ফরিদপুর জেলা সদর থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে সুলতানী আমলের নয় গম্বুজ বিশিষ্ট সাতৈর মসজিদ (Satoir Mosque) রয়েছে। ধারণা করা হয়, প্রায় ৭০০ বছর আগে শের শাহের আমলে সাতৈর গ্রামের আওলিয়া হযরত শাহ সুফি শায়েফ ছতুরি (রাঃ) পীরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক ষোল শতকের দিকে আলা-উদ্দিন হুসাইন শাহ এই মসজিদটি নির্মাণ করেন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

সাতৈর মসজিদ সম্পর্কে
ফরিদপুরের মাঝকান্দি লোকাল বাস স্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর- বোয়ালমারী মহাসড়ক হয়ে সাতৈর মসজিদে পৌঁছানো যায়। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। সাতৈর শাহী মসজিদের পাশে আরও আছে ইতিহাস-সমৃদ্ধ গ্র্যান্ড ট্রাংক রোড, ১২ আউলিয়ার মাজার এবং একটা গভীর কূপ।
আর তাই ধর্মীয় বিশ্বাস ও নানা মানত নিয়ে দূর দূরান্ত থেকে বহুেই এই মসজিদ দর্শনে আসেন। মসজিদটি নির্মাণের পর থেকেই জায়গাীয়দের মধ্যে মসজিদটি নিয়ে নানা ধরনের লোক-কথা প্রচলিত ছিল। মসজিদ নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যে এটি পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ায় মসজিদের চারপাশ জঙ্গলে ঢাকা পড়ে গিয়েছিল।
যদিও নির্মাণের শুরুতে পশ্চিম দিক ছাড়া মসজিদের তিন দিকে প্রবেশ পথ থাকলেও এখন মসজিদের উত্তর ও দক্ষিণ দিকের প্রবেশ পথগুলোকে জানালায় রুপান্তর করা হয়েছে। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা।
কীভাবে যাবেন
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়। কোথায় থাকবেনফরিদপুর শহরে হোটেল র্যাফেলস, হোটেল লাক্সারি, হোটেল পদ্মা, হোটেল পার্ক প্যালেস, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। তাছাড়া বোয়ালমারী উপজেলা ও ফরিদপুর জেলায় ভালমানের খাবারের রেস্তোরাঁর খোঁজ পেয়ে যাবেন।
পাশাপাশি মসজিদের ভেতরে পাথরের তৈরি ৪টি স্তম্ভ, দেয়াল সংলগ্ন ১২টি পিলার ও পশ্চিম দিকে অসংখ্যখাঁজ বিশিষ্ট খিলানযুক্ত ৩টি মেহরাব লক্ষ করার সুযোগ রয়েছে। পেন্ডেন্টিভ পদ্ধতিতে নির্মিত এই মসজিদে মোট ৯টি কন্দাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট লাইন, রয়েল পরিবহন, সূর্যমুখী পরিবহণ, গোল্ডেন লাইন, আনন্দ পরিবহণ, সাউথ লাইন, আজমেরি এণ্টারপ্রাইজ ইত্যাদি বাস ঢাকা-ফরিদপুর রুটে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করে।
পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে মসজিদটি সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করা হয়। বর্গাকার সাতৈর মসজিদের বাইরের দিকের দৈর্ঘ্য ১৭.৮ মিটার ও ভিতরের দিকে ১৩.৮ মিটার এবং ভূমি থেকে উচ্চতা ০.৬ মিটার। কোথায় খাবেনসাতৈর মসজিদে যাওয়ার পথে মাঝকান্দি বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান নজরে পড়বে।
এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন। ফরিদপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাফরিদপুরের অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে মধুমতি নদী, মথুরাপুর দেউল, কানাইপুর জমিদার বাড়ি, পৌর শেখ রাসেল শিশু পার্ক, পাতরাইল মসজিদ ও পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের বাড়ি উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়।
ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা।
এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন।
বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা।
গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট লাইন, রয়েল পরিবহন, সূর্যমুখী পরিবহণ, গোল্ডেন লাইন, আনন্দ পরিবহণ, সাউথ লাইন, আজমেরি এণ্টারপ্রাইজ ইত্যাদি বাস ঢাকা-ফরিদপুর রুটে পদ্মা সেতু হয়ে চলাচল করে।
ফরিদপুরের মাঝকান্দি লোকাল বাস স্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর- বোয়ালমারী মহাসড়ক হয়ে সাতৈর মসজিদে পৌঁছানো যায়।
কোথায় থাকবেন?
ফরিদপুর শহরে হোটেল র্যাফেলস, হোটেল লাক্সারি, হোটেল পদ্মা, হোটেল পার্ক প্যালেস, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
সাতৈর মসজিদে যাওয়ার পথে মাঝকান্দি বাজারে খুচরা চা নাস্তার দোকান নজরে পড়বে। তাছাড়া বোয়ালমারী উপজেলা ও ফরিদপুর জেলায় ভালমানের খাবারের রেস্তোরাঁর খোঁজ পেয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
সাতৈর মসজিদ কীভাবে যাবেন?
রাজধানী ঢাকা থেকে বাস ও ট্রেনে ফরিদপুর পৌঁছানো যায়। ট্রেনে আসনভেদে ভাড়া লাগবে ৩০৫ থেকে ৬৯৬ টাকা। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চমৎকারবন এক্সপ্রেস, মধুমতি এক্সপ্রেস ও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে ফরিদপুর আসতে পারবেন। বাসে যেতে ভাড়া লাগবে মানভেদে ৪০০-৫০০ টাকা। গাবতলি বাস স্ট্যান্ড থেকে কমফোর্ট
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ফরিদপুর শহরে হোটেল র্যাফেলস, হোটেল লাক্সারি, হোটেল পদ্মা, হোটেল পার্ক প্যালেস, হোটেল শ্যামলী ও হোটেল জোনাকি সহ বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে।
সাতৈর মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ফরিদপুর জেলা সদর থেকে ২৩ কিলোমিটার দূরে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর গ্রামে সুলতানী আমলের নয় গম্বুজ বিশিষ্ট সাতৈর মসজিদ (Satoir Mosque) রয়েছে। ধারণা করা হয়, প্রায় ৭০০ বছর আগে শের শাহের আমলে সাতৈর গ্রামের আওলিয়া হযরত শাহ সুফি শায়েফ ছতুরি (রাঃ) পীরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক ষোল শতকের দিকে আলা-উদ
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
