আদম কাশ্মীর মাজার শরীফ টাঙ্গাইল জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে নাগরপুর উপজেলায় রয়েছে হযরত শাহান শাহ বাবা আদম কাশ্মিরির (রহ.) স্মৃতিবিজড়িত এক পুণ্যজায়গা। ট্রেনে আসনভেদে টিকিটের মূল্য পরবে ৯৫ থেকে ৩৯৭ টাকা।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

আদম কাশ্মীর মাজার সম্পর্কে
জায়গাীয়ভাবে উদয়তারা সমাধি সৌধটি গয়হাটার মট নামে পরিচিত। বাস ভাড়া প্রায়ই ৪০ থেকে ৬০ টাকা লাগে, আর অটোরিকশায় নাগরপুর যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কিংবা দিনে গিয়ে দিনে টাঙ্গাইল শহরে ফিরে আসলে টাঙ্গাইল শহরে আপনার রুচি ও সাধ্য অনুযায়ী নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁয় খেতে পারবেন।
নাগরপুর উপজেলা সদরে পৌছে পায়ে হেটে বা রিক্সা যোগে কাছাকাছি রয়েছে সকল দর্শনীয় জায়গাগুলোতে পৌঁছাতে পারবেন। জায়গাীয়ভাবে এই দিঘি নিয়ে বহু কল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। এছাড়া টাঙ্গাইল শহরে ফিরে আসলে এখানে নানামানের রেস্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
শাহান শাহ বাবা আদম কশ্মেরী (রহ.) কাশ্মীর থেকে এখানে ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। এছাড়াও পাকুটিয়া ইউনিয়নে আরো একটা জমিদার বাড়ি রয়েছে। এই সমস্ত বাসে ভাড়া লাগে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা।
নাগরপুর উপজেলা সদরে আরো দুটি ছোট জমিদারদের দৃষ্টিনন্দন ও কারুকার্যমণ্ডিত বাড়ি রয়েছে। নাগরপুরের রাতুরিয়া বাজারে আহম্মদ শাহর (রহ.) মাজার শরীফ রয়েছে। আদম কাশ্মীর মাজার দেখতে
কীভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিত যাত্রা করে। টাঙ্গাইল থেকে আদম কাশ্মীর মাজার টাঙ্গাইল জেলা শহরের বেবিস্ট্যান্ড থেকে নাগরপুর উপজেলায় যাওয়ার বাস এবং সিএনজি পাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রস, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস, টাঙ্গাইল কমিউটার, চিত্রা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়।
জমিদার বাড়ির কাছে একই আঙিনায় রয়েছে মসজিদ ও মন্দির ধর্ম সম্প্রীতির এক বিরল উদাহারণ হিসাবে উল্লেখ করার মত। আর যা যা দেখতে পারেননাগরপুর বাজার সড়কের কাছেই ৫৪ একর জমির ওপর রয়েছে জমিদার সতীশ রায় বাহাদুর চৌধুরীর কতৃক নির্মিত বাড়ি, যা জায়গাীয়ভাবে চৌধুরী বাড়ি নামে পরিচিত। এছাড়াও উপজেলার গয়হাটা নামক জায়গাে রয়েছে প্রায় ২০০ বছর আগে নির্মিত উদয়তারা সমাধি সৌধ।
শৈল্পিক কারুকার্যময় এই জমিদার বাড়ির ভেতরে ঘোড়ার দালান, রংমহল এবং পরীর দালান রয়েছে। চৌধুরী বাড়ির দক্ষিণে রয়েছে উপেন্দ্র সরোবর নামে ১২ ঘাট বিশিষ্ট একটা বিশাল জলাশয়। এখন পাকুটিয়া জমিদার বাড়িতে পাকুটিয়া বিসিআরজি কলেজ পরিচালিত হচ্ছে।
কোথায় থাকবেন
নাগরপুর উপজেলা সদরে একটা সরকারি ডাকবাংলো এবং শাপলা গেস্ট হাউজ নামে একটা ব্যক্তিমালিকানাধীন গেস্ট হাউজ রয়েছে।
কোথায় খাবেন
নাগরপুরে কিছু সাধারণ মানের খাবার হোটেল আছে, সেখান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে নিতে পারেন। নাগরপুরের বহু ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী এই চৌধুরী বাড়ি থেকেই সতীশ রায় বাহাদুর চৌধুরী জমিদারি পরিচালনা করতেন। তৎকালীন জমিদার কালি কুমার চৌধুরীর মায়ের সমাধির ওপর নির্মিত সৌধটি প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু।
