আতিয়া মসজিদ (Atia Mosque) টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার আতিয়া গ্রামে রয়েছে প্রায় ৪০০ বছর পুরনো একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। নিরালা মোড়ের কাছাকাছি দূরত্বে কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

আতিয়া মসজিদ সম্পর্কে
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রিত দশ টাকা মূল্যমানের নোটের একপার্শ্বে আতিয়া মসজিদের ছবি রয়েছে।
কোথায় থাকবেন
টাঙ্গাইলে থাকার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ ও এলজিইডির সরকারি রেস্ট হাউজ আছে। লাল ইটে তৈরি আতিয়া মসজিদটিতে সুলতানি ও মুঘল স্থাপত্যরীতির নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায়। ১৮০০ সালের ভূমিকম্পে আতিয়া মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ১৮৩৭ এবং ১৯০৯ সালে মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করা হয়।
টঙ্গী হয়ে টাঙ্গাইল যেতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে। মসজিদের পূর্বদিকে তিনটি প্রবেশ পথ ছাড়াও উত্তর – দক্ষিণে আরো দুটি করে গেট রয়েছে। টাঙ্গাইলের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে নেমে সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে পাথরাইল বটতলা আসতে হবে।
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে নিরালা, বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিতভাবে ছেড়ে যায়। এর মধ্যে শহরের নিরালা মোড়ে রয়েছে হোটেল নিরালা বিশেষত প্রসিদ্ধ। গম্বুজের নীচে এবং চারকোণার চারটি পিলারে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চমৎকার নকশা।
আতিয়া মসজিদে একটা বড় ও তিনটি ছোট গোলাকার গম্বুজ রয়েছে। বাইজিদ খান পন্নীর পুত্র জমিদার সাইদ খান পন্নী ১৬১০ সালে আতিয়া মসজিদটি নির্মাণ করেন। আতিয়া মসজিদের পূর্ব ও উত্তর দিকের দেয়ালে টেরাকোটার উপর জায়গা পেয়েছে ফুলের নকশা।
টাঙ্গাইল শহর থেকে মসজিদটির দূরত্ব প্রায় ৬ কিলোমিটার। আর যদি হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চান যদিও টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ের দিকে বেশ কিছু নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন। টাঙ্গাইলের কিছু উল্লেখযোগ্য হোটেলের নাম নিচে দেয়া হল:পলাশ হাউজ/ নাইট গন্ধা রেসিডেনসিয়াল হোটেল, আল ফয়সাল হোটেল রেসিডেনসিয়াল, হোটেল সাগর রেসিডেনসিয়াল, আফরিন হোটেল, এস এস রেস্ট হাউজ, সুগন্ধা হোটেল, নিরালা হোটেল, পিয়াসি হোটেল, হোটেল কিছুক্ষন, হোটেল আদিত্য, হোটেল ড্রিম টাচ, শালবন রেসিডেনসিয়াল হোটেল, ইসলামিয়া গেস্ট হাউজ, ভাই ভাই গেস্ট হাউজ, যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড, এলেঙ্গা রিসোর্ট লিমিটেড রেসিডেনসিয়াল হোটেলস।
সেগুলিতে যোগাযোগ করে থাকতে পারবেন। খাবার সুবিধাটাঙ্গাইল খাওয়ার জন্য নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। আতিয়া মসজিদ এর আশেপাশের জায়গা : ঐতিহ্যবাহী আতিয়া মসজিদ ছাড়াও কাছাকাছি দূরত্বে দেখতে পৌঁছাতে পারবেন করটিয়া জমিদার বাড়ি, দেলদুয়ার জমিদার বাড়ী, মওলানা ভাসানীর সমাধি ও জাদুঘর এবং মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১২ মিটার প্রস্থের মসজিদটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে লৌহজং নদী। বটতলা থেকে সিএনজি, রিকশা বা পায়ে হেটে আতিয়া মসজিদে যাওয়া যায়। এই সমস্ত বাসে টাঙ্গাইল যেতে ভাড়া লাগে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।
আতিয়া মসজিদ কীভাবে যাবেন
ঢাকা হতে সড়কপথে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার। অটোরিকসা জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা ভাড়া নিবে। আরও পড়ুনবেলাব বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদবিবি বেগনী মসজিদশেখ মাহমুদ শাহ মসজিদসুরা মসজিদ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা হতে সড়কপথে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার।
টাঙ্গাইলের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে নেমে সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে পাথরাইল বটতলা আসতে হবে।
ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে নিরালা, বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিতভাবে ছেড়ে যায়।
এই সমস্ত বাসে টাঙ্গাইল যেতে ভাড়া লাগে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা।
টঙ্গী হয়ে টাঙ্গাইল যেতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগে।
অটোরিকসা জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা ভাড়া নিবে।
কোথায় থাকবেন?
টাঙ্গাইলে থাকার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ ও এলজিইডির সরকারি রেস্ট হাউজ আছে। সেগুলিতে যোগাযোগ করে থাকতে পারবেন। আর যদি হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চান যদিও টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ের দিকে বেশ কিছু নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন। টাঙ্গাইলের কিছু উল্লেখযোগ্য হোটেলের নাম নিচে দেয়া হল:পলাশ হাউজ/ নাইট গন্ধা রেসিডেনসিয়াল হোটেল, আল ফয়সাল হোটেল রেসিডেনসিয়াল, হোটেল সাগর রেসিডেনসিয়াল, আফরিন হোটেল, এস এস রেস্ট হাউজ, সুগন্ধা হোটেল, নিরালা হোটেল, পিয়াসি হোটেল, হোটেল কিছুক্ষন, হোটেল আদিত্য, হোটেল ড্রিম টাচ, শালবন রেসিডেনসিয়াল হোটেল, ইসলামিয়া গেস্ট হাউজ, ভাই ভাই গেস্ট হাউজ, যমুনা রিসোর্ট লিমিটেড, এলেঙ্গা রিসোর্ট লিমিটেড রেসিডেনসিয়াল হোটেলস।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আতিয়া মসজিদ কীভাবে যাবেন?
ঢাকা হতে সড়কপথে টাঙ্গাইলের দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিলোমিটার। টাঙ্গাইলের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে নেমে সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে পাথরাইল বটতলা আসতে হবে। ঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে নিরালা, বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিতভাবে ছেড়ে যায়। এই সমস্ত বাসে টাঙ্গাইল যেতে ভাড়া লাগে ২০০ থেক
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
টাঙ্গাইলে থাকার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ ও এলজিইডির সরকারি রেস্ট হাউজ আছে। সেগুলিতে যোগাযোগ করে থাকতে পারবেন। আর যদি হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করতে চান যদিও টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ের দিকে বেশ কিছু নানা মানের হোটেলে রাতে থাকতে পারবেন। টাঙ্গাইলের কিছু উল্লেখযোগ্য হোটেলের নাম নিচে দেয়া হল:পলাশ হাউজ/ নাইট
আতিয়া মসজিদ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
আতিয়া মসজিদ (Atia Mosque) টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার আতিয়া গ্রামে রয়েছে প্রায় ৪০০ বছর পুরনো একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ স্থাপনা। নিরালা মোড়ের কাছাকাছি দূরত্বে কয়েকটি খাবার হোটেল রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রিত দশ টাকা মূল্যমানের নোটের একপার্শ্বে আতিয়া মসজিদের ছবি রয়েছে।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
