একসময় গ্রামে গঞ্জে সারাবছরই ঐতিহ্যবাহী নানা ধরণের গ্রামীন মেলা হতো। গ্রামীন মেলার যে সব ঐতিহ্য থাকে তার সবকিছুই থাকে এই মেলায়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

কুড়িখাই মেলা সম্পর্কে
প্রতি বছর মাঘ মাসের শেষ সোমবার থেকে শুরু হয় এই মেলা, চলে ৭দিন। ইতিহাস অনুযায়ী এই মেলা প্রায় ৪০০ বছর ধরে প্রতিবছরই অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। থাকতে চাইলেকটিয়াদিতে থাকার তেমন ব্যবস্থা নেই, রাতে থাকতে চাইলে চলে আসতে হবে কিশোরগঞ্জ সদরে।
সেই সাথে চলে ওরস ও সারা দেশ থেকে আসা সাধুদের বিচিত্র কীর্তি। আশেপাশের সকল মানুষের ভিড়ে পুরো সময় জুড়েই এই মেলা জমজমাট হয়ে থাকে। সেখান থেকে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় করে ৪০-৬০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন কুড়িখাই মেলায়।
সদরের স্টেশন রোড অঞ্চলয় বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। বারো আউলিয়াদের একজন হযরত শাহ শামসুদ্দিন আওলিয়া ৪০০ বছরের আগে ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দ্যেশে কটিয়াদির কুড়িখাই অঞ্চলয় আসেন, তখন থেকেই তাঁর মাজারের ওরসকে কেন্দ্র করে এই মেলার আয়োজন হয়। সেখানে নেমে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় করে জনপ্রতি ৩০-৩৫টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন মেলায়।
যদিও কিছু কিছু জায়গায় এখনো বহু ঐতিহ্যবাহী মেলার আয়োজন অসংখ্য পুরনো বছরের রেওয়াজ ধরে চলছে প্রতিবছরই। আর সেই মাছ দিয়েই হয় শ্বশুরবাড়িতে জামাইদের আপ্যায়ন। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারক এইরকম গ্রামীন মেলা এখন খুব কমই দেখা যায়।
এখানকার জায়গাীয় মানুষজন সারা বছর ধরে অপেক্ষা করে এই সময়ের। সারাদেশ থেকে ফকির দরবেশ সহ সমাগম হয় লাখো মানুষের। মেলায় পাওয়া যায় না এমন কিছু নেই।
মেলা প্রঙ্গনের একপাশে বসে বিশাল বিশাল ও বিচিত্র বাহারী মাছের বাজার। যুগের সাথে আমাদের মন মানসিকতা তাল মিলাতে গিয়ে এই গ্রামীন মেলা গুলো এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। বাসে আসতে চাইলে ঢাকার গোলাপবাগ, সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যে কোন বাসে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর কটিয়াদিতে (সময় লাগবে ৩ঘন্টা+)।
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনে করে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর মানিকখালী স্টেশনে (সময় লাগবে প্রায় ৩ঘন্টা+)। জামাইদের মধ্যে মাছ কেনা নিয়ে চলে প্রতিযোগিতা, কে কত বড় মাছ কিনে শ্বশুর বাড়ি গেলো এই নিয়ে চলে মাতামাতি। যদিও এই মেলার অন্যতম আকর্ষণ হলো মাছের মেলা।
কটিয়াদি এসে সেখান থেকে সিএনজি অথবা বাসে করে কিশোরগঞ্জ সদরে আসতে হবে। রীতি অনুয়ায়ী অঞ্চলর মেয়েদের জামাইদের দাওয়াত দেওয়া হয়। মেলার পুরো সময় ধরেই অঞ্চলয় বিরাজ করে আনন্দঘন আবহ।
তেমনই একটা মেলা হলো কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদি উপজেলার কুড়িখাই মেলা (Kurikhai Mela)। কিশোরগঞ্জের দর্শনীয় জায়গাকিশরোগঞ্জ জেলার আরও যে সব দর্শনীয় জায়গা ঘুরে বেড়াতে পারেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, সত্যজিৎ রায়ের পৈতৃক বাড়ি, পাগলা মসজিদ, এগারসিন্দুর দুর্গ, জঙ্গলবাড়ি দূর্গ, কবি চন্দ্রাবতী মন্দির ও নরসুন্দা লেক।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনে করে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর মানিকখালী স্টেশনে (সময় লাগবে প্রায় ৩ঘন্টা+)।
বাসে আসতে চাইলে ঢাকার গোলাপবাগ, সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যে কোন বাসে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর কটিয়াদিতে (সময় লাগবে ৩ঘন্টা+)।
সেখানে নেমে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় করে জনপ্রতি ৩০-৩৫টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন মেলায়।
সেখান থেকে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় করে ৪০-৬০ টাকা ভাড়ায় যেতে পারবেন কুড়িখাই মেলায়।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
কুড়িখাই মেলা কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী আন্তঃনগর ট্রেনে করে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর মানিকখালী স্টেশনে (সময় লাগবে প্রায় ৩ঘন্টা+)। বাসে আসতে চাইলে ঢাকার গোলাপবাগ, সায়েদাবাদ থেকে কিশোরগঞ্জ গামী যে কোন বাসে আসতে পারেন কিশোরগঞ্জ এর কটিয়াদিতে (সময় লাগবে ৩ঘন্টা+)। সেখানে নেমে অটোরিক্সা বা অটোরিকশায় করে জনপ্রতি ৩০-৩৫টাকা
কুড়িখাই মেলা সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
একসময় গ্রামে গঞ্জে সারাবছরই ঐতিহ্যবাহী নানা ধরণের গ্রামীন মেলা হতো। গ্রামীন মেলার যে সব ঐতিহ্য থাকে তার সবকিছুই থাকে এই মেলায়। প্রতি বছর মাঘ মাসের শেষ সোমবার থেকে শুরু হয় এই মেলা, চলে ৭দিন।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