প্রায় ৩০ বছর ধরে এখানে হিন্দু-মুসলমান মিলেমিশে ধর্ম পালন করে আসছে। এই জমিদার বাড়িতেই নাগরপুর মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই মাজারেও প্রচুর ভক্ত ও ভ্রমণকারীর সমাগম হয়।
এখন এই জায়গাটিকেই সংরক্ষণ করে একটা স্থাপনা নির্মান করা হয়েছে, যা জায়গাীয়দের কাছে আদম কাশ্মীর মাজার (Adom Kashmir Majar) হিসাবে পরিচিত। যে জায়গাটিতে মাজারটি স্থাপন করা হয়েছে সে জায়গাে তিনি মূলত বসে বিশ্রাম নিতেন এবং কথাবার্তা বলতেন। আরও পড়ুন : টাঙ্গাইল জেলার দর্শনীয় জায়গা সমূহ
কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিত যাত্রা করে।
টাঙ্গাইল থেকে আদম কাশ্মীর মাজার টাঙ্গাইল জেলা শহরের বেবিস্ট্যান্ড থেকে নাগরপুর উপজেলায় যাওয়ার বাস এবং সিএনজি পাওয়া যায়।
এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রস, সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস, টাঙ্গাইল কমিউটার, চিত্রা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে টাঙ্গাইল যাওয়া যায়।
ট্রেনে আসনভেদে টিকিটের মূল্য পরবে ৯৫ থেকে ৩৯৭ টাকা।
এই সমস্ত বাসে ভাড়া লাগে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা।
বাস ভাড়া প্রায়ই ৪০ থেকে ৬০ টাকা লাগে, আর অটোরিকশায় নাগরপুর যেতে জনপ্রতি ভাড়া লাগে ৮০ থেকে ১০০ টাকা।
কোথায় থাকবেন?
নাগরপুর উপজেলা সদরে একটা সরকারি ডাকবাংলো এবং শাপলা গেস্ট হাউজ নামে একটা ব্যক্তিমালিকানাধীন গেস্ট হাউজ রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল শহরে ফিরে আসলে এখানে নানামানের রেস্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
কোথায় খাবেন?
নাগরপুরে কিছু সাধারণ মানের খাবার হোটেল আছে, সেখান থেকে প্রয়োজনীয় খাবার খেয়ে নিতে পারেন। কিংবা দিনে গিয়ে দিনে টাঙ্গাইল শহরে ফিরে আসলে টাঙ্গাইল শহরে আপনার রুচি ও সাধ্য অনুযায়ী নানা মানের হোটেল ও রেস্তোরাঁয় খেতে পারবেন। আরও পড়ুন : টাঙ্গাইল জেলার দর্শনীয় জায়গা সমূহ
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
আদম কাশ্মীর মাজার কীভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলঢাকার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বিনিময়, ঝটিকা, ধলেশ্বরী ইত্যাদি বাস টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে নিয়মিত যাত্রা করে। টাঙ্গাইল থেকে আদম কাশ্মীর মাজার টাঙ্গাইল জেলা শহরের বেবিস্ট্যান্ড থেকে নাগরপুর উপজেলায় যাওয়ার বাস এবং সিএনজি পাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ধূমকেতু এক্সপ্
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
নাগরপুর উপজেলা সদরে একটা সরকারি ডাকবাংলো এবং শাপলা গেস্ট হাউজ নামে একটা ব্যক্তিমালিকানাধীন গেস্ট হাউজ রয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল শহরে ফিরে আসলে এখানে নানামানের রেস্ট হাউজ ও আবাসিক হোটেলে রাতে থাকার ব্যবস্থা করার সুযোগ পাবেন।
আদম কাশ্মীর মাজার সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
আদম কাশ্মীর মাজার শরীফ টাঙ্গাইল জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে নাগরপুর উপজেলায় রয়েছে হযরত শাহান শাহ বাবা আদম কাশ্মিরির (রহ.) স্মৃতিবিজড়িত এক পুণ্যজায়গা। ট্রেনে আসনভেদে টিকিটের মূল্য পরবে ৯৫ থেকে ৩৯৭ টাকা। জায়গাীয়ভাবে উদয়তারা সমাধি সৌধটি গয়হাটার মট নামে পরিচিত।
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
