জঙ্গলবাড়ি দূর্গ (Jangalbari Fort) কিশোরগঞ্জ (Kishoreganj) জেলা থেকে কেবল ৭ কিলোমিটার দূরে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে রয়েছে। ঈশা খাঁর মসজিদ: বারো ভূঁইয়ার স্মৃতি বিজড়িত জঙ্গলবাড়ীতে ঈশা খাঁ কতৃক নির্মিত একটা প্রাচীন মসজিদ রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

জঙ্গলবাড়ি দূর্গ সম্পর্কে
লোকাল ইজিবাইক ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২০ টাকা। আবাসন সুবিধাজঙ্গলবাড়ি দুর্গের আশেপাশে থাকার কোন ব্যবস্থা নেই। ইজিবাইকে ১০ টাকা ও রিক্সায় ২৫ টাকা ভাড়া লাগবে।
এরপর রিক্সা বা ইজিবাইকে চলে আসুন শহরের একরামপুর মোড়ে। ঢাকা থেকে ট্রেনে অথবা বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসা যায়। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে কিশোরগঞ্জ আসতে কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশান থেকে সকাল ৭ টা ১৫ মিনিটে এগারোসিন্ধুর ট্রেনে উঠলে ১১ টার মধ্যে কিশোরগঞ্জ পৌঁছে যাবেন।
একরামপুর মোড় থেকে সিএনজি, রিক্সা বা ইজিবাইকে চড়ে সহজেই যেতে পারবেন জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেনী ভেদে ১৩৫ টাকা থেকে ৩৬৮ টাকা লাগে। এটি এখন বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসাবে তালিকাভুক্ত।
মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দেখতে পারেন একরামপুর এর লক্ষী নারায়ণ মিস্টান্ন ভান্ডারে কিংবা মদন গোপালে। মসজিদের প্রতিটি কোণেই সুদৃশ্য মিনার রয়েছে।
কোথায় খাবেন
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ এর আশেপাশে ভালো খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। কিশোরগঞ্জ সদরের স্টেশন রোড অঞ্চলয় রিভার ভিউ, গাংচিল, নিরালা, উজানভাটি, ক্যাসেল সালাম নামে বেশ কিছু ভাল মানের আবাসিক হোটেল রয়েছ। বাংলা ১৩২৬ সনের ভূমিকম্পে দুর্গটির দরবার হল, বসত ঘর ও একটা মসজিদ ছাড়া প্রায় সকল স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে যায়।
চাইলে ভাত, মা্ সবজী ও জায়গাীয় কিছু খাবার পাবেন। এ জাদুঘরে একটা পাঠাগার ও ঈশা খাঁ’র ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র সংগৃহীত আছে। ঈশাখাঁ স্মৃতি জাদুঘর: করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ঈশা খাঁ’র বাড়ীর কিছু অংশ সংস্কার করে ‘ঈশা খাঁ স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
বাংলার বার ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খাঁ জঙ্গলবাড়ির দুর্গে তাঁর দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করেন। এছাড়া অনুমতি সাপেক্ষে জেলা সদরের সরকারি ডাক-বাংলোতে থাকতে পারবেন। ভাল হয় কিশোরগঞ্জ শহরে ফিরে ধানসিঁড়ি, দারুচিনি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ, ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া।
তারপর ইজিবাইক দিয়ে কেবল ৫ টাকা ভাড়ায় চলে আসুন শহরের কেন্দ্রস্থ একরামপুর মোড়ে। মসজিদে কোন নামফলক না থাকায় এর নির্মানকাল সম্পর্কে কোন ধারণা পাওয়া যায় নি। দুর্গটি দখলের পর ঈশা খাঁ দুর্গের ভিতরে কিছু স্থাপনা নির্মাণ করেন এবং তিনদিকে পরিখা খনন করে নরসুন্দা নদীর সাথে যুক্ত করে দুর্গটিকে গোলাকার দ্বীপে রুপান্তর করেন।
মসজিদের দেয়ালগুলো প্রায় চার ফুট প্রশস্ত। রিজার্ভ করতে চাইলে যাওয়া আসা সহ খরচ লাগবে ৩৫০-৪৫০ টাকা। দূর্গের কাছেই জঙ্গলবাড়ী বাজারে ছোট খাটো হোটেল আছে।
পরবর্তীতে এই দুর্গ থেকেই ঈশা খাঁ সোনারগাঁওসহ মোট ২২টি পরগণা দখল করে নেন। জঙ্গলবাড়ি দূর্গ ও ঈশা খাঁর মসজিদ যা দেখার সুযোগ পাবেনদরবার হল: প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত এ দরবার হলের গায়ে এখনো দেখার সুযোগ মিলবে নানা নকশা এবং এর নির্মাণশৈলী আপনাকে তৎকালীন ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দেবে। রাতে থাকতে চাইলে কিশোরগঞ্জ সদরে ফিরে আসতে হবে।
কীভাবে যাবেন
জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে যেতে হলে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে। এখনো মুসল্লিগণ নিয়মিতভাবেই এই মসজিদে নামাজ আদায় করে থাকেন। যদিও মূল জঙ্গলবাড়ি দুর্গটি প্রাক-মুসলিম যুগে নির্মিত বলে ধারনা করা হয়।
