ঢাকার নিকটবর্তী নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রামনগরে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর (Bir Shreshtha Matiur Rahman Memorial Museum) রয়েছে। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর সম্পর্কে
জাদুঘরের লাইব্রেরীটিতে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টি বইয়ের সংগ্রহ। নরসিংদী জেলার রসগোল্লা, লালমোহন, খিরমোহন ও শাহী জিলাপি বেশ পরিচিত। ঢাকার গুলিজায়গা থেকে মেঘালয় বা ভৈরবের যেকোন বাসে নরসিংদী যেতে পারবেন।
বাঙ্গালীর গৌরবজ্বল মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা ও বীরত্বের সম্মান স্বরূপ সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান অন্যতম। কোথায় থাকবেননরসিংদীর পাতিলবাড়ী রোডে হোটেল তানিম, হোটেল রিয়াজ, হোটেল আজিজের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। শহীদ হওয়া এই বীর মানুষটির প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক নরসিংদী জেলার রায়পুর উপজেলায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ করা হয়।
কীভাবে যাবেন
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যাওয়ার জন্য প্রথমে ঢাকা থেকে নরসিংদী জেলার রায়পুর রওনা দিতে হবে। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘরের পাশে রয়েছে বীরশ্রেষ্টের স্বজনদের বাড়ি, রামনগর হাই স্কুল ও রামনগর উত্তর পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবহনকারী এই জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হয়।
কোথায় খাবেননরসিংদীর রায়পুরায় যাওয়ার পথে আনন্দ পার্ক রেস্তোরাঁ, পান্থশালা, সওদাগর হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ,মুন্না রেস্তোরাঁ, কালা মিয়া টি স্টল ও হোটেলের মতো বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মেঘনার নদীর গা ঘেঁষা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর দেখতে দূর দূরান্ত থেকে বহুেই ছুটে আসেন। নরসিংদী থেকে রায়পুর উপজেলা ২৮ কিলোমিটার।
সিএনজি বা অটোতে রামনগর উত্তর পাড়া রোড ধরে রামনগর নদীর পাড়ে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যেতে পারবেন। প্রত্যেক দিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই জাদুঘর। ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট পাকিজায়গাী বিমান ঘাটি থেকে প্রশিক্ষণ বিমান টি-৩৩ বিমান হাইজ্যাক করার পর ভারতে বিধ্বস্ত হলে লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান শহীদ হন।
অন্যান্য দর্শনীয় জায়গানরসিংদী জেলার অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাের মধ্যে আনন্দ পার্ক, গিরিশ চন্দ্র সেনের বাড়ী, লক্ষণ সাহার জমিদার বাড়ী, বালাপুর জমিদার বাড়ী ও ড্রিম হলিডে পার্ক উল্লেখযোগ্য।
কীভাবে যাবেন?
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যাওয়ার জন্য প্রথমে ঢাকা থেকে নরসিংদী জেলার রায়পুর রওনা দিতে হবে।
ঢাকার গুলিজায়গা থেকে মেঘালয় বা ভৈরবের যেকোন বাসে নরসিংদী যেতে পারবেন।
নরসিংদী থেকে রায়পুর উপজেলা ২৮ কিলোমিটার।
সিএনজি বা অটোতে রামনগর উত্তর পাড়া রোড ধরে রামনগর নদীর পাড়ে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
নরসিংদীর পাতিলবাড়ী রোডে হোটেল তানিম, হোটেল রিয়াজ, হোটেল আজিজের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা রয়েছে।
কোথায় খাবেন?
নরসিংদীর রায়পুরায় যাওয়ার পথে আনন্দ পার্ক রেস্তোরাঁ, পান্থশালা, সওদাগর হোটেল এন্ড রেস্তোরাঁ,মুন্না রেস্তোরাঁ, কালা মিয়া টি স্টল ও হোটেলের মতো বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। নরসিংদী জেলার রসগোল্লা, লালমোহন, খিরমোহন ও শাহী জিলাপি বেশ পরিচিত।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর কীভাবে যাবেন?
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘরে যাওয়ার জন্য প্রথমে ঢাকা থেকে নরসিংদী জেলার রায়পুর রওনা দিতে হবে। ঢাকার গুলিজায়গা থেকে মেঘালয় বা ভৈরবের যেকোন বাসে নরসিংদী যেতে পারবেন। নরসিংদী থেকে রায়পুর উপজেলা ২৮ কিলোমিটার। সিএনজি বা অটোতে রামনগর উত্তর পাড়া রোড ধরে রামনগর নদীর পাড়ে রয়েছে
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নরসিংদীর পাতিলবাড়ী রোডে হোটেল তানিম, হোটেল রিয়াজ, হোটেল আজিজের মতো বেশকিছু আবাসিক হোটেল আছে। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা রয়েছে।
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
ঢাকার নিকটবর্তী নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের রামনগরে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর (Bir Shreshtha Matiur Rahman Memorial Museum) রয়েছে। তাছাড়া সার্কিট হাউজ, এলজিইডির রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদের ডাক বাংলোয় রাতে থাকার ব্যবস্থাের ব্যবস্থা রয়েছে। জাদুঘরের লাইব্রের
তথ্য সূত্র: Vromon Guide

