বঙ্গবন্ধু অসংখ্যমুখী সেতুর কাছে যমুনা নদীর পূর্ব পাশে তোলা হয়েছে থ্রি স্টার মানের বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট (Bangabandhu Setu Resort)। প্রত্যেকটি হলরুম ২০০ মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট সম্পর্কে
যেখানে ৪০ থেকে ১০০০ জনের পিকনিক আয়োজনের খরচ প্যাকেজ ভেধে ২০,০০০ টাকা থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত। যার মাথাপিছু খরচ নির্ধারন করা হয় প্যাকেজভেদে ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। কীভাবে যাবেন বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্টঢাকার গাবতলী ও মহাখালী থেকে টাঙ্গাইলের বাসে কম খরচে যমুনা রিসোর্টে যাওয়া যায়।
এছাড়া যমুনা রিসোর্টে নৌভ্রমণ ও রিসোর্টের সাইট ভ্রমণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্টে একসাথে ১৫০ জন বসে খাবার গ্রহনের একটা রেস্তোরাঁ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্টের প্যাকেজবিশেষ উৎসব যেমন ঈদ, পহেলা বৈশাখ এবং থার্টিফার্স্ট নাইটে এখানে নানা প্যাকেজ চালু থাকে।
কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেল স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর আগের স্টেশনে থামে এমন ট্রেনে করে আসতে পারবেন। এছাড়া বাসে করে ভূঞাপুর উপজেলা গেইট নেমে সেখান থেকে সিএনজি কিংবা রিক্সা ভাড়া করে যমুনা সেতু সংলগ্ন যমুনা রিসোর্ট আসতে পারবেন। এছাড়া পিকনিক, গেট টুগেদার, ডিজে পার্টি এবং অফিসিয়াল অনুষ্ঠানের জন্য যমুনা রিসোর্টে সকল ব্যবস্থা রয়েছে।
যমুনা রিসোর্টে রয়েছে জিম, হেলথ ক্লাব, সুইমিংপুল, বেকারি, ফরেন মানি এক্সচেঞ্জ এবং স্যুভেনির শপ। এই রিসোর্টের পূর্ব নাম ছিল যমুনা রিসোর্ট (Jamuna Resort)। এখানে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নামে দুইটি হলরুম আছে।
থাকার জন্য বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্টে রয়েল সুইট, ডিলাক্স এক্সিকিউটিভ সুইট, ২ ও ৩ বেডরুমের কটেজ, ডরমিটরি এবং এক্সট্রা বেড সুবিধা রয়েছে। খেলাধুলার সুবিধা হিসাবে এখানে ফুটবল, হকি, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন ও দাবার ব্যবস্থা আছে। টাংগাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার মাঝামাঝি জায়গাে এই রিসোর্টি অবস্তিত।
এই রেস্তোরাঁে সকাল, দুপুর এবং রাতের খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। রেল স্টেশন থেকে পায়ে হেটে কিংবা রিকশা যোগে যমুনা রিসোর্টে যেতে পারবেন। বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্টে
যোগাযোগ
কর্পোরেট অফিস:প্রগতি ইন্স্যুরেন্স ভবন (৭ম তলা) ২০-২১কাওরান বাজার, ঢাকা ১২১৫মোবাইল: 01715-852997, 01975-852997 আরও পড়ুনবঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘররিভেরি হলিডে রিসোর্টকক্সবাজারের সি ভিউ হোটেল ও রিসোর্টকুমিল্লার সেরা আবাসিক হোটেল ও রিসোর্ট
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী থেকে টাঙ্গাইলের বাসে কম খরচে যমুনা রিসোর্টে যাওয়া যায়।
রেল স্টেশন থেকে পায়ে হেটে কিংবা রিকশা যোগে যমুনা রিসোর্টে যেতে পারবেন।
কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেল স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর আগের স্টেশনে থামে এমন ট্রেনে করে আসতে পারবেন।
এছাড়া বাসে করে ভূঞাপুর উপজেলা গেইট নেমে সেখান থেকে সিএনজি কিংবা রিক্সা ভাড়া করে যমুনা সেতু সংলগ্ন যমুনা রিসোর্ট আসতে পারবেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গাবতলী ও মহাখালী থেকে টাঙ্গাইলের বাসে কম খরচে যমুনা রিসোর্টে যাওয়া যায়। রেল স্টেশন থেকে পায়ে হেটে কিংবা রিকশা যোগে যমুনা রিসোর্টে যেতে পারবেন। কমলাপুর কিংবা বিমানবন্দর রেল স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর আগের স্টেশনে থামে এমন ট্রেনে করে আসতে পারবেন। এছাড়া বাসে করে ভূঞাপুর উপজেলা গেইট নেমে সেখান থে
বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
বঙ্গবন্ধু অসংখ্যমুখী সেতুর কাছে যমুনা নদীর পূর্ব পাশে তোলা হয়েছে থ্রি স্টার মানের বঙ্গবন্ধু সেতু রিসোর্ট (Bangabandhu Setu Resort)। প্রত্যেকটি হলরুম ২০০ মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। যেখানে ৪০ থেকে ১০০০ জনের পিকনিক আয়োজনের খরচ প্যাকেজ ভেধে ২০,০০০ টাকা থেকে ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide


