চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ দিকে বহদ্দারহাট থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কালুরঘাট ব্রিজ(Kalurghat Bridge) একটা ঐতিহ্যবাহী জায়গা। কীভাবে যাবেনচট্টগ্রাম শহরের নানা জায়গা থেকে বাস, সিএনজি বা অটোরিক্সা ভাড়া করে কালুরঘাট পৌঁছানো যায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কালুরঘাট ব্রিজ সম্পর্কে
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৪ সালে) সৈন্য পরিচালনার জন্য কর্ণফুলী নদীতে ব্রীজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। দেশ বিভাগের পর ১৯৫৮ সালে ব্রীজটিকে সবরকম যানবাহন চলাচলের উপযোগী করে বর্তমান রূপ দেওয়া হয়। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য রেস্তোরাঁ আছে।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন, হানিফ, শ্যামলী, সোহাগ, এস আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি পরিবহনের এসি-নন/এসি বাসে চট্টগ্রাম যেতে পারবেন। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ শেখ মুজিবর রহমানের পক্ষ থেকে মেজর জিয়াউর রহমান এই কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বহদ্দারহাটের কাছে স্থাপিত বেতার কেন্দ্রটি ইতিহাস-সমৃদ্ধ কালুরঘাট সেতুর কারণে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে এবং বেতার কেন্দ্রটিকে কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র নামকরণ করা হয়।
কোথায় থাকবেনচট্টগ্রামে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক, হোটেল মিসকা, প্যারামউন্ট, হোটেল অবকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। কালুরঘাট সেতুতে দুইটি এব্যাটমেট, ছয়টি ব্রিক পিলার, বারটি স্টীল পিলার ও উনিশটি স্প্যান রয়েছে। আর মেজবানির জন্য চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোঁরা অতুলনীয়।
কোথায় খাবেনচট্টগ্রামের ঐতিহবাহী খাবারের জন্য হোটেল জামান বেশ প্রসিদ্ধ। ১৯৩০ সালে শুধুকেবল ট্রেন চলাচলের জন্য ৭০০ গজ লম্বা কালুরঘাট সেতু উদ্বোধন করা হলেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ব্রীজে ডেক বসানো হয়। এখন কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি বাংলাদেশ বেতারের একটা সম্প্রচার কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে চট্টগ্রাম পৌঁছানো যায়। ব্রীজ নির্মাণের অংশ হিসাবে ১৯৩০ সালে ব্রুনিক এন্ড কোম্পানী ব্রীজ বিল্ডার্স হাওড়া নামক একটা প্রতিষ্ঠান ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করে। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি অন্যতম।
কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের নানা জায়গা থেকে বাস, সিএনজি বা অটোরিক্সা ভাড়া করে কালুরঘাট পৌঁছানো যায়।
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন, হানিফ, শ্যামলী, সোহাগ, এস আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি পরিবহনের এসি-নন/এসি বাসে চট্টগ্রাম যেতে পারবেন।
তাছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন হতে দর্শনার্থী এক্সপ্রেস, কক্সবাজার এক্সপ্রেস, সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, তূর্ণা-নিশীথা, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে চট্টগ্রাম পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রামে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক, হোটেল মিসকা, প্যারামউন্ট, হোটেল অবকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কোথায় খাবেন?
চট্টগ্রামের ঐতিহবাহী খাবারের জন্য হোটেল জামান বেশ প্রসিদ্ধ। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরে নানা মানের অসংখ্য রেস্তোরাঁ আছে। আর মেজবানির জন্য চকবাজারে রয়েছে “মেজবান হাইলে আইয়্যুন” রেস্তোঁরা অতুলনীয়। এদের মধ্যে বারকোড ক্যাফে, গ্রিডি গাটস, ক্যাফে ৮৮, সেভেন ডেইজ, ধাবা, গলফ গার্ডেন রেস্তোরাঁ, কোষ্টাল মারমেইড রেস্তোরাঁ এন্ড লাউঞ্জ, বোনানজা পোর্ট রেস্তোরাঁ ইত্যাদি অন্যতম।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কালুরঘাট ব্রিজ কীভাবে যাবেন?
চট্টগ্রাম শহরের নানা জায়গা থেকে বাস, সিএনজি বা অটোরিক্সা ভাড়া করে কালুরঘাট পৌঁছানো যায়। ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম: ঢাকার সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সৌদিয়া, ইউনিক, টিআর ট্রাভেলস, গ্রিনলাইন, হানিফ, শ্যামলী, সোহাগ, এস আলম, মডার্ন লাইন ইত্যাদি পরিবহনের এসি-নন/এসি বাসে চট্টগ্রাম যেতে পারবেন। তাছাড়া কমলা
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
চট্টগ্রামে রয়েছে আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল লর্ডস ইন, হোটেল এশিয়ান এসআর, হোটেল ল্যান্ডমার্ক, হোটেল মিসকা, প্যারামউন্ট, হোটেল অবকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কালুরঘাট ব্রিজ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চট্টগ্রাম শহরের দক্ষিণ দিকে বহদ্দারহাট থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে কালুরঘাট ব্রিজ(Kalurghat Bridge) একটা ঐতিহ্যবাহী জায়গা। কীভাবে যাবেনচট্টগ্রাম শহরের নানা জায়গা থেকে বাস, সিএনজি বা অটোরিক্সা ভাড়া করে কালুরঘাট পৌঁছানো যায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯১৪ সালে) সৈন্য পরিচালনার জন্য কর্ণফুলী
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
