bangladesh · Editorial

ইনানী সমুদ্র সৈকত

ইনানী বিচ, কক্সবাজার - ইনানী সমুদ্র সৈকত যাবার উপায়, থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ও ইনানী বিচ ভ্রমণ খরচ এবং সহজে একটা আনন্দময় ইনানী সমুদ্র সৈকত ট্যুর প্ল্যান করতে...

Photograph · Collected for Tripzao Journal

কক্সবাজার থেকে ২৯ কিলোমিটার আর হিমছড়ি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ইনানী সমুদ্র সৈকত (Inani Sea Beach)। এছাড়া টেকনাফ গামী মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে ইনানী বীচে যাবার সময় হিমছড়ির পাহাড়, সমুদ্র তীরের সাম্পান, নারিকেল ও ঝাউবন গাছের সারি আর চারপাশের প্রকৃতির দৃশ্য দেখে আপনার ভ্রমণের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

ইনানী সমুদ্র সৈকত

ইনানী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে

বিচে নামার সময় সতর্ক থাকুন, জোয়ার ভাটার সময় দেখে নিন। প্রায়ই দামানুসারে কক্সবাজার হোটেল/মোটেল/রিসোর্ট গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করার সুযোগ রয়েছে। কম দামে কোন হোটেল বা রিসর্টে থাকতে চাইলে আপনি কলাতলি বিচ থেকে একটু দূরে লং বিচ হোটেলের সামনে উল্টোপাশের গলির ভিতরের হোটেল গুলোতে খুঁজ নিতে পারেন।

সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। মধ্যম মানের রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। এখানে কক্সবাজারের মত সাগর এত উত্তাল থাকে না আর এই শান্ত সাগরই দর্শনার্থীদের আরো বেশী বিমোহিত করে।

বিকেল বেলায় দর্শনার্থী তুলনামূলক কম থাকে আর সাথে অসাধারণ সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা পরবর্তীতে আপনার আফসুসের কারণ হতে পারে। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শে নেয়া উচিত নয়। অটোরিকশায়/ইজিবাইক করে ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া ও আসা সহ সিজন ভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা।

ভাটার সময় ইনানী সমুদ্র সৈকতে সেন্টমার্টিনের মত প্রবাল পাথরের দেখা মিলে। একটা জীপে ১২ থেকে ১৫ জন অনায়াসেই বসা যায়। যদিও কক্সবাজার থেকে কাছে হওয়ায় এবং বহু হোটেল থাকায় কক্সবাজারে থাকাই সবচেয়ে সুবিধাজনক।

কক্সবাজারে খাবার জন্য নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা: সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট ইত্যাদি। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।

কোথায় থাকবেন

ইনানী বিচের আশেপাশে কিছু হোটল ও রিসোর্ট আছে। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে সবসময় ইনানী সমুদ্র সৈকত যাবার খোলা জীপ পাওয়া যায়। অফসিজনে হোটেলের ভাড়া প্রায়ই অর্ধেকেরও কম থাকে।

প্রায়ই বিকেল বেলায় ইনানী সৈকত ভ্রমণের জন্য আদর্শ সময়। ইনানী সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ টিপসঅফসিজন গেলে বা ছুটির দিন গুলো পরিহার করে ভ্রমণে গেলে খরচ কম হবে। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে।

কম দামে হোটেলে থাকার জন্যে বিচ থেকে দূরে লাবনী পয়েন্টের হোটেল গুলোতে থাকতে পারেন। তার মধ্যে রয়েল ফাইভ স্টার টিউলিপ সী পার্ল রিসোর্ট, ইনানী রয়াল রিসোর্ট, লা বেল্যা রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য। আপনি যদি আপনার পরিবার নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে চান যদিও ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে পারেন।

সিজনে (ডিসেম্বর-মার্চ) সরকারি ছুটির দিন ব্যাতিত দিন গুলোতে গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন হবে না। চেষ্টা করুন বিকেলের সময়টা ইনানী বিচে কাটানোর। এছাড়া লোকাল সিএনজি তে করে জনপ্রতি ৮০ টাকা ভাড়ায় ইনানী সী বিচ যাওয়া যায়।

