-এসিতে যাত্রা করতে পারেন।

মহাখালী থেকে দুপুর ২ টায় শেরপুর যাবার এসি বাস ছাড়ে।

কোথায় থাকবেন?

শেরপুরে সাধারণ এবং মধ্যম মানের কিছু গেষ্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে সম্পদ, কাকলী, বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা অন্যতম। এছাড়া শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎতের পৃথক পৃথক রেষ্ট হাউজ রয়েছে। ফোন নাম্বার: সার্কিট হাউজ: ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ: ০১৭১২-৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ: ০১৯১৪-৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ: ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১৫৭৫।

কোথায় খাবেন?

শেরপুর শহরের নিউ মার্কেট অঞ্চলয় হোটেল শাহজাহান, হোটেল আহার এবং হোটেল প্রিন্সে খাবার খেতে পারেন।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

মাইসাহেবা জামে মসজিদ কীভাবে যাবেন?

মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে ড্রিমল্যান্ড, আনন্দ, তুরাগ ইত্যাদি নানা বাস সার্ভিসের বাসে ৯০ থেকে ১৪০ টাকা ভাড়ায় শেরপুর আসতে পারবেন। যদিও মনে রাখবেন এই সব বেশিরভাগ বাস যাত্রাপথে বহু স্টপেজে থামে তাই ঝামেলা এড়াতে শুধুকেবল ড্রিমল্যান্ড স্পেশাল বাসে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় এসি/নন-এসিতে যাত্রা করতে পারেন। মহাখাল

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

শেরপুরে সাধারণ এবং মধ্যম মানের কিছু গেষ্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব হোটেলে ৩০০ থেকে ৮০০ টাকায় রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। আবাসিক হোটেলের মধ্যে সম্পদ, কাকলী, বর্ণালী গেষ্ট হাউজ, ভবানী প্লাজা অন্যতম। এছাড়া শেরপুরে সড়ক ও জনপথ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, এটিআই এবং পল্লী বিদ্যুৎতের পৃথক পৃথক র

মাইসাহেবা জামে মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

শেরপুর জেলা শহরে প্রবেশের পর সর্বপ্রথম ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ (Mai Saheba Jame Masjid) নজরে আসে। ফোন নাম্বার: সার্কিট হাউজ: ০৯৩১-৬১২৪৫, হোটেল সম্পদ: ০১৭১২-৪২২১৪৫, কাকলী গেষ্ট হাউজ: ০১৯১৪-৮৫৪৪৫০, হোটেল সাইদ: ০৯৩১-৬১৭৭৬, আরাফাত গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১২১৭, বর্ণালী গেস্ট হাউজ: ০৯৩১–৬১৫৭৫। যদিও মনে

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.