bangladesh · Editorial

মধুমতি নদী

মধুমতি নদী (Madhumati River) বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মাগুরা, ফরিদপুর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও

Photograph · Collected for Tripzao Journal

মধুমতি নদী (Madhumati River) বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। নদীর তীরে কয়েশ বছরের প্রাচীন হাটবাজার, দালান কোঠা, মন্দির, মসজিদ ও জেলে পল্লীসহ বহু জনপদ গড়ে উঠেছে।


দ্রুত তথ্য
  • অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

মধুমতি নদী

মধুমতি নদী সম্পর্কে

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে মধুমতি নদীর উপর মধুমতি সেতু তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি মধুমতি নদীতে ইলিশ, বাচা, বাঘাইড়, চিতল, চিংড়ি, বেলে, আইড়, রুই ও কাতলসহ বহু ধরণের সুস্বাদু মাছ পাওয়ার সুযোগ আছে।

কোথায় খাবেনফরিদপুরে রেইনফরেস্ট হোটেল, শাহী রেস্তোঁরা, জাকির হোটেল ও টেরাকোটা প্রভৃতি খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে। আর তাই জায়গাীয় বহুের মতে, নদীর সুমিষ্ট জল বা মধু বহনকারী এই নদীর নাম দেওয়া হয়েছে মধুমতি। শুষ্ক মৌসুমে সবুজ বর্ণের মধুমতি নদীর পানির প্রবাহ কমে গেলেও বর্ষাকালে পানি নদীর দু’কূল ছাপিয়ে যায়।

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নে প্রবহমান গড়াই নদী হতে সৃষ্টি হয়ে মাগুরা-ফরিদপুর জেলার সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত হয়ে মধুমতি নামে নড়াইল ও খুলনা জেলার আঠারবেকিতে বাগেরহাট জেলায় প্রবেশ করে বরিশালের হয়ে হরিণঘাটা মোহনার কাছে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে। আর নদীর অববাহিকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নবগঙ্গা-মধুমতি সেচ প্রকল্প চালু রয়েছে। ফরিদপুর (Faridpur) জেলা শহরের মধ্য দিয়ে মধুমতি নদীর একটা বড় অংশ প্রবাহিত হবার কারণে ফরিদপুর জেলা শহর থেকে এই নদীর সৌন্দর্য সর্বাধিক চমৎকারভাবে উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।

সর্পিলাকৃতি মধুমতি নদীর দৈর্ঘ্য ১৩৭ কিলোমিটার, প্রস্থ ৫০০ মিটার ও গভীরতা ১০.৫ মিটার। গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট লাইন, রয়েল পরিবহন, সূর্যমুখী পরিবহণ, গোল্ডেন লাইন, আনন্দ পরিবহণ, সাউথ লাইন, আজমেরি এণ্টারপ্রাইজ ইত্যাদি বাস ঢাকা-ফরিদপুর রুটে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করে। নদীটির প্রবাহপথে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর, ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারি, আলফাডাঙ্গা, নড়াইল জেলার লোহাগড়া ও কালিয়া, গোপালগঞ্জ সদর, কাশিয়ানী ও টুঙ্গিপাড়া এবং বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট, চিতরশারি ও কচুয়া উপজেলার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গা রয়েছে।

আর নদীর তীরবর্তী এলাকা খুব উর্বর হওয়ার ধান পাটসহ নানা অর্থকরী ফসল উৎপাদনের জন্য খুবই সহায়ক। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন

রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়। একসময়, চমৎকারবন এলাকা থেকে বাওয়ালীরা এই নদী দিয়ে মধু সংগ্রহ করে নানা এলাকাে সরবরাহ করত। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মাগুরা, ফরিদপুর, নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের উপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা নদীর একটা শাখা।

কোথায় থাকবেনফরিদপুরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল চমৎকারবন, হোটেল পার্ক, লাক্সারি হোটেল, হোটেল রাজজায়গা, জে কে ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শ্যামলী, পদ্মা হোটেল ও হোটেল সুপার অন্যতম। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। ফরিদপুরের দর্শনীয় জায়গাফরিদপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে কানাইপুর জমিদার বাড়ি, পল্লী কবি জসিমউদ্দিনের বাড়ী, নদী গবেষণা কেন্দ্র, মথুরাপুর দেউল ও পাতরাইল মসজিদ অন্যতম।

কীভাবে যাবেন?

রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়।

ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা।

এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন।

বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা।

গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট লাইন, রয়েল পরিবহন, সূর্যমুখী পরিবহণ, গোল্ডেন লাইন, আনন্দ পরিবহণ, সাউথ লাইন, আজমেরি এণ্টারপ্রাইজ ইত্যাদি বাস ঢাকা-ফরিদপুর রুটে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করে।

ফরিদপুর (Faridpur) জেলা শহরের মধ্য দিয়ে মধুমতি নদীর একটা বড় অংশ প্রবাহিত হবার কারণে ফরিদপুর জেলা শহর থেকে এই নদীর সৌন্দর্য সর্বাধিক চমৎকারভাবে উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।

কোথায় থাকবেন?

ফরিদপুরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল চমৎকারবন, হোটেল পার্ক, লাক্সারি হোটেল, হোটেল রাজজায়গা, জে কে ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শ্যামলী, পদ্মা হোটেল ও হোটেল সুপার অন্যতম।

কোথায় খাবেন?

ফরিদপুরে রেইনফরেস্ট হোটেল, শাহী রেস্তোঁরা, জাকির হোটেল ও টেরাকোটা প্রভৃতি খাবার হোটেল ও রেস্তোরাঁ আছে।

✈️ Tripzao টিপ

বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

মধুমতি নদী কীভাবে যাবেন?

রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট

ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?

ফরিদপুরে রয়েছে নানা আবাসিক হোটেলের মধ্যে হোটেল চমৎকারবন, হোটেল পার্ক, লাক্সারি হোটেল, হোটেল রাজজায়গা, জে কে ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শ্যামলী, পদ্মা হোটেল ও হোটেল সুপার অন্যতম।

মধুমতি নদী সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?

মধুমতি নদী (Madhumati River) বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম। নদীর তীরে কয়েশ বছরের প্রাচীন হাটবাজার, দালান কোঠা, মন্দির, মসজিদ ও জেলে পল্লীসহ বহু জনপদ গড়ে উঠেছে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা।

তথ্য সূত্র: Vromon Guide

Filed under bangladesh Dhaka guide
A
About the Author
Ahsan_Hisham

Tripzao Journal writer — travel journalist covering Asia, Europe and beyond.