চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এক পৌরাণিক এলাকাের নাম। প্রাচীনকালে হিন্দুরা উষ্ণ প্রস্রবণ বা হট স্প্রিং-কে খুবই পবিত্র মনে করতেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম বিভাগ

কুমারীকুন্ড সম্পর্কে
পাহাড়ের রহস্যময় আবহে পূর্ণ তেমনি এক ছড়ায় প্রাচীন এক মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার সুযোগ আছে, যা কুমারীকুন্ড (Kumarikundo) নামে পরিচিত। আর ট্রেনে চড়ে ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড যেতে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ট্রেনে এসে ফেনী স্টেশনে নেমে রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে লোকাল বাসে সীতাকুন্ড আসতে পারবেন। আরও ভালমানের আবাসিক হোটেলে থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়, স্টেশন রোড, নিউমার্কেট এবং জিইসি মোড়ে রয়েছে হোটেলগুলোতে খোঁজ নিতে পারেন।
সীতাকুন্ডের কুমিরা পৌঁছে জায়গাীয়বাসীন্দাদের সাহায্য নিয়ে কুমারীকুন্ড দেখতে যেতে পারবেন। যদিও ভাল খাবার আবহনায় এখানে আল আমিনের বেশ সুনাম রয়েছে। কোথায় থাকবেনসীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে।
অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। কালের আবহে মূল তীর্থ জায়গা প্রায় ১০ কিলোমিটার সরে গেছে। সময়ের গহীনে লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে যাওয়া কুমারীকুন্ড এখন অ্যাডভ্যাঞ্চার প্রিয় দর্শনার্থীদের নিকট এক দর্শনীয় জায়গা।
সীতাকুন্ডে রয়েছে লবণাক্ষকুন্ড ও অগ্নিকুন্ডের মত বুদবুদ আকারে নির্গত গ্যাসে জালানো অগ্নিকুন্ডকে ঘিরে নির্মিত মন্দিরের সাথে কুমারীকুন্ডের মিল রয়েছে।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাস স্ট্যান্ড থেকে চট্রগ্রাম গামী এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল, এনা প্রভৃতি পরিবহনের বাসে সীতাকুন্ড যেতে পারবেন। তাছাড়া সীতাকুণ্ডে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো রয়েছে। আর অদ্ভুদ আকারের সব পাথর মন্দিরের চারপাশের দেয়ালের জায়গা দখল করে নিয়েছে।
আর মাটি চাপা পড়ে গেছে পুরনো ইটের তৈরী নানা কাঠামো। পরিষ্কার নীল পানির নীচ থেকে অনবরত নির্গত হচ্ছে গ্যাসের বুদবুদ। কুমারীকুন্ডকে পাথর দিয়ে বাঁধানো ৮-১০ ফুট গভীর স্বচ্ছ নীল পানির কূপ বা চৌবাচ্চা বলা যায়।
কোথায় খাবেনসীতাকুণ্ডে সাধারণ মানের হোটেলের মধ্যে সৌদিয়া রেস্তোরাঁ, আপন রেস্তোরাঁ এবং আল আমিন উল্লেখ্যযোগ্য। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে লুকিয়ে রয়েছে প্রকৃতির অন্যোন্য বিস্ময় ছোট বড় অসংখ্য ছড়া ও ঝর্ণা। সীতাকুন্ডের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাসীতাকুণ্ডে পরিচিত ভ্রমণ জায়গাের মধ্যে আছে সীতাকুণ্ড ইকো পার্ক, গুলিয়াখালি বীচ, বাঁশবাড়িয়া বীচ, চন্দ্রনাথ পাহাড়, নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা, কমলদহ ঝর্ণা প্রভৃতি।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাস স্ট্যান্ড থেকে চট্রগ্রাম গামী এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল, এনা প্রভৃতি পরিবহনের বাসে সীতাকুন্ড যেতে পারবেন।
আর ট্রেনে চড়ে ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড যেতে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ট্রেনে এসে ফেনী স্টেশনে নেমে রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড এসে সেখান থেকে লোকাল বাসে সীতাকুন্ড আসতে পারবেন।
সীতাকুন্ডের কুমিরা পৌঁছে জায়গাীয়বাসীন্দাদের সাহায্য নিয়ে কুমারীকুন্ড দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সীতাকুণ্ডে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো রয়েছে। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। আরও ভালমানের আবাসিক হোটেলে থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়, স্টেশন রোড, নিউমার্কেট এবং জিইসি মোড়ে রয়েছে হোটেলগুলোতে খোঁজ নিতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
সীতাকুণ্ডে সাধারণ মানের হোটেলের মধ্যে সৌদিয়া রেস্তোরাঁ, আপন রেস্তোরাঁ এবং আল আমিন উল্লেখ্যযোগ্য। যদিও ভাল খাবার আবহনায় এখানে আল আমিনের বেশ সুনাম রয়েছে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুমারীকুন্ড কীভাবে যাবেন?
ঢাকার সায়েদাবাদ, ফকিরাপুল ও মহাখালি বাস স্ট্যান্ড থেকে চট্রগ্রাম গামী এস আলম, শ্যামলি, সৌদিয়া, ইউনিক, হানিফ, ঈগল, এনা প্রভৃতি পরিবহনের বাসে সীতাকুন্ড যেতে পারবেন। আর ট্রেনে চড়ে ঢাকা থেকে সীতাকুণ্ড যেতে চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর ট্রেনে এসে ফেনী স্টেশনে নেমে রিক্সা/অটো দিয়ে ফেনী মহিপাল বাস স্ট্যান্ড
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
সীতাকুণ্ডে থাকার জন্য হোটেল সৌদিয়া, সাইমুন আবাসিক সহ সীতাকুণ্ড বাজারে কয়েকটি মাঝারি মানের আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সীতাকুণ্ডে টেলি-কমিউনিকেশনের অধীনস্থ একটা ডাকবাংলো রয়েছে। অনুমতি নিয়ে সেখানে থাকার চেষ্টা করতে পারেন। আরও ভালমানের আবাসিক হোটেলে থাকতে চাইলে চট্টগ্রাম অলংকার মোড়, স্টেশন রোড, নিউম
কুমারীকুন্ড সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড সবুজ পাহাড়ে ঘেরা এক পৌরাণিক এলাকাের নাম। প্রাচীনকালে হিন্দুরা উষ্ণ প্রস্রবণ বা হট স্প্রিং-কে খুবই পবিত্র মনে করতেন। পাহাড়ের রহস্যময় আবহে পূর্ণ তেমনি এক ছড়ায় প্রাচীন এক মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার সুযোগ আছে, যা কুমারীকুন্ড (Kumarikundo) নামে পরিচিত।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
