সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণার জায়গাীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা। তাছাড়া জাফলংয়ের কাছে চমৎকার ল্যান্ডস্কেপ ভিউ সহ জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে যোগাযোগ করতে পারেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সম্পর্কে
আর জফলং যদি থাকতেই হয় তাহলে মামার বাজার অঞ্চলয় জাফলং ইন হোটেল ও হোটেল প্যারিস সহ আরো কিছু রেস্ট হাউজ আছে। ঢাকা থেকে সিলেটঢাকার ফকিরাপুল, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটগামী গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি, ইউনিক, হানিফ ও এনা পরিবহনের এসি/নন-এসি বাস চলাচল করে। দরগা গেট হতে আম্বরখানা, তালতলা, লামাবাজার, কদমতলী পর্যন্ত নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।
সিলেট থেকে অন্যান্য ভ্রমণজায়গাে যাওয়া সুবিধাজনক। সরকারী রেস্ট হাউজে থাকতে পূর্ব অনুমতির প্রয়োজন হয়। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বিচিত্র উপায়ে সিলেট যাওয়া যায়।
সিলেট শহরে খেতে চাইলে জিন্দাবাজার অঞ্চলয় রয়েছে পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের সুলভ মূল্যে পছন্দমত খাবার খেতে পারবেন। সিএনজি বা অটোরিকশায় ১২০০ থেকে ২০০০ টাকায় জাফলং যেতে পারবেন। বর্ষায় ঝর্ণার কাছে যেতে জনপ্রতি নৌকা ভাড়া লাগবে ৩০-৫০ টাকা।
কোথায় থাকবেন
রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে থাকা ভাল হবে। ক্লাস অনুযায়ী জনপ্রতি বিমানের টিকেট মূল্য ৩,৫০০-১০,০০০ টাকা। আর ঢাকা থেকে বাস, ট্রেন কিংবা আকাশপথে সিলেট পৌঁছাতে পারবেন।
সকাল, দুপুর ও রাত সব সময় সিলেট যাওয়া বাস পাওয়া যায়। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে ঝর্ণার বেশ কাছে পৌঁছানো যায়। চট্টগ্রাম থেকেও ট্রেনে সিলেট যেতে পারবেন, পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
এসি ও নন এসি এসব বাসের ভাড়া ৯০০-১৬০০ টাকা। আর নন-এসি বাসের ভাড়া ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা। বেশিরভাগ হোটেলগুলো শাহ জালাল মাজারের আশেপাশকে ঘিরে রয়েছে।
পাহাড়ের গা বেয়ে ঝরনার জল জমে পুকুরের মতো সৃষ্টি হয়েছে। এই ঝর্ণার রয়েছে মোট তিনটি ধাপ। ট্রেন ভাড়া ক্লাস অনুযায়ী ৪৫০ থেকে ১৫৪১ টাকা।
জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ভারতের সীমান্তে রয়েছে মায়াবী ঝর্ণাতে যেতে কেবল ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে। ঢাকা থেকে দ্রুত সময় ও সাচ্ছন্দে সিলেট যেতে আকাশ পথকে বেছে নিতে পারেন। গাড়ি ঠিক করার আগে ভাল মত দরদাম করে নিন এবং কি কি দেখতে চান তা চালকের সাথে আলোচনা করে নির্ধারণ করে নিন।
ভ্রমণ পাগল মানুষদের জন্য আদর্শ অ্যাডভেঞ্চারের জায়গা হল সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা। দলগত ভাবে গেলে মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে গেলেই ভালো, তাহলে আশেপাশের অন্যান্য জায়গা নেমে ঘুরে দেখার সুযোগ মিলবে। ঢাকার কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন।
সিলেট নগরীর যে কোন অটোরিকশা বা সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে জাফলং যাতে পারবেন। ঢাকা থেকে সিলেটের দূরত্ব ২৩৫ কিলোমিটার, সিলেট পৌঁছাতে সময় লাগে ৬-৭ ঘন্টা। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা ও এয়ার আস্ট্রা এর বিমান প্রত্যেক দিন সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
জুলাই-সেপ্টেম্বর মাসে এই ঝর্ণায় বহু পানি থাকে, যদিও শীত আসার সাথে সাথে পানি কমতে শুরু করে। কি খাবেনজাফলংয়ে রয়েছে রেস্তোরাঁের মধ্যে জাফলং ভিউ রেস্তোরাঁ, সীমান্ত ভিউ রেস্তোরাঁ এবং জাফলং দর্শনার্থী রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য।
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কীভাবে যাবেন
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখতে আপনাকে চায়ের দেশ সিলেটের জাফলং আসতে হবে। সিলেট থেকে জাফলংসিলেটে থেকে প্রায় সকল প্রকার যানবাহনেই জাফলং যাওয়া যায়। জাফলং থেকে সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণাজাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে মায়াবী ঝর্ণায় যেতে নৌকা দিয়ে নদী পাড় হয়ে ১০ মিনিট পায়ে হেঁটে রওনা দিতে হবে।
মাইক্রোবাস যাওয়া-আসার জন্য রিজার্ভ নিলে সারাদিনের জন্যে ভাড়া লাগবে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। অর্থাৎ মায়াবী ঝর্ণা দেখতে যাবার ভাল সময় হল বর্ষাকাল ও পরবর্তী কয়েক মাস। নৌকায় নদী পাড় হতে শীতকালে জনপ্রতি ১০-২০ টাকা লাগবে।
চট্রগ্রাম থেকে সিলেটচট্রগ্রাম থেকে গ্রীন লাইন, এনা, সৌদিয়া সহ অন্যান্য আরও বহু বাস সিলেট যায়। বিএসএফের প্রহরায় বাংলাদেশীরা সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা (Songrampunji Waterfall) দেখতে যেতে পারে। পিচ্ছিল পাথুরে পথ পেরিয়ে ঝর্ণার সবগুলো ধাপ দেখতে চাইলে অবশ্যই সাহস এবং বাড়তি সতর্কতা জরুরী।
শ্রেণী ভেদে জনপ্রতি ট্রেনের টিকেট মূল্য ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা। ট্রেনে সিলেট যেতে সময় লাগে ৭-৮ ঘন্টা। লোকাল বাসে যেতে আপনাকে শহরের শিবগঞ্জে রওনা দিতে হবে সেখান থেকে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৮০ টাকা।
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা যাবার সময়প্রায়ই বর্ষাকালে বাংলাদেশের সকল ঝর্ণাতে বেশি পানির দেখা মিলে, তাই বর্ষাকালই সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখার উপযুক্ত সময়। ঝর্ণার তৃতীয় ধাপে রয়েছে একটা সুড়ঙ্গ, আর সুড়ঙ্গ পথের শেষ এখন পর্যন্ত অজানা। কম খরচে থাকতে চাইলে দরগা গেট অঞ্চলয় ৫০০-১০০০ টাকা মানের বহু হোটেল পাবেন।
মান ভেদে জনপ্রতি এসি বাসের টিকেট মূল্য ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা। জাফলং এর কাছাকাছি দর্শনীয় জায়গালালাখালতামাবিলজৈন্তাপুরআরও পড়ুনলাংলোক ঝর্ণাকুমারী ঝর্ণাথানকোয়াইন ঝর্ণা
কীভাবে যাবেন?
