নোয়াখালী জেলার প্রাণকেন্দ্রে শহরের অন্যতম প্রধান মসজিদ নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ (Noakhali Zilla Jame Mosque) রয়েছে। প্রায় ৩.৮ একর জায়গার উপর নির্মিত জেলা জামে মসজিদের নির্মাণশৈলীতে মুসলিম ও দেশী লোকজ শিল্পের প্রভাব লক্ষ করার সুযোগ রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ সম্পর্কে
পরবর্তীতে নোয়াখালী জেলার মূল শহর মাইজদীতে জায়গাান্তর করার সময় ১৯৫০ সালে নানা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাক্তিগত আর্থিক সহায়তায় নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ করা হয়। কোথায় থাকবেননোয়াখালীর মাইজদী শহর ও চৌমুহনীতে পূবালী হোটেল, হোটেল আল মোর্শেদ, হোটেল মৌচাক, হোটেল লিটন, আজমির হোটেল, হোটেল নিজাম, হোটেল রাফসান, হোটেল আর ফারহান, হোটেল রয়্যাল, হোটেল সুগন্ধ্যা ইন্টার ন্যাশনালের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে। অনন্য চমৎকার এই স্থাপনাটি জায়গাীয়দের কাছে মাইজদী বড় মসজিদ নামে পরিচিত।
মসজিদের দৈর্ঘ্য ১৩০ ফুট এবং প্রস্থ ৮০ ফুট। এখন নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদের সাথে “মানব কল্যাণ মজলিস” নামের একটা জনহিতকর সংস্থা আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। মূল নোয়াখালী শহরের সাথে এই জামে মসজিদটিও মেঘনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
নোয়াখালী জেলা সদর অর্থাৎ মাইজদী পৌঁছে সেখান থেকে রিকশা নিয়ে বা পায়ে হেঁটে জেলা জামে মসজিদ যেতে পারবেন। তাছাড়া ছোট এক তলা ভবনে নকশাকারে ফুল-লতাপাতাসহ কোরআনের নানা আয়াত ও উপদেশমূলক বাণী খচিত হয়েছে। ট্রেনের শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৩১৫-৫৯৮ টাকা।
কোথায় খাবেননোয়াখালী শহরে রয়েছে জনতা হোটেল, হাজি বিরিয়ানি, রাহমানিয়া হোটেল, স্কাই ভিউ হোটেল, দারুচিনি চাইনিজ রেস্তোরাঁ এবং ফাইভ স্টার হোটেলে মানভেদে বাঙ্গালী, চাইনিজ ও ফাস্টফুড খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে। এছাড়া ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উপকূল এক্সপ্রেস এ করে নোয়াখালী আসতে পারেন। ১৮৪১ সালে পুরাতন নোয়াখালী শহরে ইমাম উদ্দিন নামের এক সওদাগর নিজ জমিতে নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ স্থাপন করেন।
মসজিদের অভ্যন্তরে থাকা পুরনো মসজিদের সুদৃশ্য ঝাড়বাতি, লোহার সুদৃশ্য গেইট ও অসংখ্য শ্বেত পাথরের টুকরো মসজিদের শোভা বর্ধন করছে অসাধারণ শৈল্পিকতায়। নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদে আগত মুসল্লিদের জন্য আধুনিক শৌচাগার, গোসলখানা ও অজুখানা তৈরি করা হয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার মিরপুর, সায়েদাবাদ ও জিগাতলা থেকে হিমাচল, বিলাস, একুশে, ভিআইপি বা শাহী এক্সপ্রেসে নোয়াখালী পৌঁছানো যায়। আর মসজিদের পশ্চিম দিকে আছে একটা বড় পুকুর, দক্ষিণ দিকে জিলা স্কুল , উত্তরে ষ্টেশন রোড, জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ও জেলা সড়ক বিভাগের ভবন এবং পূর্ব দিকে আছে গণপূর্ত বিভাগের কার্যালয়। মসজিদের মূল ভবনে আছে ইসলামী স্থাপত্যে নির্মিত ৩টি সুদৃশ্য গম্বুজ ও ৯টি মিনার।
নোয়াখালী জেলার দর্শনীয় জায়গানোয়াখালী জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মুছাপুর ক্লোজার, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর, গান্ধী আশ্রম, নোয়াখালী ড্রিম ওয়ার্ল্ড পার্ক, বজরা শাহী মসজিদ ও নিঝুম দ্বীপ অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মিরপুর, সায়েদাবাদ ও জিগাতলা থেকে হিমাচল, বিলাস, একুশে, ভিআইপি বা শাহী এক্সপ্রেসে নোয়াখালী পৌঁছানো যায়।
এছাড়া ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উপকূল এক্সপ্রেস এ করে নোয়াখালী আসতে পারেন।
নোয়াখালী জেলা সদর অর্থাৎ মাইজদী পৌঁছে সেখান থেকে রিকশা নিয়ে বা পায়ে হেঁটে জেলা জামে মসজিদ যেতে পারবেন।
ট্রেনের শ্রেণীভেদে ভাড়া লাগবে ৩১৫-৫৯৮ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
নোয়াখালীর মাইজদী শহর ও চৌমুহনীতে পূবালী হোটেল, হোটেল আল মোর্শেদ, হোটেল মৌচাক, হোটেল লিটন, আজমির হোটেল, হোটেল নিজাম, হোটেল রাফসান, হোটেল আর ফারহান, হোটেল রয়্যাল, হোটেল সুগন্ধ্যা ইন্টার ন্যাশনালের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
নোয়াখালী শহরে রয়েছে জনতা হোটেল, হাজি বিরিয়ানি, রাহমানিয়া হোটেল, স্কাই ভিউ হোটেল, দারুচিনি চাইনিজ রেস্তোরাঁ এবং ফাইভ স্টার হোটেলে মানভেদে বাঙ্গালী, চাইনিজ ও ফাস্টফুড খাবার পাওয়ার সুযোগ আছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার মিরপুর, সায়েদাবাদ ও জিগাতলা থেকে হিমাচল, বিলাস, একুশে, ভিআইপি বা শাহী এক্সপ্রেসে নোয়াখালী পৌঁছানো যায়। এছাড়া ট্রেনে আসতে চাইলে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে উপকূল এক্সপ্রেস এ করে নোয়াখালী আসতে পারেন। নোয়াখালী জেলা সদর অর্থাৎ মাইজদী পৌঁছে সেখান থেকে রিকশা নিয়ে বা পায়ে হেঁটে জেলা জামে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নোয়াখালীর মাইজদী শহর ও চৌমুহনীতে পূবালী হোটেল, হোটেল আল মোর্শেদ, হোটেল মৌচাক, হোটেল লিটন, আজমির হোটেল, হোটেল নিজাম, হোটেল রাফসান, হোটেল আর ফারহান, হোটেল রয়্যাল, হোটেল সুগন্ধ্যা ইন্টার ন্যাশনালের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে।
নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নোয়াখালী জেলার প্রাণকেন্দ্রে শহরের অন্যতম প্রধান মসজিদ নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ (Noakhali Zilla Jame Mosque) রয়েছে। প্রায় ৩.৮ একর জায়গার উপর নির্মিত জেলা জামে মসজিদের নির্মাণশৈলীতে মুসলিম ও দেশী লোকজ শিল্পের প্রভাব লক্ষ করার সুযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে নোয়াখালী জেলার মূল শহর মাইজদীতে জায়গাান্তর ক
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