৮০০ থেকে ৩,০০০ টাকা: উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, সেন্টমার্টিন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট ইত্যাদি। এসি/নন এসির ২/৩/৪ বেড রুম ও রান্নাঘর বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের প্রত্যেক দিন ভাড়া হতে পারে ২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা। যাতায়াত বা খাওয়া দাওয়ার জন্যে সবকিছুতেই ভালো করে দরদাম করে নিবেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের সকল হোটেল ও রিসোর্টযদিও উপরে উল্লেখিত মূল্যের চেয়েও কমে হোটেল পাওয়ার সুযোগ আছে, সেক্ষেত্রে একটু আগে থেকেই খোঁজ খবর নিতে হয়। হাতে সময় নিয়ে বের হন, মেরিন ড্রাইভ ও হিমছড়িতে চাইলে কিছু সময় ব্যয় করতে পারেন। ইনানী

কীভাবে যাবেন

প্রথমে ঢাকা থেকে আপনাকে কক্সবাজার আসতে হবে। রিজার্ভ গেলে বেশি টাকা লাগে আলোচনা সাপেক্ষ্যে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় যাওয়া যায়। কক্সবাজার আসতে নানা ধরণের এসি-নন এসি বাস সার্ভিস রয়েছে।

এদের মধ্যে সৗদিয়া, এস আলম এর মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, সেন্টমার্টিন হুন্দাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ৬০০০ থেকে ১০.০০০ টাকা: মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি। এক্ষেত্রে সময় এবং বিমানের ক্লাস ভেদে আপনার ৪৬০০ থেকে ১২,০০০ টাকার মত লাগবে।

এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার এক্সপ্রেস অথবা দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ট্রেনে করে আপনি কক্সবাজার যেতে পারবেন। পাশাপাশি নিজের সাধ্য ও পছন্দমত একটা ঠিকানা পেতে আপনাকে তো একটু খোঁজাখুঁজি করতে হতেই পারে। বাস ভেদে ভাড়া জনপ্রতি ৯০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত।

কোথায় কি খাবেনআনায়াসেই ৫-৬ ঘন্টায় ইনানী বীচ থেকে ঘুরে আসা যায় তাই চাইলে হালকা শুকনো খাবার সাথে রাখতে পারেন কিংবা পুনরায় কক্সবাজার ফিরে খেতে পারেন। আর যদি বাজেট নিয়ে কোন টেনশন না থাকে যদিও কক্সবাজার যাবার জন্য আকাশ পথ বেছে নিতে পারেন। রিক্সাওয়ালা ও ইজিবাইক চলকরা দালাল হোটেল রুম ঠিক করে দেবার জন্যে বলতে পারে, তাদের পরিহার করুন।

আরও পড়ুনচট্টগ্রামের কাছে ৬টি সমুদ্র সৈকত ভ্রমণপাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতসৈকত এক্সপ্রেস ট্রেন – সময়সূচী, টিকেট মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য

কীভাবে যাবেন?

প্রথমে ঢাকা থেকে আপনাকে কক্সবাজার আসতে হবে।

রিজার্ভ গেলে বেশি টাকা লাগে আলোচনা সাপেক্ষ্যে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় যাওয়া যায়।

অটোরিকশায়/ইজিবাইক করে ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া ও আসা সহ সিজন ভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা।

আর যদি বাজেট নিয়ে কোন টেনশন না থাকে যদিও কক্সবাজার যাবার জন্য আকাশ পথ বেছে নিতে পারেন।

এদের মধ্যে সৗদিয়া, এস আলম এর মার্সিডিজ বেঞ্জ, গ্রিন লাইন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, এস.আলম পরিবহন, সেন্টমার্টিন হুন্দাই ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার এক্সপ্রেস অথবা দর্শনার্থী এক্সপ্রেস ট্রেনে করে আপনি কক্সবাজার যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন?

