টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor) সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। খাবারের অতিরিক্ত অংশ/উচ্ছিষ্ট, প্যাকেট ইত্যাদি হাওরের পানিতে ফেলা থেকে বিরত থাকুন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

টাঙ্গুয়ার হাওর-এ কী দেখবেন?
টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণ শুধুকেবল হাওর দেখা নয় সাথে আরও কিছু স্পট প্রায়ই সবাই ঘুরে দেখে থাকে। টাঙ্গুয়া ভ্রমণ প্যাকেজের সাথে ছোট-ছোট সোয়াম্প ফরেস্ট, ওয়াচ টাওয়ার, শহীদ সিরাজ লেক (নিলাদ্রি লেক), শিমুল বাগান, বারিক টিলা, যাদুকাটা নদী, লাউড়ের গড় সহ আরও বেশ কিছু স্পট ঘুরে দেখা যায়।
কীভাবে যাবেন?
বর্ষাকাল টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
শরতের নীল আকাশ, স্বচ্ছ পানি আর দূরের পাহাড়, সব মিলিয়ে বহুের কাছে শরত কালের সময়টা প্রিয়।
শীতের সময়টায় প্রায়ই এর পানি বহু কম থাকে।
প্রায়ই জুন থেকে অক্টোবর মাস হাওর ভ্রমণের জন্যে সবচেয়ে ভালো সময়।
যদিও তখনকার ভিন্ন আবহের হাওর এবং সেই সাথে অতিথী পাখি দেখতে চাইলে শীতকালেই রওনা দিতে হবে আপনাকে।
কোথায় থাকবেন?
দর্শনার্থীরা প্রায়ই হাউজবোটেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন। এছাড়া আপনি চাইলে টেকেরঘাট বাজারে রাতে থাকতে পারবেন। চাইলে সুনামগঞ্জ এসে সেখানের কোন হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। যদিও টাঙ্গুয়ার হাওর বেড়াতে গেলে অবশ্যই আপনার উচিত হাওরের নৌকায় অন্তত এক রাত থাকার। এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই আপনার ভাল লাগবে।
ট্রাভেল টিপস
হাওর ভ্রমণকালে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট সঙ্গে নিন। কম খরচে বেড়াতে চাইলে ছুটির দিন গুলো পরিহার করুন। ৪-৫ জন বা ৮-১০ জনের গ্রুপ হলে ভালো। উচ্চ শব্দ সৃষ্টিকারী মাইক বা যন্ত্র পরিহার করুন। রাতের বেলা অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো উৎপন্ন করবেন না। খাবারের অতিরিক্ত অংশ/উচ্ছিষ্ট, প্যাকেট ইত্যাদি হাওরের পানিতে ফেলা থেকে বিরত থাকুন। টাংগুয়ার মাছ, বন্যপ্রাণী কিংবা পাখি ধরা বা এদের জীবন হুমকির মধ্যে পড়ে এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন। যে কোন কিছুর জন্যে দামাদামি করে নিবেন। হাওরে বজ্রপাত হলে নৌকার ভিতরে অবজায়গা করুন। একসাথে গ্রুপ করে গেলে খরচ কম হবে। টাংগুয়ার জলাবনের কোন রুপ ক্ষতিসাধন না করার ব্যপারে সতর্ক থাকুন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
টাঙ্গুয়ার হাওর কীভাবে যাবেন?
বর্ষাকাল টাঙ্গুয়ার হাওর ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। শরতের নীল আকাশ, স্বচ্ছ পানি আর দূরের পাহাড়, সব মিলিয়ে বহুের কাছে শরত কালের সময়টা প্রিয়। শীতের সময়টায় প্রায়ই এর পানি বহু কম থাকে। প্রায়ই জুন থেকে অক্টোবর মাস হাওর ভ্রমণের জন্যে সবচেয়ে ভালো সময়। যদিও তখনকার ভিন্ন আবহের হাওর এবং সেই সাথে অতিথী পাখি
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
দর্শনার্থীরা প্রায়ই হাউজবোটেই রাতে থাকার ব্যবস্থা করে থাকেন। এছাড়া আপনি চাইলে টেকেরঘাট বাজারে রাতে থাকতে পারবেন। চাইলে সুনামগঞ্জ এসে সেখানের কোন হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন। যদিও টাঙ্গুয়ার হাওর বেড়াতে গেলে অবশ্যই আপনার উচিত হাওরের নৌকায় অন্তত এক রাত থাকার। এই অভিজ্ঞতা অবশ্যই আপনার ভ
টাঙ্গুয়ার হাওর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor) সুনামগঞ্জ জেলার প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। খাবারের অতিরিক্ত অংশ/উচ্ছিষ্ট, প্যাকেট ইত্যাদি হাওরের পানিতে ফেলা থেকে বিরত থাকুন। অথৈ পানি, জলাবন, নীল আকাশ, পাহাড় ও চোখ জুড়ানো সবুজ এই হাওরকে অপরুপ সাজে সাজিয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
