নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে রয়েছে হাজীগঞ্জ দুর্গ (Hajiganj Fort) মুঘল আমলে নির্মিত একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ জল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ১৯৫০ সালে এই হাজীগঞ্জ কেল্লাটিকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত করে নানা ধাপে সংস্কার করে বর্তমান রূপ দেয়া হয়।
দ্রুত তথ্য
- অবস্থান: ঢাকা, ঢাকা বিভাগ

হাজীগঞ্জ দুর্গ সম্পর্কে
সপ্তদশ শতকের দিকে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক ঢাকায় মুঘল রাজধানী স্থাপনের পর মগ ও পর্তুগীজ জলদস্যুদের আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে নির্মিত তিনটি জল দুর্গ বা ট্রায়াঙ্গল অব ওয়াটার ফোর্টগুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ অন্যতম। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকতে চাইলে নারায়নগঞ্জ সদরে নানা মানের আবাসিক হোটেলে রাত কাটাতে পারবেন।
কীভাবে যাবেন
ঢাকার গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার নানা এসি/নন-এসি আস সার্ভিস রয়েছে। ঢাকা থেকে সড়কপথে হাজীগঞ্জ দুর্গের দূরত্ব প্রায় ১৫ কিলোমিটার। দুর্গের চারকোণে আছে ৪টি বুরুজ।
আর অপর দুই দুর্গের নাম সোনাকান্দা দুর্গ এবং ইদ্রাকপুর দুর্গ। হাজীগঞ্জ দুর্গের নির্মাণ কাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। এছাড়া বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে সংলগ্ন হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে বন্ধু, আনন্দ এবং উৎসব বাসের কাউন্টার আছে।
কারো মতে ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে দুর্গটি নির্মিত হয়। তৎকালীন সময়ে হাজীগঞ্জ খিজিরপুর নামে পরিচিত ছিল, ফলে বহুেই একে খিজিরপুর দুর্গ নামে আখ্যায়িত করেছেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন ১৬৫০ থেকে ১৬৬০ সালের মধ্যে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।
পঞ্চভুজ আকৃতির সীমানা প্রাচীরের দেয়ালে বন্দুক রেখে গুলি করার ছিদ্র রয়েছে। এছাড়া প্রাচীরের উপরে উঠার জন্য সিঁড়ি এবং এক কোণে একটা পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে কামান রাখার বেদি রয়েছে। চতুর্ভুজাকৃতির হাজীগঞ্জ দুর্গের দৈর্ঘ্য ২৫০ মিটার এবং প্রস্থ ২০০ মিটার।
কোথায় থাকবেন
ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী এবং আশে পাশের জেলা হতে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় তাই রাতে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে মোটেও ভাবতে হবে না। এসব বাসের কোন একটাতে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এসে রিকশা বা ইজিবাইকে হাজীগঞ্জ দুর্গ দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় খাবেন
নারায়ণগঞ্জের বিশেষ খাবারের মধ্যে কাইকারটেক হাটের পুতা মিষ্টি খেয়ে দেখতে পারেন।
কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার নানা এসি/নন-এসি আস সার্ভিস রয়েছে।
এছাড়া বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে সংলগ্ন হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে বন্ধু, আনন্দ এবং উৎসব বাসের কাউন্টার আছে।
এসব বাসের কোন একটাতে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এসে রিকশা বা ইজিবাইকে হাজীগঞ্জ দুর্গ দেখতে যেতে পারবেন।
কোথায় থাকবেন?
ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী এবং আশে পাশের জেলা হতে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় তাই রাতে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে মোটেও ভাবতে হবে না। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকতে চাইলে নারায়নগঞ্জ সদরে নানা মানের আবাসিক হোটেলে রাত কাটাতে পারবেন।
কোথায় খাবেন?
নারায়ণগঞ্জের বিশেষ খাবারের মধ্যে কাইকারটেক হাটের পুতা মিষ্টি খেয়ে দেখতে পারেন।
বাংলাদেশ ভ্রমণে ফ্লাইট বুক করতে Tripzao তে সার্চ করুন — সেরা দামে দেশের যেকোনো গন্তব্যে যাওয়ার ticket পাবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
হাজীগঞ্জ দুর্গ কীভাবে যাবেন?
ঢাকার গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জ যাওয়ার নানা এসি/নন-এসি আস সার্ভিস রয়েছে। এছাড়া বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে সংলগ্ন হানিফ ফ্লাইওভারের কাছে বন্ধু, আনন্দ এবং উৎসব বাসের কাউন্টার আছে। এসব বাসের কোন একটাতে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া এসে রিকশা বা ইজিবাইকে হাজীগঞ্জ দুর্গ দেখতে যেতে পারবেন।
ঢাকা এলাকায় কোথায় থাকবেন?
ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী এবং আশে পাশের জেলা হতে দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসা যায় তাই রাতে থাকার ব্যবস্থা নিয়ে মোটেও ভাবতে হবে না। তবুও প্রয়োজনে রাতে থাকতে চাইলে নারায়নগঞ্জ সদরে নানা মানের আবাসিক হোটেলে রাত কাটাতে পারবেন।
হাজীগঞ্জ দুর্গ সম্পর্কে সংক্ষেপে কী জানা দরকার?
নারায়ণগঞ্জ জেলার হাজীগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে রয়েছে হাজীগঞ্জ দুর্গ (Hajiganj Fort) মুঘল আমলে নির্মিত একটা ইতিহাস-সমৃদ্ধ জল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ১৯৫০ সালে এই হাজীগঞ্জ কেল্লাটিকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত করে নানা ধাপে সংস্কার করে বর্তমান রূপ দেয়া হয়। সপ্তদশ শতকের দিকে মুঘল সুবা
তথ্য সূত্র: Vromon Guide