ইনানী বিচের আশেপাশে কিছু হোটল ও রিসোর্ট আছে। তার মধ্যে রয়েল ফাইভ স্টার টিউলিপ সী পার্ল রিসোর্ট, ইনানী রয়াল রিসোর্ট, লা বেল্যা রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। অফসিজনে হোটেলের ভাড়া প্রায়ই অর্ধেকেরও কম থাকে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। প্রায়ই দামানুসারে কক্সবাজার হোটেল/মোটেল/রিসোর্ট গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করার সুযোগ রয়েছে। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শে নেয়া উচিত নয়। এসি/নন এসির ২/৩/৪ বেড রুম ও রান্নাঘর বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের প্রত্যেক দিন ভাড়া হতে পারে ২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা। ৬০০০ থেকে ১০.০০০ টাকা: মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি। বিচ ও মেইন রোড থেকে হোটেল যত দূরে হবে থাকার ভাড়া প্রায়ই কম হয়ে থাকে। আপনি যদি আপনার পরিবার নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে চান যদিও ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে পারেন। কম দামে কোন হোটেল বা রিসর্টে থাকতে চাইলে আপনি কলাতলি বিচ থেকে একটু দূরে লং বিচ হোটেলের সামনে উল্টোপাশের গলির ভিতরের হোটেল গুলোতে খুঁজ নিতে পারেন। যদিও কক্সবাজার থেকে কাছে হওয়ায় এবং বহু হোটেল থাকায় কক্সবাজারে থাকাই সবচেয়ে সুবিধাজনক। আরও পড়ুন: কক্সবাজারের সকল হোটেল ও রিসোর্ট যদিও উপরে উল্লেখিত মূল্যের চেয়েও কমে হোটেল পাওয়ার সুযোগ আছে, সেক্ষেত্রে একটু আগে থেকেই খোঁজ খবর নিতে হয়। ৮০০ থেকে ৩,০০০ টাকা: উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, সেন্টমার্টিন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট ইত্যাদি। ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা: সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট ইত্যাদি। পাশাপাশি নিজের সাধ্য ও পছন্দমত একটা ঠিকানা পেতে আপনাকে তো একটু খোঁজাখুঁজি করতে হতেই পারে।

কোথায় খাবেন?

আনায়াসেই ৫-৬ ঘন্টায় ইনানী বীচ থেকে ঘুরে আসা যায় তাই চাইলে হালকা শুকনো খাবার সাথে রাখতে পারেন কিংবা পুনরায় কক্সবাজার ফিরে খেতে পারেন। কক্সবাজারে খাবার জন্য নানা মানের রেস্তোরাঁ রয়েছে। মধ্যম মানের রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত।

ট্রাভেল টিপস

⭐ দরকারী টিপ

অফসিজন গেলে বা ছুটির দিন গুলো পরিহার করে ভ্রমণে গেলে খরচ কম হবে। বিচে নামার সময় সতর্ক থাকুন, জোয়ার ভাটার সময় দেখে নিন। যাতায়াত বা খাওয়া দাওয়ার জন্যে সবকিছুতেই ভালো করে দরদাম করে নিবেন। হাতে সময় নিয়ে বের হন, মেরিন ড্রাইভ ও হিমছড়িতে চাইলে কিছু সময় ব্যয় করতে পারেন। কম দামে হোটেলে থাকার জন্যে বিচ থেকে দূরে লাবনী পয়েন্টের হোটেল গুলোতে থাকতে পারেন। চেষ্টা করুন বিকেলের সময়টা ইনানী বিচে কাটানোর। রিক্সাওয়ালা ও ইজিবাইক চলকরা দালাল হোটেল রুম ঠিক করে দেবার জন্যে বলতে পারে, তাদের পরিহার করুন। সিজনে (ডিসেম্বর-মার্চ) সরকারি ছুটির দিন ব্যাতিত দিন গুলোতে গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন হবে না। আরও পড়ুনচট্

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

ইনানী সমুদ্র সৈকত কীভাবে যাবেন?

প্রথমে ঢাকা থেকে আপনাকে কক্সবাজার আসতে হবে। রিজার্ভ গেলে বেশি টাকা লাগে আলোচনা সাপেক্ষ্যে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকায় যাওয়া যায়। অটোরিকশায়/ইজিবাইক করে ইনানী সমুদ্র সৈকত যাওয়া ও আসা সহ সিজন ভেদে ভাড়া লাগবে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। আর যদি বাজেট নিয়ে কোন টেনশন না থাকে যদিও কক্সবাজার যাবার জন্য আকাশ পথ বেছে নিতে পার

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ইনানী বিচের আশেপাশে কিছু হোটল ও রিসোর্ট আছে। তার মধ্যে রয়েল ফাইভ স্টার টিউলিপ সী পার্ল রিসোর্ট, ইনানী রয়াল রিসোর্ট, লা বেল্যা রিসোর্ট উল্লেখযোগ্য। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। অফসিজনে হোটেলের ভাড়া প্রায়ই অর্ধেকেরও কম থাকে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একট

ইনানী সমুদ্র সৈকত সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

কক্সবাজার থেকে ২৯ কিলোমিটার আর হিমছড়ি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ইনানী সমুদ্র সৈকত (Inani Sea Beach)। এছাড়া টেকনাফ গামী মেরিন ড্রাইভ রোড দিয়ে ইনানী বীচে যাবার সময় হিমছড়ির পাহাড়, সমুদ্র তীরের সাম্পান, নারিকেল ও ঝাউবন গাছের সারি আর চারপাশের প্রকৃতির দৃশ্য দেখে আপনার ভ্রমণের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে মন প্রফু

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.