রাতারগুল বাংলাদেশের এককেবল সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)। এটি সিলেট জেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাট উপজেলায় রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট সম্পর্কে
রাতারগুল একটা প্রকৃতির বন, জায়গাীয় বন বিভাগ এখানে হিজল, বরুণ, করচ সহ বেশ কিছু গাছ রোপণ করেন। এসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। একসাথে কয়েকজন হলে সারাদিনের জন্য সিএনজি কিংবা লেগুনা ভাড়া করে নিতে পারেন।
রাতারগুল ঢুকার জন্যে সরকারি ফি দিতে হয় এবং জঙ্গলে ঢুকার জন্য জেলেদের ছোট ছোট নৌকা পাবেন। এছাড়াও এখানে চোখে পড়ে কদম, জালিবেত, অর্জুনসহ প্রায় ২৫ প্রজাতির জলসহিষ্ণু গাছপালা। বহু দর্শনার্থী রাতারগুলকে ‘বাংলাদেশের আমাজন’ হিসাবে অভিহিত করেন।
আপনি চাইলে রাতারগুলের সাথে ভোলাগঞ্জ অথবা বিছনাকান্দি ঘুরে দেখতে পারেন। ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে।
এছাড়া এখানে জোঁকের উপদ্রবও আছে। রাতারগুল ‘সিলেটের চমৎকারবন’ নামে খ্যাত। যদি সাঁতার জানা না থাকে যদিও লাইফ জ্যাকেট সাথে রাখুন।
সিলেট থেকে রাতারগুল যাওয়ার উপায়সিলেট শহর থেকে রাতারগুলের দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। যদিও বর্ষায় পুরো অঞ্চলটিকেই দেখতে একই রকম মনে হয়। এছাড়া শীতকালে রাতারগুলের জলাশয়ে বসে হাজারো অতিথি পাখির মেলা।
কোথায় থাকবেন
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। রাতারগুল বনটি প্রায় ৩০,৩২৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। একটা ছোট নৌকায় ৪-৫ জন বসা যায়।
রাতারগুল জলাবন বছরে চার থেকে পাঁচ মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে। ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেন টিকেট ভাড়া শ্রেণী অনুযায়ী ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা পর্যন্ত। ভালো সার্ভিসের আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল হলি গেইট, হলি ইন, লা ভিস্তা হোটেল, পানসি ইন, হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটানিয়া হোটেল, ইত্যাদি।
চট্টগ্রাম থেকেও ট্রেনে সিলেট যেতে পারবেন, পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে। লাক্সারী হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে নিরভানা ইন, হোটেল নূরজাহান গ্র্যান্ড, রোজ ভিউ হোটেল, নাজিমগর রিসোর্ট, গ্র্যান্ড প্যালেস সহ আরও কিছু হোটেল। রাতারগুল ভ্রমণে সাবধানতাবর্ষায় বন ডুবে যাওয়ার পর সাপ প্রায়ই নানা গাছের ডালে আশ্রয় নেয়, এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
সারাদিনের জন্যে ভাড়া ১৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাগবে। আর নন-এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৬০০টাকা থেকে ৮০০ টাকা। এই বিস্তৃর্ণ অঞ্চলর ৫০৪ একর জায়গায় রয়েছে বন আর বাকি জায়গা ছোট বড় জলাশয়ে পূর্ণ।
বর্ষায় গাছের ডালে দেখা মিলে বিচিত্রন প্রজাতির পাখি, আবার তখন কিছু বন্যপ্রাণীও আশ্রয় নেয় গাছের ডালে। তাই সিলেট থেকে সকালে রাতারগুল গিয়ে বিকেলের মধ্যেই ফিরে আসা যায়। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
প্রয়োজনে ছাতা ও রেইনকোট নিয়ে নিন। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, নভো এয়ার, এয়ার আস্ট্রা এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান ঢাকা-সিলেট আকাশপথে চলাচল করে। প্রায়ই জুলাই থেকে অক্টোবর (বর্ষার শেষের দিকে) পর্যন্ত রাতারগুল ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।
নৌকার ভাড়া ৭৫০ টাকা। যেভাবে রাতারগুল যাবেনঢাকার গাবতলী, ফকিরাপুল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়৷ গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা প্রভৃতি পরিবহনের এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য বাস ভেদে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
তখন জলে ডুবে থাকা বনের গাছগুলো দেখতে পুরো বাংলাদেশের নানা জায়গা থেকে দর্শনার্থীরা এসে ভিড় জমায়। সিএনজি রিজার্ভ করতে অবশ্যই দামাদামি করে নিন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ বন বিভাগ রাতারগুল বনের ৫০৪ একর জায়গাকে বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করে।
সিলেটের আরও দর্শনীয় জায়গারাতারগুল ভ্রমণ ছাড়াও আশেপাশে জনপ্রিয় পর্যটন জায়গা গুলো হলো ভোলাগঞ্জ, বিছনাকান্দি, জাফলং, লালাখাল ও হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী, ফকিরাপুল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়৷ গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা প্রভৃতি পরিবহনের এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য বাস ভেদে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা।
ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেন টিকেট ভাড়া শ্রেণী অনুযায়ী ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা পর্যন্ত।
চট্টগ্রাম থেকেও ট্রেনে সিলেট যেতে পারবেন, পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন আপনার ভ্রমণ সঙ্গী হিসাবে।
ঢাকা থেকে সবচেয়ে দ্রুত সময়ে ও সাচ্ছন্দে যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন।
আর নন-এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য ৬০০টাকা থেকে ৮০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। লাক্সারী হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে নিরভানা ইন, হোটেল নূরজাহান গ্র্যান্ড, রোজ ভিউ হোটেল, নাজিমগর রিসোর্ট, গ্র্যান্ড প্যালেস সহ আরও কিছু হোটেল। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা,কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন। ভালো সার্ভিসের আবাসিক হোটেলের মধ্যে আছে হোটেল হলি গেইট, হলি ইন, লা ভিস্তা হোটেল, পানসি ইন, হোটেল মেট্রো ইন্টারন্যাশনাল, ব্রিটানিয়া হোটেল, ইত্যাদি। এসব হোটেলে থাকতে খরচ হবে ২,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত। প্রতি রাতের জন্যে খরচ হবে ৮,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী, ফকিরাপুল এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী বাসগুলো ছেড়ে যায়৷ গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, এনা প্রভৃতি পরিবহনের এসি বাসের জনপ্রতি টিকেটের মূল্য বাস ভেদে ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকা। ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেন টিকেট ভাড়া শ্রেণী অনুযায়ী ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা পর্যন্ত। চট্টগ্রাম থেকে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
লালা বাজার অঞ্চলয় ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল ও রেস্ট হাউস আছে৷ যেখানে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। লাক্সারী হোটেল ও রিসোর্টের মধ্যে আছে নিরভানা ইন, হোটেল নূরজাহান গ্র্যান্ড, রোজ ভিউ হোটেল, নাজিমগর রিসোর্ট, গ্র্যান্ড প্যালেস সহ আরও কিছু হোটেল। এছাড়া হোটেল হিল টাউন,
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
রাতারগুল বাংলাদেশের এককেবল সোয়াম্প ফরেস্ট (Ratargul Swamp Forest)। এটি সিলেট জেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাট উপজেলায় রয়েছে। রাতারগুল একটা প্রকৃতির বন, জায়গাীয় বন বিভাগ এখানে হিজল, বরুণ, করচ সহ বেশ কিছু গাছ রোপণ করেন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


