মহেশখালী (Moheshkhali) উপজেলা কক্সবাজার জেলার একটা দ্বীপ। যদিও ভালো করে দরদাম করে নিবেন, না হয় ভোগান্তিতে পরতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

মহেশখালী সম্পর্কে
তাছাড়া ক্যাম্পিং প্রেমীদের জন্য সোনাদিয়া দ্বীপ এখনো বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ পছন্দের জায়গা। চলতি পথেই চোখে পড়বে দিগন্তজোড়া পানের বরজ আর লবণের মাঠ। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে।
সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে। জনশ্রুতি আছে, ১৫৫৯ সালের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই দ্বীপের সৃষ্টি হয়।
মহেশখালী ভ্রমণ টিপসস্পিডবোটে গেলে সময় কম লাগবে। আর তাই সাময়িক ক্ষুদা নিবারণের জন্য দ্বীপেই হালকা খাবার খেয়ে নিতে পারেন। চকরিয়া লোকাল বা রিজার্ভ সিএনজি পাবেন।
কক্সবাজার থেকে কেবল ৪-৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় করলেই মহেশখালী দ্বীপের প্রধান দর্শনীয় জায়গাগুলো ঘুরে আসা সম্ভব। আর কেওএফসি তো আছেই। মহেশখালী যাওয়ার উপায়মহেশখালী দ্বীপে কক্সবাজার এসে নদী পথে যাওয়া যায় আবার কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে সড়কপথেও যাওয়া যায়।
মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া, মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা নামে তিনটি ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে। এটি এখন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ‘এনার্জি হাব’ বা জ্বালানি কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। কক্সবাজার যাওয়ার উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমাদের কক্সবাজার যাওয়ার উপায়, ভাড়া ও অন্যান্য তথ্য ব্লগ।
কোথায় থাকবেন
মহেশখালীতে থাকার তেমন ব্যবস্থা নেই তাই রাত্রি যাপনের জন্য ফিরে আসুন কক্সবাজার। পুরো বাংলাদেশে এই উপজেলার বিশেষ সুনাম রয়েছে। কক্সবাজার থেকে মহেশখালীকক্সজবাজার শহরের যেকোন জায়গা থেকে মহেশখালী যাবার জেটিতে (৬ নং ঘাট) চলে আসুন।
অবশ্যই ভালো করে দরদাম করে নিবেন, এবং কোথায় কোথায় যেতে চান তা আগেই উল্লেখ করে নিবেন। ম্যানগ্রোভ বনের উপর দিয়ে নির্মিত এই ব্রিজটি দর্শনার্থীদের কাছে এখনো অত্যন্ত পরিচিত। মহেশখালী সুপরিচিত এর মিষ্টি পান, মাছ, শুঁটকি, চিংড়ি, লবণ এবং মুক্তার উৎপাদনের কারণে।
কক্সবাজারের সকল হোটেল রিসোর্ট সম্পর্কে জানতে আমাদের কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট গাইডলাইন পড়ুন। আর অন্য পথে যেতে আপনাকে চট্টগ্রাম থেকে সড়ক পথে চকরিয়া এসে বদরখালি হয়ে মহেশখালি আসতে হবে। যদিও প্রায়ই সবাই কক্সবাজার সৈকতে বেড়াতে এসে তারপর ট্যুর প্ল্যান অনুযায়ী মহেশখালী ঘুরে বেড়াতে যান।
মহেশখালি এসে সবকিছু ঘুরে দেখতে এক বা দুজন হলে একটা রিক্সা (ভাড়া ২০০-২৫০ টাকা) অথবা ৫-৭ জন হলে অটো/ইজিবাইক ভাড়া (৩০০-৪০০ টাকা) করে নিবেন। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শে নেয়া উচিত নয়।
৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকাঃ সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট ইত্যাদি। কক্সবাজার শহর থেকে এটি কেবল ১২ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। তারপর লোকাল ট্রলার বা স্পীড বোটে ৭০-৯০ টাকা ভাড়ায় মহেশখালি ঘাটে আসবেন।
যদিও উপরে উল্লেখিত মূল্যের চেয়েও কমে হোটেল পাওয়ার সুযোগ আছে, সেক্ষেত্রে একটু আগে থেকেই খোঁজ খবর নিতে হয়। ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকাঃ মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি। স্পিডবোটে একটু রোলিং হতে পারে, ভয় পাবার কারণ নেই।