মসজিদের পূর্ব পাশে ১১ ফুট খোলা একটা বারান্দা রয়েছে। ১৫৮৫ সালে কোচ রাজা লক্ষ্মণ হাজরা ও রাম হাজরাকে পরাজিত করে জঙ্গলবাড়ি দুর্গটি দখল করেন। ইতিহাসজানা যায় মুঘল সম্রাট ও ইংরেজদের শোষণে অসহায় বাংলার জমিদারদের গোপন আমন্ত্রণ পেয়ে ঈশা খাঁ (Isa Khan) আফগানিস্তান থেকে ১৪০০ জন ঘোড়সওয়ার, ২১ টি নৌবিহার ও অজস্র গোলাবারুদ নিয়ে তৎকালীন ত্রিপুরা রাজ্যে আসেন।
৪৪ ফুট দীর্ঘ এবং ১৮ ফুট প্রশস্ত বিশিষ্ট আয়তকার এই মসজিদের ছাদে তিনটি বড় বড় গম্বুজ রয়েছে। আর বাসে করে আসতে চাইলে ঢাকার মহাখালী বা গোলাপবাগ বাস স্ট্যান্ড থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যেকোন বাসে করে কিশোরগঞ্জের গাইটাল বাস চলে আসুন। বাস ভাড়া ২৭০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা।
কিশোরগঞ্জ সদরের আশেপাশে দর্শনীয় জায়গাযদি হাতে সময় থাকে তাহলে কিশোরগঞ্জ ভ্রমণে আরও যা দেখতে পারেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কবি চন্দ্রাবতী মন্দির, গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ি, কিশোরগঞ্জ লেক ওয়াচ টাওয়ার, মিঠামইন হাওর ও নিকলী হাওর ইত্যাদি।
কীভাবে যাবেন?
জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে যেতে হলে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে।
একরামপুর মোড় থেকে সিএনজি, রিক্সা বা ইজিবাইকে চড়ে সহজেই যেতে পারবেন জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে।
বাস ভাড়া ২৭০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা।
ঢাকা থেকে ট্রেনে অথবা বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসা যায়।
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রেনের টিকেট কাটতে শ্রেনী ভেদে ১৩৫ টাকা থেকে ৩৬৮ টাকা লাগে।
লোকাল ইজিবাইক ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২০ টাকা।
কোথায় খাবেন?
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ এর আশেপাশে ভালো খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। চাইলে ভাত, মা্ সবজী ও জায়গাীয় কিছু খাবার পাবেন। দূর্গের কাছেই জঙ্গলবাড়ী বাজারে ছোট খাটো হোটেল আছে। ভাল হয় কিশোরগঞ্জ শহরে ফিরে ধানসিঁড়ি, দারুচিনি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ, ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া। মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দেখতে পারেন একরামপুর এর লক্ষী নারায়ণ মিস্টান্ন ভান্ডারে কিংবা মদন গোপালে।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ কীভাবে যাবেন?
জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে যেতে হলে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আসতে হবে। একরামপুর মোড় থেকে সিএনজি, রিক্সা বা ইজিবাইকে চড়ে সহজেই যেতে পারবেন জঙ্গলবাড়ি দুর্গ বা ঈশা খাঁর বাড়ি দেখতে। বাস ভাড়া ২৭০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা। ঢাকা থেকে ট্রেনে অথবা বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসা যায়। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ট্রেন
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ-এর কাছে কোথায় খাবেন?
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ এর আশেপাশে ভালো খাবারের কোন ব্যবস্থা নেই। চাইলে ভাত, মা্ সবজী ও জায়গাীয় কিছু খাবার পাবেন। দূর্গের কাছেই জঙ্গলবাড়ী বাজারে ছোট খাটো হোটেল আছে। ভাল হয় কিশোরগঞ্জ শহরে ফিরে ধানসিঁড়ি, দারুচিনি, গাংচিল, রিভার ভিউ কিচেন, তাজ, ইত্যাদি রেস্তোরাঁে পছন্দের খাবার খাওয়া। মিষ্টি পাগল হলে ছেঁকে দে
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
জঙ্গলবাড়ি দূর্গ (Jangalbari Fort) কিশোরগঞ্জ (Kishoreganj) জেলা থেকে কেবল ৭ কিলোমিটার দূরে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নে রয়েছে। ঈশা খাঁর মসজিদ: বারো ভূঁইয়ার স্মৃতি বিজড়িত জঙ্গলবাড়ীতে ঈশা খাঁ কতৃক নির্মিত একটা প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। লোকাল ইজিবাইক ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২০ টাকা।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