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখতে আপনাকে চায়ের দেশ সিলেটের জাফলং আসতে হবে।
সিলেট থেকে জাফলংসিলেটে থেকে প্রায় সকল প্রকার যানবাহনেই জাফলং যাওয়া যায়।
ট্রেনে সিলেট যেতে সময় লাগে ৭-৮ ঘন্টা।
মান ভেদে জনপ্রতি এসি বাসের টিকেট মূল্য ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা।
সিএনজি বা অটোরিকশায় ১২০০ থেকে ২০০০ টাকায় জাফলং যেতে পারবেন।
আর নন-এসি বাসের ভাড়া ৬৮০ থেকে ৭০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে থাকা ভাল হবে। দরগা গেট হতে আম্বরখানা, তালতলা, লামাবাজার, কদমতলী পর্যন্ত নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। সিলেট থেকে অন্যান্য ভ্রমণজায়গাে যাওয়া সুবিধাজনক। সরকারী রেস্ট হাউজে থাকতে পূর্ব অনুমতির প্রয়োজন হয়। কম খরচে থাকতে চাইলে দরগা গেট অঞ্চলয় ৫০০-১০০০ টাকা মানের বহু হোটেল পাবেন। বেশিরভাগ হোটেলগুলো শাহ জালাল মাজারের আশেপাশকে ঘিরে রয়েছে। আর জফলং যদি থাকতেই হয় তাহলে মামার বাজার অঞ্চলয় জাফলং ইন হোটেল ও হোটেল প্যারিস সহ আরো কিছু রেস্ট হাউজ আছে। তাছাড়া জাফলংয়ের কাছে চমৎকার ল্যান্ডস্কেপ ভিউ সহ জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে যোগাযোগ করতে পারেন।
কোথায় খাবেন?
জাফলংয়ে রয়েছে রেস্তোরাঁের মধ্যে জাফলং ভিউ রেস্তোরাঁ, সীমান্ত ভিউ রেস্তোরাঁ এবং জাফলং দর্শনার্থী রেস্তোরাঁ উল্লেখযোগ্য। সিলেট শহরে খেতে চাইলে জিন্দাবাজার অঞ্চলয় রয়েছে পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁের সুলভ মূল্যে পছন্দমত খাবার খেতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কীভাবে যাবেন?
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা দেখতে আপনাকে চায়ের দেশ সিলেটের জাফলং আসতে হবে। সিলেট থেকে জাফলংসিলেটে থেকে প্রায় সকল প্রকার যানবাহনেই জাফলং যাওয়া যায়। ট্রেনে সিলেট যেতে সময় লাগে ৭-৮ ঘন্টা। মান ভেদে জনপ্রতি এসি বাসের টিকেট মূল্য ১৪০০ থেকে ১৫০০ টাকা। সিএনজি বা অটোরিকশায় ১২০০ থেকে ২০০০ টাকায় জাফলং যেতে পারবেন। আর
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
রাতে থাকার প্রয়োজন হলে সিলেট শহরে থাকা ভাল হবে। দরগা গেট হতে আম্বরখানা, তালতলা, লামাবাজার, কদমতলী পর্যন্ত নানা মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে। সিলেট থেকে অন্যান্য ভ্রমণজায়গাে যাওয়া সুবিধাজনক। সরকারী রেস্ট হাউজে থাকতে পূর্ব অনুমতির প্রয়োজন হয়। কম খরচে থাকতে চাইলে দরগা গেট অঞ্চলয় ৫০০-১০০০ টাকা মানের
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণার জায়গাীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা। তাছাড়া জাফলংয়ের কাছে চমৎকার ল্যান্ডস্কেপ ভিউ সহ জৈন্তিয়া হিল রিসোর্টে যোগাযোগ করতে পারেন। আর জফলং যদি থাকতেই হয় তাহলে মামার বাজার অঞ্চলয় জাফলং ইন হোটেল ও হোটেল প্যারিস সহ আরো কিছু রেস্ট হাউজ আছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