দ্বীপের প্রকৃতির আকর্ষণের মধ্যে অন্যতম হলো শুটিং ব্রিজ। মহেশখালি ঘাটে পৌছে ব্রীজে নেমে একটু হেটে সামনে চলে যান। লোকাল স্পিড বোট একটু পর পরেই ছেড়ে যায়, কম সংখ্যক মানুষ হলে লোকাল স্পিডবোটেই যেতে পারবেন।
অফসিজনে হোটেলের ভাড়া প্রায়ই অর্ধেকেরও কম থাকে। স্পিড বোটে উঠার আগে লাইফ জ্যাকেট পরে নিন। এছাড়া দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে সরাসরি কক্সবাজার না আসতে পারলে, প্রথমে চট্টগ্রাম এসে বাসে বা ট্রেনে কক্সবাজার আসতে পারবেন।
কিংবা ফিরে এসে খেতে পারেন কক্সবাজারে। তাছাড়া মহেশখালীতে রয়েছে রাখাইন পাড়া, স্বর্ণ মন্দির ও মাতারবাড়ী সমুদ্র সৈকত। মহেশখালীর দর্শনীয় জায়গামহেশখালী বাংলাদেশের এককেবল পাহাড়িয়া দ্বীপ।
ঢাকা থেকে বাসে, ট্রেনে অথবা বিমানে কক্সবাজার আসা যায়। কক্সবাজারে সব ধরণ ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। কোথায় কোথায় যাবেন তা আগেই বলে দিবেন।
এ পথে মহেশখালি আসতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৮৮ ফুট উঁচুতে রয়েছে এই মন্দিরের কারুকার্য দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। এসি/নন এসির ২/৩/৪ বেড রুম ও রান্নাঘর বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের প্রত্যেক দিন ভাড়া হতে পারে ২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা।
তারপর রিক্সা অটো ঠিক করুন। ভাত: ২০-৪০ টাকা, মিক্সড ভর্তা: ৭৫/১৫০/৩০০টাকা (৮-১০ আইটেম), লইট্টা ফ্রাই: ১০০-১২০টাকা (প্রতি প্লেট ৬-১০ টুকরা), কোরাল/ভেটকি: ১৫০ টাকা (প্রতি পিচ), গরু: ১৫০-২০০ টাকা (২ জন শেয়ার করার সুযোগ পাবেন), রপচাঁদা ফ্রাই/রান্না: ৩০০-৪০০ টাকা (বড়, ২জন খাওয়ার মত), ডাল: ৩০-৬০ টাকা। ঢাকা বা দেশের যে কোন জেলা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার উপায় রয়েছে।
কলাতলী বা ডলফিন মোড় থেকে লোকাল অটোতে ২০টাকা ভাড়া, রিজার্ভ নিলে ১৫০-২০০ টাকা ভাড়ায় ঘাটে আসতে পারবেন। চাইলে ঝাউবাগান ও চরপাড়া বীচ থেকেও পরিদর্শন করতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
অল্প দূরত্ব হওয়ায় মহেশখালী থেকে সহজেই ফিরে আসা যায়। এ দ্বীপের মৈনাক পর্বতের উপরে রয়েছে ইতিহাস-সমৃদ্ধ আদিনাথ মন্দির। বৌদ্ধ সেন মহেশ্বর থেকেই প্রায় ২০০ বছর আগে এই জায়গার নামকরণ হয় মহেশখালী।
আপনি কোন পথে যাবেন সেই পরিকল্পনা আগেই করতে হবে। পাশাপাশি নিজের সাধ্য ও পছন্দমত একটা ঠিকানা পেতে আপনাকে তো একটু খোঁজাখুঁজি করতে হতেই পারে। ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকাঃ কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট ইত্যাদি।
বিশাল এই কর্মযজ্ঞ ও সমুদ্রের বুক চিরে জেগে ওঠা আধুনিক অবকাঠামো দেখতে প্রত্যেক দিন অসংখ্য ভ্রমণকারী ভিড় করেন। প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে এখানে সপ্তাহব্যাপী আদিনাথ মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যা এখন আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদেরও আকর্ষণ করে। কক্সবাজারে মান অনুযায়ী অসংখ্য হোটেল রিসোর্ট আছে।
মহেশখালীর পানের স্বাদ ও সুনাম দেশজুড়ে, তাই এখানে এলে পান চেখে দেখতে ভুলবেন না। আপনি যদি আপনার পরিবার নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে চান যদিও ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে পারেন। পাশাপাশি লাবনী পয়েন্ট সংলগ্ন হান্ডি রেস্তারা থেকে ২০০-২৫০ টাকায় হায়দ্রাবাদী বিরাণী চেখে দেখতে পারেন।
মহেশখালীর সর্বাধিক বড় আকর্ষণ হলো মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও মাতারবাড়ী আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র। চাইলে স্পিডবোট রিজার্ভ নিতে পারবেন। কত সময় ব্যায় করবেন তাও জানিয়ে নিবেনমহেশখালী থেকে উন্নত মানের শুটকি মাছ কিনতে পারবেন, কক্সবাজার থেকেও মানে ভালো ও দামে কম।
কোথায় থাকবেন?
