সুরমা নদীর তীরে রয়েছে আলী আমজদের ঘড়ি (Ali Amjader Ghari) ঊনবিংশ শতকের নির্মিত সিলেটের একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, সিলেট বিভাগ

আলী আমজদের ঘড়ি সম্পর্কে
আর ঘড়ির দৈর্ঘ্য ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি।
কোথায় থাকবেন
কদমতলী ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। সিলেটের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার আলী আহমদ খান ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দে ক্বীন ব্রীজের পাশে এই ইতিহাস-সমৃদ্ধ ঘড়িঘর নির্মাণ করেন। সর্বশেষ ২০১১ সালে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কতৃক মেরামতের ফলে আলী আমজদের ঘড়ি এখন চালু রয়েছে।
লোহার খুঁটির উপর ঢেউটিন দিয়ে তৈরী বিশালাকার গম্বুজাকৃতির আলী আমজদের ঘড়ি ঘরের উচ্চতা ২৬ ফুট। সিলেট রেলওয়ে ষ্টেশন ও কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে আলী আমজাদের ঘড়ি কেবল ১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। চাইলে পায়ে হেটে ক্বীন ব্রীজ হয়ে আলী আমজাদের ঘড়ি যেতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
সিলেট শহরের যেকোন জায়গা থেকে সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশা দিয়ে সহজেই ক্বীন ব্রীজ সংলগ্ন আলী আমজদের ঘড়ি দেখতে যাওয়া যায়। আলী আহমদ খানের ছেলের নামানুসারে ঘড়িঘরটি আলী আমজদের ঘড়ি নামে পরিচিতি লাভ করে। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
সিলেট যেতে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৪৫০ থেকে ১৫৪১ টাকা। পাশাপাশি ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৬৭০ থেকে ৭০০ টাকা ভাড়ায় পাবেন। বিস্তারিত পড়ুন : ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায়চট্টগ্রাম থেকে সিলেট: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট যেতে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রাচীন এই ঘড়িঘরটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এরপর নানা সময়ে ঘড়িটি সংস্কার করা হয়। ঢাকা থেকে সিলেট : ঢাকার গাবতলী এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে সিলেটের বাস ছেড়ে যায়৷ ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে, এগুলোর ভাড়া প্রায়ই ৯০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে।
এছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
কোথায় খাবেন
সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে কম খরচে বিচিত্র রকম দেশীয় খাবার খেতে পারেন। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন। সিলেট জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাসিলেট জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আছে হযরত শাহজালালের মাজার, হযরত শাহপরাণের মাজার, ক্বীন ব্রীজ, মালনীছড়া চা বাগান, জাফলং, বিছনাকান্দি, রাতারগুল, লোভাছড়া, লালাখাল, পান্থুমাই ঝর্ণা, সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা, হাকালুকি হাওর, ভোলাগঞ্জ, ড্রিমল্যান্ড পার্ক এবং জাকারিয়া সিটি।
কীভাবে যাবেন?
সিলেট শহরের যেকোন জায়গা থেকে সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশা দিয়ে সহজেই ক্বীন ব্রীজ সংলগ্ন আলী আমজদের ঘড়ি দেখতে যাওয়া যায়।
সিলেট রেলওয়ে ষ্টেশন ও কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে আলী আমজাদের ঘড়ি কেবল ১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।
চাইলে পায়ে হেটে ক্বীন ব্রীজ হয়ে আলী আমজাদের ঘড়ি যেতে পারবেন।
ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা।
ঢাকা থেকে ট্রেনে করে সিলেট যেতে কমলাপুর কিংবা বিমান বন্দর রেলওয়ে স্টেশান হতে উপবন, জয়ন্তিকা, পারাবত অথবা কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনকে বেছে নিতে পারেন।
বিস্তারিত পড়ুন : ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার উপায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেট: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট যেতে পাহাড়িকা এবং উদয়ন এক্সপ্রেস নামের দুটি ট্রেন সপ্তাহে ৬ দিন চলাচল করে।
কোথায় থাকবেন?
কদমতলী ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
সিলেটর জিন্দাবাজার অঞ্চলর পানসী, পাঁচ ভাই কিংবা পালকি রেস্তোরাঁে কম খরচে বিচিত্র রকম দেশীয় খাবার খেতে পারেন। এছাড়া সিলেট শহরে নানা মানের রেস্তোরাঁ আছে, আপনার পছন্দ মত যেকোন জায়গায় খেয়ে নিতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আলী আমজদের ঘড়ি কীভাবে যাবেন?
সিলেট শহরের যেকোন জায়গা থেকে সিএনজি, রিকশা বা অটোরিকশা দিয়ে সহজেই ক্বীন ব্রীজ সংলগ্ন আলী আমজদের ঘড়ি দেখতে যাওয়া যায়। সিলেট রেলওয়ে ষ্টেশন ও কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে আলী আমজাদের ঘড়ি কেবল ১ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। চাইলে পায়ে হেটে ক্বীন ব্রীজ হয়ে আলী আমজাদের ঘড়ি যেতে পারবেন। ট্রেনে শ্রেনীভেদ
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
কদমতলী ও দরগা রোডে কম ভাড়ায় বহু মানসম্মত আবাসিক হোটেল আছে৷ যেখানে ৪০০ থেকে ১০০০ টাকায় নানা ধরণের রুম পাবেন। এছাড়া হোটেল হিল টাউন, গুলশান, দরগা গেইট, সুরমা, কায়কোবাদ ইত্যাদি হোটেলে আপনার প্রয়োজন ও সামর্থ অনুযায়ী থাকতে পারবেন।
আলী আমজদের ঘড়ি সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
সুরমা নদীর তীরে রয়েছে আলী আমজদের ঘড়ি (Ali Amjader Ghari) ঊনবিংশ শতকের নির্মিত সিলেটের একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ট্রেনে শ্রেনীভেদে ভাড়া লাগবে ৩৭৫ থেকে ১২৮৮ টাকা। আর ঘড়ির দৈর্ঘ্য ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