মহেশখালীতে থাকার তেমন ব্যবস্থা নেই তাই রাত্রি যাপনের জন্য ফিরে আসুন কক্সবাজার। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকাঃ মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে, হেরিটেজ ইত্যাদি। কক্সবাজারের সকল হোটেল রিসোর্ট সম্পর্কে জানতে আমাদের কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট গাইডলাইন পড়ুন। এসি/নন এসির ২/৩/৪ বেড রুম ও রান্নাঘর বিশিষ্ট ফ্ল্যাটের প্রত্যেক দিন ভাড়া হতে পারে ২,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শে নেয়া উচিত নয়। আপনি যদি আপনার পরিবার নিয়ে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে চান যদিও ফ্ল্যাট ভাড়া নিতে পারেন। যদিও উপরে উল্লেখিত মূল্যের চেয়েও কমে হোটেল পাওয়ার সুযোগ আছে, সেক্ষেত্রে একটু আগে থেকেই খোঁজ খবর নিতে হয়। ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকাঃ কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট, নীলিমা রিসোর্ট ইত্যাদি। ৩,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকাঃ সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন, ইউনি রিসোর্ট ইত্যাদি। অফসিজনে হোটেলের ভাড়া প্রায়ই অর্ধেকেরও কম থাকে। কক্সবাজারে মান অনুযায়ী অসংখ্য হোটেল রিসোর্ট আছে। পাশাপাশি নিজের সাধ্য ও পছন্দমত একটা ঠিকানা পেতে আপনাকে তো একটু খোঁজাখুঁজি করতে হতেই পারে।
কোথায় খাবেন?
অল্প দূরত্ব হওয়ায় মহেশখালী থেকে সহজেই ফিরে আসা যায়। পাশাপাশি লাবনী পয়েন্ট সংলগ্ন হান্ডি রেস্তারা থেকে ২০০-২৫০ টাকায় হায়দ্রাবাদী বিরাণী চেখে দেখতে পারেন। ভাত: ২০-৪০ টাকা, মিক্সড ভর্তা: ৭৫/১৫০/৩০০টাকা (৮-১০ আইটেম), লইট্টা ফ্রাই: ১০০-১২০টাকা (প্রতি প্লেট ৬-১০ টুকরা), কোরাল/ভেটকি: ১৫০ টাকা (প্রতি পিচ), গরু: ১৫০-২০০ টাকা (২ জন শেয়ার করার সুযোগ পাবেন), রপচাঁদা ফ্রাই/রান্না: ৩০০-৪০০ টাকা (বড়, ২জন খাওয়ার মত), ডাল: ৩০-৬০ টাকা। মধ্যম মানের বাজেট রেস্তোরাঁের মধ্যে রোদেলা, ঝাউবন, ধানসিঁড়ি, পৌষি, নিরিবিলি ইত্যাদি উল্লেখ করার মত। আর তাই সাময়িক ক্ষুদা নিবারণের জন্য দ্বীপেই হালকা খাবার খেয়ে নিতে পারেন। কিংবা ফিরে এসে খেতে পারেন কক্সবাজারে। কক্সবাজারে সব ধরণ ও মানের রেস্তোরাঁ আছে। সিজন অনুসারে অন্য বহু কিছুর মত এখানে খাবারের দামও কম/বেশী হতে পারে। আর কেওএফসি তো আছেই।
ট্রাভেল টিপস
স্পিডবোটে গেলে সময় কম লাগবে। মহেশখালি ঘাটে পৌছে ব্রীজে নেমে একটু হেটে সামনে চলে যান। লোকাল স্পিড বোট একটু পর পরেই ছেড়ে যায়, কম সংখ্যক মানুষ হলে লোকাল স্পিডবোটেই যেতে পারবেন। স্পিড বোটে উঠার আগে লাইফ জ্যাকেট পরে নিন। অবশ্যই ভালো করে দরদাম করে নিবেন, এবং কোথায় কোথায় যেতে চান তা আগেই উল্লেখ করে নিবেন। স্পিডবোটে একটু রোলিং হতে পারে, ভয় পাবার কারণ নেই। তারপর রিক্সা অটো ঠিক করুন। কত সময় ব্যায় করবেন তাও জানিয়ে নিবেন মহেশখালী থেকে উন্নত মানের শুটকি মাছ কিনতে পারবেন, কক্সবাজার থেকেও মানে ভালো ও দামে কম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
মহেশখালীতে থাকার তেমন ব্যবস্থা নেই তাই রাত্রি যাপনের জন্য ফিরে আসুন কক্সবাজার। প্রয়োজনে হোটেলের ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যেতে পারে। সময় থাকলে কক্সবাজার নেমেই একটু দরদাম করে হোটেল খুঁজে নিলেই ভালো। ৬,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকাঃ মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ
মহেশখালী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
মহেশখালী (Moheshkhali) উপজেলা কক্সবাজার জেলার একটা দ্বীপ। যদিও ভালো করে দরদাম করে নিবেন, না হয় ভোগান্তিতে পরতে পারেন। তাছাড়া ক্যাম্পিং প্রেমীদের জন্য সোনাদিয়া দ্বীপ এখনো বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ পছন্দের জায়গা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

